১৯ এপ্রিল,(রোববার) ছিল ১৩৯তম ক্যান্টন ফেয়ারের প্রথম পর্বের শেষ দিন। কুয়াংচৌ ইমিগ্রেশান ইন্সপেকশানের তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল মাস থেকে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ-সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে যাতায়াতের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, আসিয়ান, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে চীনে আগত যাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৬.৯৭ শতাংশ বেশি। আর ইউরোপ থেকে আগত যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৭.৬ শতাংশ বেশি। বস্তুত, ক্যান্টন ফেয়ার কেবল একটি অপরিবর্তনীয় ‘বাণিজ্যের সেতু’ নয়, যা ব্যবসায়ীদের বাজার সম্প্রসারণ ও নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করে, বরং এটি চীনের উন্নত উত্পাদন ও শিল্পোন্নয়নের অগ্রগতির একটি ‘জানালা’, যেখানে ক্রেতারা এক জায়গায় বিশ্বমানের সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং দ্রুত উত্পাদন খাতের প্রবণতা ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা বুঝতে পারে।
এবারের ক্যান্টন ফেয়ার নতুন, সবুজ ও উচ্চমানসম্পন্ন উন্নয়নের প্রবণতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে, প্রথমবারের মতো ৯টি জনপ্রিয় বিশেষায়িত প্রদর্শনী অঞ্চল যুক্ত করে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রোন, স্মার্ট ওয়েয়ারেবল ডিভাইস, বাঁশ ও কাঠের টেবিলওয়্যার, প্রযুক্তিগত কাপড়, সমন্বিত ঘর, ফ্যাশন অ্যাকসেসরিজসহ বিভিন্ন নতুন ক্ষেত্র।
এবারের প্রদর্শনী শুধু বিষয়বস্তুতেই নতুন নয়, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মানও আরও উন্নত। ‘বিশেষায়িত ও উদ্ভাবনী’, ‘একক খাতে চ্যাম্পিয়ন’ ইত্যাদি উচ্চমানের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১ হাজারের বেশি ছিল, যা আগের তুলনায় ৫.১ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৩৯০০টি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছে; নিজেদের প্রধান পণ্য নিয়ে এই বৈশ্বিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছে। সমৃদ্ধ ও মানসম্পন্ন প্রদর্শনী আরও বেশি ক্রেতাকে দূর-দূরান্ত থেকে আকর্ষণ করেছে।
২৩ এপ্রিল ‘উচ্চমানের গৃহস্থালি’ থিম নিয়ে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে। প্রদর্শনীর মোট এলাকা হবে ৫ লাখ ১৫০০ বর্গমিটার, যেখানে ২৫ হাজারটি স্টল থাকবে এবং ৩টি প্রধান খাতের ১৪টি প্রদর্শনী অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
১৯ এপ্রিল,(রোববার) ছিল ১৩৯তম ক্যান্টন ফেয়ারের প্রথম পর্বের শেষ দিন। কুয়াংচৌ ইমিগ্রেশান ইন্সপেকশানের তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল মাস থেকে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ-সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে যাতায়াতের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, আসিয়ান, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে চীনে আগত যাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৬.৯৭ শতাংশ বেশি। আর ইউরোপ থেকে আগত যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৭.৬ শতাংশ বেশি। বস্তুত, ক্যান্টন ফেয়ার কেবল একটি অপরিবর্তনীয় ‘বাণিজ্যের সেতু’ নয়, যা ব্যবসায়ীদের বাজার সম্প্রসারণ ও নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করে, বরং এটি চীনের উন্নত উত্পাদন ও শিল্পোন্নয়নের অগ্রগতির একটি ‘জানালা’, যেখানে ক্রেতারা এক জায়গায় বিশ্বমানের সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং দ্রুত উত্পাদন খাতের প্রবণতা ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা বুঝতে পারে।
এবারের ক্যান্টন ফেয়ার নতুন, সবুজ ও উচ্চমানসম্পন্ন উন্নয়নের প্রবণতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে, প্রথমবারের মতো ৯টি জনপ্রিয় বিশেষায়িত প্রদর্শনী অঞ্চল যুক্ত করে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রোন, স্মার্ট ওয়েয়ারেবল ডিভাইস, বাঁশ ও কাঠের টেবিলওয়্যার, প্রযুক্তিগত কাপড়, সমন্বিত ঘর, ফ্যাশন অ্যাকসেসরিজসহ বিভিন্ন নতুন ক্ষেত্র।
এবারের প্রদর্শনী শুধু বিষয়বস্তুতেই নতুন নয়, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মানও আরও উন্নত। ‘বিশেষায়িত ও উদ্ভাবনী’, ‘একক খাতে চ্যাম্পিয়ন’ ইত্যাদি উচ্চমানের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১ হাজারের বেশি ছিল, যা আগের তুলনায় ৫.১ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৩৯০০টি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছে; নিজেদের প্রধান পণ্য নিয়ে এই বৈশ্বিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছে। সমৃদ্ধ ও মানসম্পন্ন প্রদর্শনী আরও বেশি ক্রেতাকে দূর-দূরান্ত থেকে আকর্ষণ করেছে।
২৩ এপ্রিল ‘উচ্চমানের গৃহস্থালি’ থিম নিয়ে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে। প্রদর্শনীর মোট এলাকা হবে ৫ লাখ ১৫০০ বর্গমিটার, যেখানে ২৫ হাজারটি স্টল থাকবে এবং ৩টি প্রধান খাতের ১৪টি প্রদর্শনী অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন