কুমিল্লার বাঙ্গরা উপজেলার পেন্নাই গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার মেম্বার মধ্যরাতে দলবল নিয়ে গ্রামে এসে গণপিটুনিতে নিহত হোন। তবে পরিবারের অভিযোগ আওয়ামী লীগের (জাহাঙ্গীর গ্রুপ) একাংশ চাঁদা না পেয়ে হত্যা করে।
সরেজমিনে জানা যায়, বাঙ্গরা উপজেলার উত্তর পেন্নাই গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে মো.আনোয়ার হোসেন (মেম্বার) কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই সুবাধে এমপির প্রভাব দেখিয়ে স্থানীয় জনগণের উপর জুলুম নির্যাতন করতেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ ৬টি মামলা রয়েছে। এলাকায় অবৈধ ড্রেজার ও মাটি ব্যবসার একক আধিপত্যও ছিলো আনোয়ারের দখলে। এদিকে, ২০২৩ সালে ড্রেজারের অভিযানে গেলে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর গাড়িতে হামলার করেন আনোয়ার ও তার বাহিনী। তখন তিনি রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আইনের হাত থেকে বেঁচে যান।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সরকার বিজয়ী হওয়ার পর এলাকা ছাড়েন আনোয়ার মেম্বার। ৫ আগষ্টের পর থেকে নানান সময়ে মধ্যরাতে এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করেন তিনি তবে তার দ্বারা নির্যাতিত এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে গ্রাম ছাড়েন।
১৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে দলবল নিয়ে আবারো গ্রামে আসেন আনোয়ার মেম্বার। এ সময় তার দলবলকে ধাওয়া দেয় এলাকাবাসী এতে গনপিটুনিতে আনোয়ার মেম্বার নিহত হোন।
উত্তর পেন্নাই গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ লাক মিয়া বলেন- আনোয়ার ডাকাত আওয়ামী লীগের সময়ে মানুষকে মানুষ ই মনে করত না। জমি কিনলে বাড়ি করলেও দোকান দিলেও তাকে চাদা দিতে হত। দল মত নাই তার কাছে সবাই নির্যাতিত ছিল। মধ্যরাতে সে দলবল নিয়ে হামলা করলে সাধারণ মানুষ বাঁচার জন্য প্রতিরোধ করলে সে গণপিটুনিতে আহত হয়ে মারা যায়।
তবে নিহত আনোয়ারের মেয়ের জামাতা শফিকুল ইসলাম বলেন- আমার শশুর আওয়ামী লীগ করত। তিনি দীর্ঘদিন এলাকার বাহিরে। আমার শাশুড়ী বাড়িতে থাকে। রাতে আমার শশুড় বাড়িতে আসলে তাকে আওয়ামী লীগের (জাহাঙ্গীর গ্রুপের) নেতারা ১০ লাখ টাকা চাঁদার জন্য তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এখানে বিএনপির কেউ নেই। দুই গ্রুপই আওয়ামী লীগের বলে জানান নিহতের মেয়ের জামাতা শফিক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঙ্গরা থানার ওসি শফিউল আলম বলেন- আনোয়ার মেম্বার নামে নিহত ব্যক্তি মধ্যরাতে দলবল নিয়ে গ্রামে হামলা দেয়। এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার বাঙ্গরা উপজেলার পেন্নাই গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার মেম্বার মধ্যরাতে দলবল নিয়ে গ্রামে এসে গণপিটুনিতে নিহত হোন। তবে পরিবারের অভিযোগ আওয়ামী লীগের (জাহাঙ্গীর গ্রুপ) একাংশ চাঁদা না পেয়ে হত্যা করে।
সরেজমিনে জানা যায়, বাঙ্গরা উপজেলার উত্তর পেন্নাই গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে মো.আনোয়ার হোসেন (মেম্বার) কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই সুবাধে এমপির প্রভাব দেখিয়ে স্থানীয় জনগণের উপর জুলুম নির্যাতন করতেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ ৬টি মামলা রয়েছে। এলাকায় অবৈধ ড্রেজার ও মাটি ব্যবসার একক আধিপত্যও ছিলো আনোয়ারের দখলে। এদিকে, ২০২৩ সালে ড্রেজারের অভিযানে গেলে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর গাড়িতে হামলার করেন আনোয়ার ও তার বাহিনী। তখন তিনি রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আইনের হাত থেকে বেঁচে যান।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সরকার বিজয়ী হওয়ার পর এলাকা ছাড়েন আনোয়ার মেম্বার। ৫ আগষ্টের পর থেকে নানান সময়ে মধ্যরাতে এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করেন তিনি তবে তার দ্বারা নির্যাতিত এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে গ্রাম ছাড়েন।
১৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে দলবল নিয়ে আবারো গ্রামে আসেন আনোয়ার মেম্বার। এ সময় তার দলবলকে ধাওয়া দেয় এলাকাবাসী এতে গনপিটুনিতে আনোয়ার মেম্বার নিহত হোন।
উত্তর পেন্নাই গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ লাক মিয়া বলেন- আনোয়ার ডাকাত আওয়ামী লীগের সময়ে মানুষকে মানুষ ই মনে করত না। জমি কিনলে বাড়ি করলেও দোকান দিলেও তাকে চাদা দিতে হত। দল মত নাই তার কাছে সবাই নির্যাতিত ছিল। মধ্যরাতে সে দলবল নিয়ে হামলা করলে সাধারণ মানুষ বাঁচার জন্য প্রতিরোধ করলে সে গণপিটুনিতে আহত হয়ে মারা যায়।
তবে নিহত আনোয়ারের মেয়ের জামাতা শফিকুল ইসলাম বলেন- আমার শশুর আওয়ামী লীগ করত। তিনি দীর্ঘদিন এলাকার বাহিরে। আমার শাশুড়ী বাড়িতে থাকে। রাতে আমার শশুড় বাড়িতে আসলে তাকে আওয়ামী লীগের (জাহাঙ্গীর গ্রুপের) নেতারা ১০ লাখ টাকা চাঁদার জন্য তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এখানে বিএনপির কেউ নেই। দুই গ্রুপই আওয়ামী লীগের বলে জানান নিহতের মেয়ের জামাতা শফিক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঙ্গরা থানার ওসি শফিউল আলম বলেন- আনোয়ার মেম্বার নামে নিহত ব্যক্তি মধ্যরাতে দলবল নিয়ে গ্রামে হামলা দেয়। এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়।

আপনার মতামত লিখুন