আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার সায়েন্স অলিম্পিয়াডের (আইএনএসও) তৃতীয় আসরে অভিষেকে দারুণ সাফল্য পেয়েছে চীন। সৌদি আরবের জেদ্দায় শনিবার শেষ হওয়া প্রতিযোগিতায় চীনা দল একটি স্বর্ণ ও তিনটি রৌপ্য পদক অর্জন করেছে।
চার সদস্যের চীনা দল অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ফল অর্জন করে। আট দিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশ নেয় ১৯ দেশের শিক্ষার্থী। প্রতিযোগিতায় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়। নিউক্লিয়ার ফিজিক্স, বিকিরণ সুরক্ষা ও নিউক্লিয়ার জ্বালানিসহ পারমাণবিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় ছিল পরীক্ষার অংশ।
চীনের হয়ে স্বর্ণপদক জয় করেন বেইজিংয়ের ৮০ নম্বর হাইস্কুলের ওয়াংচিং ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী লিউ সিছি। বিশ্বজুড়ে মেধাবী তরুণদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা তাকে বিজ্ঞানে আরও কঠোর পরিশ্রম ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর অনুপ্রেরণা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
আয়োজক কমিটির প্রতিনিধি তালাল আলরাশিদি চীনের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চীনা শিক্ষার্থীরা অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে এবং চীনা তরুণদের ইতিবাচক মানসিকতার প্রমাণ দেখিয়েছে।
চীনা প্রতিনিধিদলের প্রধান ও চায়না ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ইন্ডাস্ট্রি স্ট্র্যাটেজির উপ-প্রধান অর্থনীতিবিদ এবং চায়না অ্যাটমিক এনার্জি প্রেসের প্রেসিডেন্ট ওয়াং ফেং বলেন, ‘নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও মেধাবী তরুণকে এ বিষয়ে পড়াশোনা, গবেষণা ও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হবে।’
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহায়তায় আইএনএসও চালু হয়। এটি বিশ্বের প্রথম তরুণদের জন্য আয়োজিত নিউক্লিয়ার সায়েন্স অলিম্পিয়াড।
সূত্র: নাহার-লুৎফর, সিনহুয়া।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার সায়েন্স অলিম্পিয়াডের (আইএনএসও) তৃতীয় আসরে অভিষেকে দারুণ সাফল্য পেয়েছে চীন। সৌদি আরবের জেদ্দায় শনিবার শেষ হওয়া প্রতিযোগিতায় চীনা দল একটি স্বর্ণ ও তিনটি রৌপ্য পদক অর্জন করেছে।
চার সদস্যের চীনা দল অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ফল অর্জন করে। আট দিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশ নেয় ১৯ দেশের শিক্ষার্থী। প্রতিযোগিতায় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়। নিউক্লিয়ার ফিজিক্স, বিকিরণ সুরক্ষা ও নিউক্লিয়ার জ্বালানিসহ পারমাণবিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় ছিল পরীক্ষার অংশ।
চীনের হয়ে স্বর্ণপদক জয় করেন বেইজিংয়ের ৮০ নম্বর হাইস্কুলের ওয়াংচিং ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী লিউ সিছি। বিশ্বজুড়ে মেধাবী তরুণদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা তাকে বিজ্ঞানে আরও কঠোর পরিশ্রম ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর অনুপ্রেরণা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
আয়োজক কমিটির প্রতিনিধি তালাল আলরাশিদি চীনের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চীনা শিক্ষার্থীরা অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে এবং চীনা তরুণদের ইতিবাচক মানসিকতার প্রমাণ দেখিয়েছে।
চীনা প্রতিনিধিদলের প্রধান ও চায়না ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ইন্ডাস্ট্রি স্ট্র্যাটেজির উপ-প্রধান অর্থনীতিবিদ এবং চায়না অ্যাটমিক এনার্জি প্রেসের প্রেসিডেন্ট ওয়াং ফেং বলেন, ‘নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও মেধাবী তরুণকে এ বিষয়ে পড়াশোনা, গবেষণা ও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হবে।’
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহায়তায় আইএনএসও চালু হয়। এটি বিশ্বের প্রথম তরুণদের জন্য আয়োজিত নিউক্লিয়ার সায়েন্স অলিম্পিয়াড।
সূত্র: নাহার-লুৎফর, সিনহুয়া।

আপনার মতামত লিখুন