মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

মুরাদনগরে বোন-ভাতিজা হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে বোন-ভাতিজা হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

কুমিল্লার মুরাদনগরে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে চলন্ত ট্রেন থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় তার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে খালেদা আক্তার ও তার ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খালেদা আক্তার ও তার ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে দা দিয়ে কুপিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়া, তার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতিকে আসামি করে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।


মামলা রুজুর পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ দল অভিযানে নামে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা হনুফা বেগম ও ইতিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি চলন্ত ট্রেন থেকে মামলার প্রধান আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পরে গ্রেপ্তার তিনজনকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মুরাদনগরে বোন-ভাতিজা হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার মুরাদনগরে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে চলন্ত ট্রেন থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় তার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।


পুলিশ সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে খালেদা আক্তার ও তার ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খালেদা আক্তার ও তার ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে দা দিয়ে কুপিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।


এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়া, তার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত কন্যা ইতিকে আসামি করে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।


মামলা রুজুর পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ দল অভিযানে নামে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা হনুফা বেগম ও ইতিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি চলন্ত ট্রেন থেকে মামলার প্রধান আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।


অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।


পরে গ্রেপ্তার তিনজনকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই