আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে। সারাদেশের ২৯৮টি নির্বাচনি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচনি মাঠে নামার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকায় প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানায়, প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রচারণা শুরুর আইনগত বাধা কাটল।
এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন,
বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীর সংখ্যা নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন।
তিনি জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা সংক্রান্ত ফরম-৫ পূরণ করে পাঠানো হলে সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই ব্যালট পেপার ছাপা শুরু হতে পারে।
প্রচার-প্রচারণার সময়সীমা:
ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল প্রচারণা শুরু করতে পারবে না। আবার ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। সেই হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার চালাতে পারবেন।
সংখ্যায় নির্বাচনি চিত্র:
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১ ও পাবনা-২ বাদে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী।
৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৫৫টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৫টি বাতিল হয়। বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করেন, যার মধ্যে ৪৩৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত সারাদেশে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
ভোট গ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি:
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে। সারাদেশের ২৯৮টি নির্বাচনি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচনি মাঠে নামার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকায় প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানায়, প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রচারণা শুরুর আইনগত বাধা কাটল।
এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন,
বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীর সংখ্যা নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন।
তিনি জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা সংক্রান্ত ফরম-৫ পূরণ করে পাঠানো হলে সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই ব্যালট পেপার ছাপা শুরু হতে পারে।
প্রচার-প্রচারণার সময়সীমা:
ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল প্রচারণা শুরু করতে পারবে না। আবার ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। সেই হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার চালাতে পারবেন।
সংখ্যায় নির্বাচনি চিত্র:
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১ ও পাবনা-২ বাদে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী।
৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৫৫টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৫টি বাতিল হয়। বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করেন, যার মধ্যে ৪৩৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত সারাদেশে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
ভোট গ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি:
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

আপনার মতামত লিখুন