* চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব।
* রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট।
* নীরব প্রশাসন পরিবেশ।
*জননিরাপত্তা হুমকির মুখে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬ নং ও ৭ নং বাঁধ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন গভীর রাতে প্রভাবশালী একটি চক্র নদী ও বাঁধের বিভিন্ন অংশ থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। দেখেও যেন কেউ দেখছে না—এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মাঝে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৬ নং বাঁধের বামদিকে নিয়মিতভাবে অবৈধ খনন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে-মোঃ ইসমাইল হক সুধা, মোঃ আমিন বকরি, মোঃ রেজাউল বকরি ও মোঃ জাহাঙ্গীর নামের কয়েকজন ব্যক্তি এই কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাদের সবার বাড়ি বাবলা বনা এলাকায় বলে জানা গেছে। প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা লক্ষ লক্ষ টাকার মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ৭ নং বাঁধ এলাকায় গোরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশে নদীর ভেতর থেকেও অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, মোঃ তৈমুর রহমান, মোঃ স্বপন, মোঃ দুরুল (ঝালকাঠি বাজার), এবং মোঃ কালু, মোঃ সাধু ও মোঃ রফিক মেম্বার (শিবিরের হাট) নামের ব্যক্তিরা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিন রাতভর ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, অতীতেও মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে ওই ইউনিয়নে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। তবুও রহস্যজনক কারণে বন্ধ হচ্ছে না এই অবৈধ কার্যক্রম। অভিযোগ রয়েছে-উপজেলা প্রশাসনের নজরদারির ঘাটতি ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই এই দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে বাঁধ ও নদীর মাটি কাটা চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমে ভাঙন, বন্যা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বেড়ে যাবে। এতে জননিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এ ব্যাপারে দ্রুত তদন্ত, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
* চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব।
* রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট।
* নীরব প্রশাসন পরিবেশ।
*জননিরাপত্তা হুমকির মুখে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬ নং ও ৭ নং বাঁধ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন গভীর রাতে প্রভাবশালী একটি চক্র নদী ও বাঁধের বিভিন্ন অংশ থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। দেখেও যেন কেউ দেখছে না—এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মাঝে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৬ নং বাঁধের বামদিকে নিয়মিতভাবে অবৈধ খনন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে-মোঃ ইসমাইল হক সুধা, মোঃ আমিন বকরি, মোঃ রেজাউল বকরি ও মোঃ জাহাঙ্গীর নামের কয়েকজন ব্যক্তি এই কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাদের সবার বাড়ি বাবলা বনা এলাকায় বলে জানা গেছে। প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা লক্ষ লক্ষ টাকার মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ৭ নং বাঁধ এলাকায় গোরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশে নদীর ভেতর থেকেও অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, মোঃ তৈমুর রহমান, মোঃ স্বপন, মোঃ দুরুল (ঝালকাঠি বাজার), এবং মোঃ কালু, মোঃ সাধু ও মোঃ রফিক মেম্বার (শিবিরের হাট) নামের ব্যক্তিরা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিন রাতভর ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, অতীতেও মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে ওই ইউনিয়নে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। তবুও রহস্যজনক কারণে বন্ধ হচ্ছে না এই অবৈধ কার্যক্রম। অভিযোগ রয়েছে-উপজেলা প্রশাসনের নজরদারির ঘাটতি ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই এই দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে বাঁধ ও নদীর মাটি কাটা চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমে ভাঙন, বন্যা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বেড়ে যাবে। এতে জননিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এ ব্যাপারে দ্রুত তদন্ত, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন