চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌর এনসিপির আহ্বায়ক শেখ রহমত উল্লাহ ভাবীকে নিয়ে উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
জানা যায়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাতে বাহরাইন প্রবাসী (চাচাতো ভাই) ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে সাথে নিয়ে দেবর এনসিপি নেতা রহমত উল্লাহ উধাও হয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজে নেমে পড়েন। পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে দু'জনই তাদের মুঠোফোন বন্ধ রাখেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রহমত উল্লাহ'র স্ত্রী ও প্রবাসী ইব্রাহিম খলিলের দু'সন্তান সহ পরিবারের সদস্যরা শাহরাস্তি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করতে আসেন।
ইব্রাহিম খলিলের ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে আমি আমার শ্যালককে অবহিত করি। পারিবারিক ভাবে তাদের অবৈধ সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে তারা শনিবার রাতে উধাও হয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া মরিয়মের খোঁজে তার দুই মেয়ে ফাতেহা জাহান (১০) ও ফারহান জাহান (৬) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় আসে।
তারা জানায় মায়ের খোঁজে থানায় এসেছি। মরিয়ম বেগমের শশুর হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেন তার ছেলের বৌ স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে শাহরাস্তি থানা পুলিশ।
শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌর এনসিপির আহ্বায়ক শেখ রহমত উল্লাহ ভাবীকে নিয়ে উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
জানা যায়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাতে বাহরাইন প্রবাসী (চাচাতো ভাই) ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে সাথে নিয়ে দেবর এনসিপি নেতা রহমত উল্লাহ উধাও হয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজে নেমে পড়েন। পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে দু'জনই তাদের মুঠোফোন বন্ধ রাখেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রহমত উল্লাহ'র স্ত্রী ও প্রবাসী ইব্রাহিম খলিলের দু'সন্তান সহ পরিবারের সদস্যরা শাহরাস্তি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করতে আসেন।
ইব্রাহিম খলিলের ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে আমি আমার শ্যালককে অবহিত করি। পারিবারিক ভাবে তাদের অবৈধ সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে তারা শনিবার রাতে উধাও হয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া মরিয়মের খোঁজে তার দুই মেয়ে ফাতেহা জাহান (১০) ও ফারহান জাহান (৬) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় আসে।
তারা জানায় মায়ের খোঁজে থানায় এসেছি। মরিয়ম বেগমের শশুর হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেন তার ছেলের বৌ স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে শাহরাস্তি থানা পুলিশ।
শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন