চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে সমুদ্রপথে মিয়ানমার থেকে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ মাদক চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বাল্কহেডটিকে নজরদারিতে রেখে অনুসরণ করতে থাকে র্যাবের একটি দল।
একপর্যায়ে বাল্কহেডটি পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করলে সেখান থেকে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে বাল্কহেডে রাখা দুইটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,বাকলিয়া থানার পূর্ব বাকলিয়ার আলী জোহারের ছেলে মোঃ ইমরান (২১), আনোয়ারা উপজেলার পূর্ব গহিরা এলাকার আব্দুল মান্নান ওরফে বাচন মিয়ার ছেলে মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ভাঙ্গারা এলাকার মৃত কানু মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন (৪৫), একই উপজেলার করুশখুল এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি থানার চর কলাকুপা এলাকার মাহে আলমের ছেলে মো. রুবেল (২৭)।
র্যাব ৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মাদক পাচারচক্র সমুদ্রপথ ব্যবহার করে ইয়াবা দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিল। অভিযানে জড়িতদের হাতেনাতে আটক করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা মাদকের বাজারমূল্য আনুমানিক সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।
তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, চট্টগ্রাম উপকূলকে ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রবণতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে সমুদ্রপথে মিয়ানমার থেকে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ মাদক চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বাল্কহেডটিকে নজরদারিতে রেখে অনুসরণ করতে থাকে র্যাবের একটি দল।
একপর্যায়ে বাল্কহেডটি পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করলে সেখান থেকে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে বাল্কহেডে রাখা দুইটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,বাকলিয়া থানার পূর্ব বাকলিয়ার আলী জোহারের ছেলে মোঃ ইমরান (২১), আনোয়ারা উপজেলার পূর্ব গহিরা এলাকার আব্দুল মান্নান ওরফে বাচন মিয়ার ছেলে মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ভাঙ্গারা এলাকার মৃত কানু মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন (৪৫), একই উপজেলার করুশখুল এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি থানার চর কলাকুপা এলাকার মাহে আলমের ছেলে মো. রুবেল (২৭)।
র্যাব ৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মাদক পাচারচক্র সমুদ্রপথ ব্যবহার করে ইয়াবা দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিল। অভিযানে জড়িতদের হাতেনাতে আটক করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা মাদকের বাজারমূল্য আনুমানিক সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।
তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, চট্টগ্রাম উপকূলকে ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রবণতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন