ক্ষমতার পরিবর্তন আমাদের দেশে নতুন নয়; কিন্তু সব পরিবর্তন একরকমও নয়। কিছু পরিবর্তন কেবল সরকার বদলায়, আর কিছু পরিবর্তন রাষ্ট্রের চরিত্র বদলানোর সম্ভাবনা তৈরি করে। বর্তমান পরিস্থিতি দ্বিতীয় ধরনের এক সম্ভাবনার সামনে আমাদের দাঁড় করিয়েছে। তাই নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা কেবল কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়; বরং রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের সম্পর্ক কীভাবে পুনর্গঠিত হবে, সেটিই এখন মুখ্য প্রশ্ন।
সমাজবিজ্ঞানের জনক অগাস্ট কোঁৎ সমাজকে দেখেছিলেন শৃঙ্খলা ও অগ্রগতির সমন্বয়ে গঠিত এক বাস্তবতা হিসেবে। তাঁর মতে, স্থিতিশীলতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, আবার পরিবর্তন ছাড়া সমাজ এগোয় না। বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সামনে এই দ্বৈত চ্যালেঞ্জই সবচেয়ে বড়—শাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আস্থার পুনর্গঠন।
রাষ্ট্র ও ক্ষমতার প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কার্ল মার্ক্স দেখিয়েছিলেন, রাজনৈতিক কাঠামো আসলে সামাজিক শক্তির প্রতিফলন। ফলে নতুন সরকার মানেই নতুন প্রত্যাশা—অর্থনৈতিক ন্যায়, সুযোগের সুষম বণ্টন এবং অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন। প্রত্যাশা পূরণ না হলে রাজনৈতিক পরিবর্তন সামাজিক রূপান্তরে পরিণত হয় না।
আধুনিক সমাজে সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরেছিলেন এমিল ডুর্খেইম। তাঁর মতে, সমাজ টিকে থাকে পারস্পরিক আস্থা ও সমষ্টিগত চেতনার ওপর। বাংলাদেশের বাস্তবতায় দীর্ঘদিনের বিভাজন, অবিশ্বাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার সংস্কৃতি কাটিয়ে এই সামাজিক আস্থা পুনর্গঠনই হতে পারে নতুন নেতৃত্বের প্রধান দায়িত্ব।
রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রাতিষ্ঠানিকতার প্রশ্নে ম্যাক্স বেভার বিধিবদ্ধ ও যুক্তিনির্ভর কর্তৃত্বের ধারণা দেন। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান—এই নীতিতে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত না হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। প্রশাসন যদি নিয়মের বদলে আনুগত্যে চলে, তবে উন্নয়ন স্থায়ী হয় না।
সমাজবিবর্তনের ধারাবাহিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞানী হারবাট স্পেন্সার সমাজকে একটি জীবন্ত দেহের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, যেখানে প্রতিটি অঙ্গের ভারসাম্য রক্ষা জরুরি। অন্যদিকে মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার ওপর জোর দেন সমাজবিজ্ঞানী জেন অ্যাডামস , যিনি মনে করতেন রাষ্ট্রের সাফল্য মাপতে হবে প্রান্তিক মানুষের জীবনের বাস্তব পরিবর্তনের মাধ্যমে।
সমাজবিজ্ঞানীদের চিন্তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে নতুন প্রশাসনিক বিন্যাস নিয়ে চলমান রাজনৈতিক আলোচনায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি–এর নেতৃত্বে সম্ভাব্য সরকার গঠনের যে আলোচনা চলছে, সেখানে অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মের সমন্বয়ের ইঙ্গিত মিলছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান –এর নাম আলোচনায় থাকলেও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে—যা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ারই অংশ।
সিনিয়র নেতৃত্বের মধ্যে মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–কে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। মীর্জা আব্বাস–এর গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ফেরার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পররাষ্ট্র বা বাণিজ্য খাতে দায়িত্ব পেতে পারেন, আর সালাউদ্দীন আহমেদ আইন বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে রেজা কিবরিশার নাম অর্থমন্ত্রীর সম্ভাব্য দায়িত্বে উচ্চারিত হচ্ছে। টেকনোক্র্যাট হিসেবে রুহুল কবির রিজভীকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আনার কথাও শোনা যাচ্ছে। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্তি এবং জোটভিত্তিক অংশগ্রহণের ইঙ্গিত একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতার বার্তা বহন করে। এ প্রসঙ্গে ভিপি নূরের নামও আলোচনায় এসেছে।
শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের নামও রাজনৈতিক পরিসরে উচ্চারিত হচ্ছে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, দেশীয় শিল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসী শ্রমবাজার সম্প্রসারণ—এই খাতগুলোতে নতুন নীতিগত উদ্যোগের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
সমাজবিজ্ঞানের ভাষায়, এই সম্ভাব্য বিন্যাসকে বলা যায় একটি নতুন সামাজিক চুক্তির অনুসন্ধান। জনগণ এখন কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না; তারা দেখতে চায় কার্যকর প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে এমন উন্নয়ন। রাষ্ট্র যদি নাগরিককে অংশীদার না করে, তবে রাজনৈতিক বৈধতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
বাংলাদেশের সামনে এখন মূল প্রশ্ন তিনটি—
প্রথমত, শাসন কি ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা থেকে প্রতিষ্ঠান-কেন্দ্রিকতায় রূপ নেবে?
দ্বিতীয়ত, উন্নয়ন কি সত্যিকার অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে?
তৃতীয়ত, রাজনীতি কি সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে সহযোগিতার সংস্কৃতিতে উত্তরণ ঘটাতে পারবে?
সমাজবিজ্ঞান আমাদের একটি মৌলিক শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রের শক্তি তার ক্ষমতায় নয়, তার গ্রহণযোগ্যতায়। নতুন নেতৃত্ব যদি আস্থা পুনর্গঠনকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ইতিহাসে ইতিবাচক বাঁক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। অন্যথায়, এটি কেবল আরেকটি ক্ষমতার অধ্যায় হয়েই থেকে যাবে।
আজকের বাংলাদেশ সেই ইতিহাস রচনার সুযোগের মুখোমুখি।
লেখক অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী : কবি, সমাজবিজ্ঞানী ও চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি। ইমেইল : tamijisirbd@gmail.com

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্ষমতার পরিবর্তন আমাদের দেশে নতুন নয়; কিন্তু সব পরিবর্তন একরকমও নয়। কিছু পরিবর্তন কেবল সরকার বদলায়, আর কিছু পরিবর্তন রাষ্ট্রের চরিত্র বদলানোর সম্ভাবনা তৈরি করে। বর্তমান পরিস্থিতি দ্বিতীয় ধরনের এক সম্ভাবনার সামনে আমাদের দাঁড় করিয়েছে। তাই নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা কেবল কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়; বরং রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের সম্পর্ক কীভাবে পুনর্গঠিত হবে, সেটিই এখন মুখ্য প্রশ্ন।
সমাজবিজ্ঞানের জনক অগাস্ট কোঁৎ সমাজকে দেখেছিলেন শৃঙ্খলা ও অগ্রগতির সমন্বয়ে গঠিত এক বাস্তবতা হিসেবে। তাঁর মতে, স্থিতিশীলতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, আবার পরিবর্তন ছাড়া সমাজ এগোয় না। বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সামনে এই দ্বৈত চ্যালেঞ্জই সবচেয়ে বড়—শাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আস্থার পুনর্গঠন।
রাষ্ট্র ও ক্ষমতার প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কার্ল মার্ক্স দেখিয়েছিলেন, রাজনৈতিক কাঠামো আসলে সামাজিক শক্তির প্রতিফলন। ফলে নতুন সরকার মানেই নতুন প্রত্যাশা—অর্থনৈতিক ন্যায়, সুযোগের সুষম বণ্টন এবং অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন। প্রত্যাশা পূরণ না হলে রাজনৈতিক পরিবর্তন সামাজিক রূপান্তরে পরিণত হয় না।
আধুনিক সমাজে সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরেছিলেন এমিল ডুর্খেইম। তাঁর মতে, সমাজ টিকে থাকে পারস্পরিক আস্থা ও সমষ্টিগত চেতনার ওপর। বাংলাদেশের বাস্তবতায় দীর্ঘদিনের বিভাজন, অবিশ্বাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার সংস্কৃতি কাটিয়ে এই সামাজিক আস্থা পুনর্গঠনই হতে পারে নতুন নেতৃত্বের প্রধান দায়িত্ব।
রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রাতিষ্ঠানিকতার প্রশ্নে ম্যাক্স বেভার বিধিবদ্ধ ও যুক্তিনির্ভর কর্তৃত্বের ধারণা দেন। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান—এই নীতিতে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত না হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। প্রশাসন যদি নিয়মের বদলে আনুগত্যে চলে, তবে উন্নয়ন স্থায়ী হয় না।
সমাজবিবর্তনের ধারাবাহিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞানী হারবাট স্পেন্সার সমাজকে একটি জীবন্ত দেহের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, যেখানে প্রতিটি অঙ্গের ভারসাম্য রক্ষা জরুরি। অন্যদিকে মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার ওপর জোর দেন সমাজবিজ্ঞানী জেন অ্যাডামস , যিনি মনে করতেন রাষ্ট্রের সাফল্য মাপতে হবে প্রান্তিক মানুষের জীবনের বাস্তব পরিবর্তনের মাধ্যমে।
সমাজবিজ্ঞানীদের চিন্তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে নতুন প্রশাসনিক বিন্যাস নিয়ে চলমান রাজনৈতিক আলোচনায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি–এর নেতৃত্বে সম্ভাব্য সরকার গঠনের যে আলোচনা চলছে, সেখানে অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মের সমন্বয়ের ইঙ্গিত মিলছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান –এর নাম আলোচনায় থাকলেও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে—যা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ারই অংশ।
সিনিয়র নেতৃত্বের মধ্যে মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–কে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। মীর্জা আব্বাস–এর গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ফেরার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পররাষ্ট্র বা বাণিজ্য খাতে দায়িত্ব পেতে পারেন, আর সালাউদ্দীন আহমেদ আইন বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে রেজা কিবরিশার নাম অর্থমন্ত্রীর সম্ভাব্য দায়িত্বে উচ্চারিত হচ্ছে। টেকনোক্র্যাট হিসেবে রুহুল কবির রিজভীকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আনার কথাও শোনা যাচ্ছে। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্তি এবং জোটভিত্তিক অংশগ্রহণের ইঙ্গিত একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতার বার্তা বহন করে। এ প্রসঙ্গে ভিপি নূরের নামও আলোচনায় এসেছে।
শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের নামও রাজনৈতিক পরিসরে উচ্চারিত হচ্ছে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, দেশীয় শিল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসী শ্রমবাজার সম্প্রসারণ—এই খাতগুলোতে নতুন নীতিগত উদ্যোগের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
সমাজবিজ্ঞানের ভাষায়, এই সম্ভাব্য বিন্যাসকে বলা যায় একটি নতুন সামাজিক চুক্তির অনুসন্ধান। জনগণ এখন কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না; তারা দেখতে চায় কার্যকর প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে এমন উন্নয়ন। রাষ্ট্র যদি নাগরিককে অংশীদার না করে, তবে রাজনৈতিক বৈধতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
বাংলাদেশের সামনে এখন মূল প্রশ্ন তিনটি—
প্রথমত, শাসন কি ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা থেকে প্রতিষ্ঠান-কেন্দ্রিকতায় রূপ নেবে?
দ্বিতীয়ত, উন্নয়ন কি সত্যিকার অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে?
তৃতীয়ত, রাজনীতি কি সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে সহযোগিতার সংস্কৃতিতে উত্তরণ ঘটাতে পারবে?
সমাজবিজ্ঞান আমাদের একটি মৌলিক শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রের শক্তি তার ক্ষমতায় নয়, তার গ্রহণযোগ্যতায়। নতুন নেতৃত্ব যদি আস্থা পুনর্গঠনকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ইতিহাসে ইতিবাচক বাঁক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। অন্যথায়, এটি কেবল আরেকটি ক্ষমতার অধ্যায় হয়েই থেকে যাবে।
আজকের বাংলাদেশ সেই ইতিহাস রচনার সুযোগের মুখোমুখি।
লেখক অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী : কবি, সমাজবিজ্ঞানী ও চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি। ইমেইল : tamijisirbd@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন