কুমিল্লার বরুড়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ঝলম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিন ব্যাপি শতাধিক ডাক্তার দ্বারা ফ্রী চিকিৎসা সেবা, ঔষধ বিতরণ, রক্তের গ্রুপ নির্নয়, আড়াই শতাধিক সুন্নতে খৎনা, ডায়েবিটিস রোগীদের পরীক্ষা, আড়াই হাজার গাছের ছাড়া বিতরণ, বৃহত্তর ঝলম ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্বাদের সন্মাননা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ,কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি এ আয়োজন করেন।।
বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে দায়িত্ব শীল ভূমিকা পালন করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন, পৌর বএনপির সভাপতি শামসুল হক সর্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক পৌর মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন কল্লোল,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ বাবুল মিয়া, সহ বিএনপি যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্র দলের নেতৃবৃন্দ।
ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে ৫ হাজারের অধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। শতাধিক রোগীকে ইসিজি করা হয়, সকল রোগী কে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়।
৩০ মে ২৬ আবু তাহের ফাউন্ডেশন এর এ আয়োজন বরুড়া বাসী স্মরণে রাখবে বলে সাধারন রোগীরা জানান। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত *'ফ্রি হেলথ ক্যাম্প বরুড়া-২০২৬'* হয়ে উঠেছে বরুড়ার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মানবিক অধ্যায়। মাটিতে গাছ, বুকে মানুষের স্বপ্ন,
ক্যাম্পের উদ্বোধনী মুহূর্তটি ছিল এক আলাদা আবেগের। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন ঝলম কলেজ মাঠের এক প্রান্তে নিজ হাতে একটি কাঁঠালগাছের চারা মাটিতে পুঁতে দেন। সেই একটি চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি বাকি আড়াই হাজার গাছ লাগানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মন্ত্রী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "আমার বাবা সারাজীবন এই মাটির মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তাঁর নামে গড়া এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ আমরা সেই মানুষগুলোর কাছে পৌঁছাতে চাইছি, যারা টাকার অভাবে ডাক্তার দেখাতে পারেন না। গরিব মানুষ যেন চিকিৎসার অভাবে মারা না যান এটাই ছিল আমার বাবার জীবনের স্বপ্ন। আজকের এই আয়োজন সেই স্বপ্নেরই অংশ।"
দেখে মনে হচ্ছে একটি মাঠ, দশটি বিভাগ, বরুড়ায় যেন মিনি হাসপাতাল হয়েছে একদিনের জন্যে।
সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টার এই চিকিৎসা শিবিরে যে সেবার পসরা সাজানো হয়েছিল, তা দেখে বরুড়ার মানুষ রীতিমতো অবাক হয়ে যান। একটি বিদ্যালয়ের মাঠে একসঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সেবা দিলেন।
মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও প্রসূতি সেবা, শিশু স্বাস্থ্যসেবা, নাক-কান-গলা, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি এবং ডেন্টাল সার্জারি এই আট বিভাগের পাশাপাশি ব্লাড সুগার পরীক্ষা, ব্লাড গ্রুপিং, বিটি-সিটি পরীক্ষা, হার্টের ইসিজি এবং নেবুলাইজেশন সেবাও দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এমনকি বিনা ব্যথায় আধুনিক ও নিরাপদ পদ্ধতিতে সুন্নতে খৎনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।
দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আসা বরেণ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সারাদিন অক্লান্তভাবে রোগী দেখেন। ক্যাম্পের আহ্বায়ক হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সোলাইমান মিয়া আহবায়ক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের উপ পরিচালক ডাঃ মোঃ শাহাজান সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় মন্ত্রী সহধর্মনী নাজনীন আহমদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম, সাবেক যুগ্ম সচিব সড়ক মন্ত্রণালয়ের মনীদ্র কিশোর মজুমদার, এডিশনালান ডিআইজি গিয়াসউদ্দিন মানিক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আহসান হাফিজ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের পিপি এডভোকেট খায়রুল এনাম খান তৌফিক, সাবেক পিপি কাজী নাজমুল সাদাত সাধন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী জুনাব আলী, বিএনপি নেতা অহিদুজ্জামান নান্নু, উপজেলা মাধয়মিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান ভূইয়া, ঢাকাস্থ জণকল্যাণ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হাসেম, ওরাই আপনজন সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সভাপতি মোঃ ইলিয়াছ আহমদ সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ঝলম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিন ব্যাপি শতাধিক ডাক্তার দ্বারা ফ্রী চিকিৎসা সেবা, ঔষধ বিতরণ, রক্তের গ্রুপ নির্নয়, আড়াই শতাধিক সুন্নতে খৎনা, ডায়েবিটিস রোগীদের পরীক্ষা, আড়াই হাজার গাছের ছাড়া বিতরণ, বৃহত্তর ঝলম ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্বাদের সন্মাননা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ,কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি এ আয়োজন করেন।।
বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে দায়িত্ব শীল ভূমিকা পালন করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন, পৌর বএনপির সভাপতি শামসুল হক সর্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক পৌর মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন কল্লোল,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ বাবুল মিয়া, সহ বিএনপি যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্র দলের নেতৃবৃন্দ।
ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে ৫ হাজারের অধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। শতাধিক রোগীকে ইসিজি করা হয়, সকল রোগী কে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়।
৩০ মে ২৬ আবু তাহের ফাউন্ডেশন এর এ আয়োজন বরুড়া বাসী স্মরণে রাখবে বলে সাধারন রোগীরা জানান। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত *'ফ্রি হেলথ ক্যাম্প বরুড়া-২০২৬'* হয়ে উঠেছে বরুড়ার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মানবিক অধ্যায়। মাটিতে গাছ, বুকে মানুষের স্বপ্ন,
ক্যাম্পের উদ্বোধনী মুহূর্তটি ছিল এক আলাদা আবেগের। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন ঝলম কলেজ মাঠের এক প্রান্তে নিজ হাতে একটি কাঁঠালগাছের চারা মাটিতে পুঁতে দেন। সেই একটি চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি বাকি আড়াই হাজার গাছ লাগানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মন্ত্রী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "আমার বাবা সারাজীবন এই মাটির মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তাঁর নামে গড়া এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ আমরা সেই মানুষগুলোর কাছে পৌঁছাতে চাইছি, যারা টাকার অভাবে ডাক্তার দেখাতে পারেন না। গরিব মানুষ যেন চিকিৎসার অভাবে মারা না যান এটাই ছিল আমার বাবার জীবনের স্বপ্ন। আজকের এই আয়োজন সেই স্বপ্নেরই অংশ।"
দেখে মনে হচ্ছে একটি মাঠ, দশটি বিভাগ, বরুড়ায় যেন মিনি হাসপাতাল হয়েছে একদিনের জন্যে।
সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টার এই চিকিৎসা শিবিরে যে সেবার পসরা সাজানো হয়েছিল, তা দেখে বরুড়ার মানুষ রীতিমতো অবাক হয়ে যান। একটি বিদ্যালয়ের মাঠে একসঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সেবা দিলেন।
মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও প্রসূতি সেবা, শিশু স্বাস্থ্যসেবা, নাক-কান-গলা, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি এবং ডেন্টাল সার্জারি এই আট বিভাগের পাশাপাশি ব্লাড সুগার পরীক্ষা, ব্লাড গ্রুপিং, বিটি-সিটি পরীক্ষা, হার্টের ইসিজি এবং নেবুলাইজেশন সেবাও দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এমনকি বিনা ব্যথায় আধুনিক ও নিরাপদ পদ্ধতিতে সুন্নতে খৎনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।
দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আসা বরেণ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সারাদিন অক্লান্তভাবে রোগী দেখেন। ক্যাম্পের আহ্বায়ক হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সোলাইমান মিয়া আহবায়ক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের উপ পরিচালক ডাঃ মোঃ শাহাজান সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় মন্ত্রী সহধর্মনী নাজনীন আহমদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম, সাবেক যুগ্ম সচিব সড়ক মন্ত্রণালয়ের মনীদ্র কিশোর মজুমদার, এডিশনালান ডিআইজি গিয়াসউদ্দিন মানিক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আহসান হাফিজ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের পিপি এডভোকেট খায়রুল এনাম খান তৌফিক, সাবেক পিপি কাজী নাজমুল সাদাত সাধন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী জুনাব আলী, বিএনপি নেতা অহিদুজ্জামান নান্নু, উপজেলা মাধয়মিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান ভূইয়া, ঢাকাস্থ জণকল্যাণ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হাসেম, ওরাই আপনজন সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সভাপতি মোঃ ইলিয়াছ আহমদ সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন