মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

মুক্তির লড়াইয়ে সংবাদ প্রকাশের পর শত বছরের চলাচলের পথ খুলে দিল প্রশাসন

মুক্তির লড়াইয়ে সংবাদ প্রকাশের পর শত বছরের চলাচলের পথ খুলে দিল প্রশাসন

মুক্তির আলোয় "শত বছরের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া, গৃহবন্দি ১৭ পরিবার" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের ১ দিনের মধ্যেই কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে পথটি খুলে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে পথটি উন্মুক্ত করে দেন। 

জানা যায়, চাঁদপুরের শাহরাস্তির সূচীপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের নরিংপুর নতুন মৃধা বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথটি স্থানীয়রা শত বছর ধরে ব্যবহার করে আসছেন। ওই বাড়িতে ১৭টি পরিবার বসবাস করছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চলাচলের পথটি কাঁটাতার দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে ১৭টি পরিবারের সদস্য সহ আশপাশের সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন।

স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে "মুক্তির আলোয়" সংবাদ প্রকাশিত হয়। 


সংবাদের প্রেক্ষিতে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওই সময় ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিকভাবে পথটি খুলে দেয়ার নির্দেশ দেন। পরে চলাচলের পথটি খুলে দেয়া হয়।

ওই সময় তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে কেউ যদি পুনরায় পথটি বন্ধ করার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করেন। 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা জানান, স্থানীয়দের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিক লোকজনের উপস্থিতিতে পথটি খুলে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে। উভয় পক্ষকে স্থানীয় ভাবে বিবাদমান সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মিমাংসার জন্য বলা হয়েছে। 

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন, থানার উপপরিদর্শক (এস আই) ফরিদ আহমেদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


মুক্তির লড়াইয়ে সংবাদ প্রকাশের পর শত বছরের চলাচলের পথ খুলে দিল প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

মুক্তির আলোয় "শত বছরের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া, গৃহবন্দি ১৭ পরিবার" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের ১ দিনের মধ্যেই কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে পথটি খুলে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে পথটি উন্মুক্ত করে দেন। 


জানা যায়, চাঁদপুরের শাহরাস্তির সূচীপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের নরিংপুর নতুন মৃধা বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথটি স্থানীয়রা শত বছর ধরে ব্যবহার করে আসছেন। ওই বাড়িতে ১৭টি পরিবার বসবাস করছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চলাচলের পথটি কাঁটাতার দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে ১৭টি পরিবারের সদস্য সহ আশপাশের সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন।

স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে "মুক্তির আলোয়" সংবাদ প্রকাশিত হয়। 


সংবাদের প্রেক্ষিতে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওই সময় ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিকভাবে পথটি খুলে দেয়ার নির্দেশ দেন। পরে চলাচলের পথটি খুলে দেয়া হয়।


ওই সময় তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে কেউ যদি পুনরায় পথটি বন্ধ করার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করেন। 


উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা জানান, স্থানীয়দের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিক লোকজনের উপস্থিতিতে পথটি খুলে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে। উভয় পক্ষকে স্থানীয় ভাবে বিবাদমান সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মিমাংসার জন্য বলা হয়েছে। 


ওই সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন, থানার উপপরিদর্শক (এস আই) ফরিদ আহমেদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই