মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

শেষ মুহূর্তে পাথরঘাটা বিএফডিসিতে মাছ বিক্রির ধুম

মা ইলিশ সংরক্ষণ ২২ দিনের অবরেধ

মা ইলিশ সংরক্ষণ ২২ দিনের অবরেধ

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে মধ্যরাত (১২টা ১ মিনিট) থেকেই শুরু হচ্ছে টানা ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা।

এই নিষেধাজ্ঞার আগে উপকূলের অন্যতম প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসিতে শেষ মুহূর্তের কর্মব্যস্ততা ও মাছ বিক্রির ধুম পড়েছে।

সরেজমিনে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাট ঘুরে দেখা যায়।

গভীর সাগর ও নদ-নদী থেকে মাছ শিকার শেষে একের পর এক ট্রলার ঘাটে ফিরে আসছে।

 ট্রলারগুলো ঘাটে নোঙর করার পরপরই জেলেরা দ্রুত মাছ খালাস করছেন।

 নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগেই ট্রলারে থাকা শেষ মাছটুকু বিক্রি করে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় চলছে সবার মাঝে।


আড়তগুলোতে এখন পাইকার ও ক্রেতাদের হাঁকডাক আর দরদামের প্রচণ্ড কোলাহল।

শ্রমিকেরা বিরামহীনভাবে বরফ ভাঙা ও মাছের খাঁচি সাজিয়ে ট্রাকে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ঘাটে ফেরা জেলেরা জানান, মধ্যরাত থেকে সব ধরণের মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই জাল গুটিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। 

ট্রলারে থাকা মাছ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য দ্রুত বিক্রি শেষ করছেন। 

অনেকেই ট্রলারের ইঞ্জিন মেরামত ও জাল গুছিয়ে নিরাপদ স্থানে নোঙর করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিএফডিসি ঘাটের আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞার শেষ মুহূর্তে ঘাটে মাছের সরবরাহ অনেকটাই বেড়েছে। 

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে মাছ সংগ্রহ করছেন এবং রাতেই তা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 

মধ্যরাত পার হলেই এই সরগরম ঘাটটি পুরোপুরি নীরব হয়ে পড়বে।

স্থানীয় মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে ২২ দিন সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও ক্রয়-বিক্রয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।


 নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বেকার হয়ে পড়া প্রান্তিক ও প্রকৃত জেলেদের জন্য দ্রুত এবং সঠিকভাবে সরকারি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


মা ইলিশ সংরক্ষণ ২২ দিনের অবরেধ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে মধ্যরাত (১২টা ১ মিনিট) থেকেই শুরু হচ্ছে টানা ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা।


এই নিষেধাজ্ঞার আগে উপকূলের অন্যতম প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসিতে শেষ মুহূর্তের কর্মব্যস্ততা ও মাছ বিক্রির ধুম পড়েছে।



সরেজমিনে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাট ঘুরে দেখা যায়।


গভীর সাগর ও নদ-নদী থেকে মাছ শিকার শেষে একের পর এক ট্রলার ঘাটে ফিরে আসছে।


 ট্রলারগুলো ঘাটে নোঙর করার পরপরই জেলেরা দ্রুত মাছ খালাস করছেন।


 নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগেই ট্রলারে থাকা শেষ মাছটুকু বিক্রি করে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় চলছে সবার মাঝে।


আড়তগুলোতে এখন পাইকার ও ক্রেতাদের হাঁকডাক আর দরদামের প্রচণ্ড কোলাহল।


শ্রমিকেরা বিরামহীনভাবে বরফ ভাঙা ও মাছের খাঁচি সাজিয়ে ট্রাকে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।



ঘাটে ফেরা জেলেরা জানান, মধ্যরাত থেকে সব ধরণের মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই জাল গুটিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। 


ট্রলারে থাকা মাছ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য দ্রুত বিক্রি শেষ করছেন। 


অনেকেই ট্রলারের ইঞ্জিন মেরামত ও জাল গুছিয়ে নিরাপদ স্থানে নোঙর করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।



বিএফডিসি ঘাটের আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞার শেষ মুহূর্তে ঘাটে মাছের সরবরাহ অনেকটাই বেড়েছে। 


দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে মাছ সংগ্রহ করছেন এবং রাতেই তা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 


মধ্যরাত পার হলেই এই সরগরম ঘাটটি পুরোপুরি নীরব হয়ে পড়বে।



স্থানীয় মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে ২২ দিন সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও ক্রয়-বিক্রয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।


 নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এদিকে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বেকার হয়ে পড়া প্রান্তিক ও প্রকৃত জেলেদের জন্য দ্রুত এবং সঠিকভাবে সরকারি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই