ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

কাল সকাল থেকে শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা



কাল সকাল থেকে শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণা শেষ হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায়। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।

গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সমাপ্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫–এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহের আগে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না। একই বিধিমালায় ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণা শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।


এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সব ধরনের প্রচার–প্রচারণা বন্ধ থাকবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সারা দেশে একযোগে ভোটগ্রহণ করা হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ফলে এই আসনটি বাদ দিয়ে দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী নিয়ে হাতপাখা প্রতীক ব্যবহার করছে।


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৯৮ জন প্রার্থী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৬ জন ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


কাল সকাল থেকে শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণা শেষ হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায়। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।


গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সমাপ্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫–এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহের আগে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না। একই বিধিমালায় ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণা শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।


এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সব ধরনের প্রচার–প্রচারণা বন্ধ থাকবে।


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সারা দেশে একযোগে ভোটগ্রহণ করা হবে।


সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ফলে এই আসনটি বাদ দিয়ে দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।


রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী নিয়ে হাতপাখা প্রতীক ব্যবহার করছে।


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৯৮ জন প্রার্থী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।


স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৬ জন ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত