শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় প্রখর তাপদাহ থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বস্তি দিতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। ভায়াডাঙ্গা মডেল একাডেমির শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে ১৩টি সিলিং ফ্যান প্রদান করেছেন রাণীশিমুল পাইলট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবদুল হামিদ সোহাগ।
সোমবার ১৩ এপ্রিল দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব ফ্যান তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর আহম্মেদ বুলবুল, সমাজসেবক নাইম আল মাহমুদ, ইউপি সদস্য সুজা মন্ডল, কল্পনা নাছরিনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত ভায়াডাঙ্গা মডেল একাডেমিতে বর্তমানে প্লে থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। প্রচণ্ড গরমে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ফ্যানের প্রয়োজনীয়তা জানানো হলে চেয়ারম্যান মো. আবদুল হামিদ সোহাগ তাৎক্ষণিকভাবে নিজ উদ্যোগে ফ্যান সরবরাহ করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে চেয়ারম্যানের কাছে খেলাধুলার বিভিন্ন সরঞ্জামাদির দাবিও জানায়। জবাবে চেয়ারম্যান তাদের সেই দাবিও পূরণের আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করো, তবেই তোমাদের মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যাবে।”
স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের স্বস্তিই দেবে না, বরং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ আরও বাড়াবে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় প্রখর তাপদাহ থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বস্তি দিতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। ভায়াডাঙ্গা মডেল একাডেমির শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে ১৩টি সিলিং ফ্যান প্রদান করেছেন রাণীশিমুল পাইলট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবদুল হামিদ সোহাগ।
সোমবার ১৩ এপ্রিল দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব ফ্যান তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর আহম্মেদ বুলবুল, সমাজসেবক নাইম আল মাহমুদ, ইউপি সদস্য সুজা মন্ডল, কল্পনা নাছরিনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত ভায়াডাঙ্গা মডেল একাডেমিতে বর্তমানে প্লে থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। প্রচণ্ড গরমে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ফ্যানের প্রয়োজনীয়তা জানানো হলে চেয়ারম্যান মো. আবদুল হামিদ সোহাগ তাৎক্ষণিকভাবে নিজ উদ্যোগে ফ্যান সরবরাহ করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে চেয়ারম্যানের কাছে খেলাধুলার বিভিন্ন সরঞ্জামাদির দাবিও জানায়। জবাবে চেয়ারম্যান তাদের সেই দাবিও পূরণের আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করো, তবেই তোমাদের মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যাবে।”
স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের স্বস্তিই দেবে না, বরং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ আরও বাড়াবে।

আপনার মতামত লিখুন