ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা

তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ



তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী দেখা গেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ দেখানো হয়নি। এমনকি স্ত্রীর কোনো অলংকার বা নগদ অর্থ না থাকার বিষয়টিও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন এই আলোচিত বক্তা।

গিয়াস উদ্দিন তাহেরী তার হলফনামায় উল্লেখ করেন, তার অস্থাবর সম্পদ হিসেবে কৃষি খাত থেকে বছরে আয় হয় ২৬ হাজার ৪শ। ব্যবসা থেকে ৭ লাখ ৯১ হাজার। আর ব্যাংক সুদ থেকে পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। নগদ অর্থ আছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা। স্বর্ণ আছে ৩১ ভরি, যার মূল্য ৬ লাখ টাকা। এছাড়া আসবাবপত্র আছে ৫ লাখ টাকার। এই হিসেবে তার মোট অস্থাবর সম্পদ দাঁড়ায় ১৯ লাখ চার হাজার আটশত বিরানব্বই টাকা।

হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়,  নিজের নামে স্বর্ণ আছে ৩১ ভরি। আয়ের খাত ব্যবসা, কৃষি ও ব্যাংক সুদ। স্থাবর-অবস্থাবর মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী গৃহিণী। সম্পদ যা আছে সবই নিজের নামে, স্ত্রীর নামে কিছুই নেই; এমনকি স্বর্ণ, গহনাও নেই। 

এ ছাড়া, স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কৃষিজমি আছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকার, যার বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। তবে তাহেরীর স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের কারও নামে কোনো সম্পদ, গহনা, আসবাবপত্র, নগদ টাকা কিছুই নেই।

হলফনামায় তাহেরী উল্লেখ করেন, তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। হবিগঞ্জের মাধবপুরে তার শ্বশুর বাড়ি, সে সূত্রেই তিনি এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ৩ মামলা রয়েছে, সবগুলোই চলমান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রতিটি মামলাই দায়ের হয়েছে উল্লেখ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬


তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী দেখা গেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ দেখানো হয়নি। এমনকি স্ত্রীর কোনো অলংকার বা নগদ অর্থ না থাকার বিষয়টিও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন এই আলোচিত বক্তা।

গিয়াস উদ্দিন তাহেরী তার হলফনামায় উল্লেখ করেন, তার অস্থাবর সম্পদ হিসেবে কৃষি খাত থেকে বছরে আয় হয় ২৬ হাজার ৪শ। ব্যবসা থেকে ৭ লাখ ৯১ হাজার। আর ব্যাংক সুদ থেকে পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। নগদ অর্থ আছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা। স্বর্ণ আছে ৩১ ভরি, যার মূল্য ৬ লাখ টাকা। এছাড়া আসবাবপত্র আছে ৫ লাখ টাকার। এই হিসেবে তার মোট অস্থাবর সম্পদ দাঁড়ায় ১৯ লাখ চার হাজার আটশত বিরানব্বই টাকা।

হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়,  নিজের নামে স্বর্ণ আছে ৩১ ভরি। আয়ের খাত ব্যবসা, কৃষি ও ব্যাংক সুদ। স্থাবর-অবস্থাবর মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী গৃহিণী। সম্পদ যা আছে সবই নিজের নামে, স্ত্রীর নামে কিছুই নেই; এমনকি স্বর্ণ, গহনাও নেই। 


এ ছাড়া, স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কৃষিজমি আছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকার, যার বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। তবে তাহেরীর স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের কারও নামে কোনো সম্পদ, গহনা, আসবাবপত্র, নগদ টাকা কিছুই নেই।

হলফনামায় তাহেরী উল্লেখ করেন, তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। হবিগঞ্জের মাধবপুরে তার শ্বশুর বাড়ি, সে সূত্রেই তিনি এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ৩ মামলা রয়েছে, সবগুলোই চলমান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রতিটি মামলাই দায়ের হয়েছে উল্লেখ করেন তিনি।



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত