মানবিকতার আরেকটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার হাঠাশ গ্রামের অসুস্থ আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি।
রবিবার (৫ এপ্রিল) ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান হাসপাতালে গিয়ে আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
জানা গেছে, আমজাদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসজনিত রোগে ভুগছেন। এর আগেও ধর্মমন্ত্রী তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে ১২ দিন আগে তাকে মুরাদনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
আমজাদ হোসেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ সব সময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার যে কোনো প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।”
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম মানিক জানান, রোগীর অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে রয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকে ঢাকায় বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
মানবিকতার আরেকটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার হাঠাশ গ্রামের অসুস্থ আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি।
রবিবার (৫ এপ্রিল) ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান হাসপাতালে গিয়ে আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
জানা গেছে, আমজাদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসজনিত রোগে ভুগছেন। এর আগেও ধর্মমন্ত্রী তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে ১২ দিন আগে তাকে মুরাদনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
আমজাদ হোসেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ সব সময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার যে কোনো প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।”
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম মানিক জানান, রোগীর অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে রয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকে ঢাকায় বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন