কুমিল্লার মুরাদনগরে পারিবারিক কলহের জেরে আরজুনা (৩৫) নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর-পশ্চিম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরজুনা ওই এলাকার সফিক মাঝির মেয়ে। তাঁর ১৭ বছর বয়সী মেয়ে জান্নাত ও ১১ বছর বয়সী ছেলে ইয়াসিন আরাফাত রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আরজুনার স্বামী জামাল শিকদার শ্রমিকের কাজ করেন। ঘটনার দিন দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি মাছের প্রজেক্ট থেকে খাবার খেতে বাড়িতে আসেন তিনি। এ সময় আরজুনা রান্না করতে গেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে জামাল শিকদার ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে আরজুনাকে কোপান বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের ১১ বছর বয়সী ছেলে ভয়ে চিৎকার করে পাশের বাড়িতে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আরজুনাকে ঘরের দরজার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ধারালো দা পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলেও স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে মুরাদনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। তবে ঘটনার পর অভিযুক্ত জামাল শিকদারের অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়না।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগরে পারিবারিক কলহের জেরে আরজুনা (৩৫) নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর-পশ্চিম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরজুনা ওই এলাকার সফিক মাঝির মেয়ে। তাঁর ১৭ বছর বয়সী মেয়ে জান্নাত ও ১১ বছর বয়সী ছেলে ইয়াসিন আরাফাত রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আরজুনার স্বামী জামাল শিকদার শ্রমিকের কাজ করেন। ঘটনার দিন দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি মাছের প্রজেক্ট থেকে খাবার খেতে বাড়িতে আসেন তিনি। এ সময় আরজুনা রান্না করতে গেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে জামাল শিকদার ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে আরজুনাকে কোপান বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের ১১ বছর বয়সী ছেলে ভয়ে চিৎকার করে পাশের বাড়িতে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আরজুনাকে ঘরের দরজার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ধারালো দা পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলেও স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে মুরাদনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। তবে ঘটনার পর অভিযুক্ত জামাল শিকদারের অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়না।

আপনার মতামত লিখুন