ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

নীলফামারীতে ৫ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ সমাবেশ


মুক্তির লড়াই
মুক্তির লড়াই
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

নীলফামারীতে ৫ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ সমাবেশ
উজ্জ্বল, নীলফামারী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে নীলফামারীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখা। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা শহরের ডিসি মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-০১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. খাইরুল আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি ও নীলফামারী-০২ আসনের প্রার্থী এডভোকেট আল ফারুখ আব্দুল লতিফ, জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি প্রভাষক ছাদের হোসেন, শহর আমীর আনোয়ারুল ইসলাম এবং জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু। ৫ দফা দাবিগুলো হলো: ১. জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। ২. জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু করা। ৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। ৪. বর্তমান সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার করা। ৫. জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। বিরোধী দল ও ভিন্নমতকে দমন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। তারা বলেন, দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে জুলাই সনদের ভিত্তিতেই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশ শেষে ডিসি মোড় থেকে একটি বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বড়বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনের আগে তাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে নীলফামারীতে জামায়াতের রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


নীলফামারীতে ৫ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
উজ্জ্বল, নীলফামারী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে নীলফামারীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখা। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা শহরের ডিসি মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-০১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. খাইরুল আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি ও নীলফামারী-০২ আসনের প্রার্থী এডভোকেট আল ফারুখ আব্দুল লতিফ, জেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি প্রভাষক ছাদের হোসেন, শহর আমীর আনোয়ারুল ইসলাম এবং জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু। ৫ দফা দাবিগুলো হলো: ১. জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। ২. জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু করা। ৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। ৪. বর্তমান সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার করা। ৫. জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। বিরোধী দল ও ভিন্নমতকে দমন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। তারা বলেন, দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে জুলাই সনদের ভিত্তিতেই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশ শেষে ডিসি মোড় থেকে একটি বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বড়বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনের আগে তাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে নীলফামারীতে জামায়াতের রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত