ঢাকা   সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

নিকলীতে এক রাতে কৃষক ফরিদের গোয়াল থেকে চার গরু উধাও



নিকলীতে এক রাতে কৃষক ফরিদের গোয়াল থেকে চার গরু উধাও
মোঃ ওয়াহিদ, কিশোরগঞ্জ কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় শীতের শুরুতেই বেড়েছে গরু চুরির ঘটনা। সর্বশেষ মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে জারইতলা ইউনিয়নের জাল্লাবাদ গ্রামে কৃষক মো. ফরিদ মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে চারটি গরু চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া গরুগুলোর মধ্যে ছিল দুটি দেশি জাতের দুধেল গাভী ও দুটি বড় বাছুর। আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। ভুক্তভোগী কৃষক মো. ফরিদ মিয়া জানান, “প্রতিদিনের মতো গরু গোয়ালে বেঁধে রাতে খাবার দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরে ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়ালের দরজার থালা ভেঙে চারটি গরুই নেই। জীবনের সব সঞ্চয় ছিল এসব গরুতেই। এখন নিঃস্ব, সংসার কীভাবে চালাব—সেই চিন্তায় দিশেহারা হয়ে আছি।” স্থানীয়রা জানান, শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে বাড়ছে গরু চুরির ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও গরু চুরি হচ্ছে। এতে রীতিমতো আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকার কৃষকদের। কেউ কেউ রাত জেগে পালাক্রমে পাহারায় থাকলেও চোরচক্রের দৌরাত্ম্য থামছে না। জাল্লাবাদ গ্রামের এক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাত হলেই গরু চোরদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। গ্রামে এখন আর গরু নিরাপদ নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি দ্রুত নজরদারি না বাড়ায়, তাহলে কৃষকদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।” স্থানীয়রা গরু চুরি প্রতিরোধে পুলিশের টহল বৃদ্ধি ও চোরচক্র শনাক্তে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬


নিকলীতে এক রাতে কৃষক ফরিদের গোয়াল থেকে চার গরু উধাও

প্রকাশের তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
মোঃ ওয়াহিদ, কিশোরগঞ্জ কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় শীতের শুরুতেই বেড়েছে গরু চুরির ঘটনা। সর্বশেষ মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে জারইতলা ইউনিয়নের জাল্লাবাদ গ্রামে কৃষক মো. ফরিদ মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে চারটি গরু চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া গরুগুলোর মধ্যে ছিল দুটি দেশি জাতের দুধেল গাভী ও দুটি বড় বাছুর। আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। ভুক্তভোগী কৃষক মো. ফরিদ মিয়া জানান, “প্রতিদিনের মতো গরু গোয়ালে বেঁধে রাতে খাবার দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরে ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়ালের দরজার থালা ভেঙে চারটি গরুই নেই। জীবনের সব সঞ্চয় ছিল এসব গরুতেই। এখন নিঃস্ব, সংসার কীভাবে চালাব—সেই চিন্তায় দিশেহারা হয়ে আছি।” স্থানীয়রা জানান, শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে বাড়ছে গরু চুরির ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও গরু চুরি হচ্ছে। এতে রীতিমতো আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকার কৃষকদের। কেউ কেউ রাত জেগে পালাক্রমে পাহারায় থাকলেও চোরচক্রের দৌরাত্ম্য থামছে না। জাল্লাবাদ গ্রামের এক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাত হলেই গরু চোরদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। গ্রামে এখন আর গরু নিরাপদ নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি দ্রুত নজরদারি না বাড়ায়, তাহলে কৃষকদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।” স্থানীয়রা গরু চুরি প্রতিরোধে পুলিশের টহল বৃদ্ধি ও চোরচক্র শনাক্তে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত