কুমিল্লার বরুড়ায় সৌদিয়া হোটেলের এক কর্মচারীকে দুই হাত বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোঃ হাফেজ উদ্দিনের ছেলে *মাহবুবুল আলম রাফী* সৌদিয়া হোটেলে কাজ করেন। হোটেলের অপর এক কর্মচারীর সঙ্গে টাকা পাওনা নিয়ে তর্কাতর্কির ঘটনা শুনে উত্তেজিত হয়ে হোটেল মালিক **মোহাম্মদ খোকন মিয়া** রাফীকে দুই হাত বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় রাফীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফুলা ও জখমের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী মাহবুবুল আলম রাফী অভিযোগ করে বলেন, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কির ঘটনায় তাকে কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে দুই হাত বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে মারধর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হোটেল মালিক মোহাম্মদ খোকন মিয়া বলেন, ছেলেটা নেশা করে। তাকে আইনের হাতে তুলে না দিয়ে নিজে কেনো মারলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলে স্থানীয়দের অনুরোধে পুলিশের হাতে তুলে দেইনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় সৌদিয়া হোটেলের এক কর্মচারীকে দুই হাত বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোঃ হাফেজ উদ্দিনের ছেলে *মাহবুবুল আলম রাফী* সৌদিয়া হোটেলে কাজ করেন। হোটেলের অপর এক কর্মচারীর সঙ্গে টাকা পাওনা নিয়ে তর্কাতর্কির ঘটনা শুনে উত্তেজিত হয়ে হোটেল মালিক **মোহাম্মদ খোকন মিয়া** রাফীকে দুই হাত বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় রাফীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফুলা ও জখমের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী মাহবুবুল আলম রাফী অভিযোগ করে বলেন, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কির ঘটনায় তাকে কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে দুই হাত বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে মারধর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হোটেল মালিক মোহাম্মদ খোকন মিয়া বলেন, ছেলেটা নেশা করে। তাকে আইনের হাতে তুলে না দিয়ে নিজে কেনো মারলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলে স্থানীয়দের অনুরোধে পুলিশের হাতে তুলে দেইনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন