কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নে জলাশয় ও মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছ রক্ষায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর রিং জাল (চায়না দুয়ারী) জব্দ করা হয়েছে।
আজ ১৭ জুন (বুধবার) বরুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে চিতড্ডা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবী নিষিদ্ধ রিং জাল ও কারেন্ট জাল দিয়ে দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ ও পোনা নিধন করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে খাল ও জলাশয় থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করা হয়, যা পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযান শেষে বরুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া জামান নিতু জানান, “দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রিং জাল ও কারেন্ট জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ অবৈধ। যারা এই নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে দেশীয় মাছের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
অভিযান চলাকালীন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বরুড়া থানা পুলিশের একটি দল মৎস্য কর্মকর্তাকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। মৎস্য বিভাগের এমন জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নে জলাশয় ও মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছ রক্ষায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর রিং জাল (চায়না দুয়ারী) জব্দ করা হয়েছে।
আজ ১৭ জুন (বুধবার) বরুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে চিতড্ডা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবী নিষিদ্ধ রিং জাল ও কারেন্ট জাল দিয়ে দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ ও পোনা নিধন করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে খাল ও জলাশয় থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করা হয়, যা পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযান শেষে বরুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া জামান নিতু জানান, “দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রিং জাল ও কারেন্ট জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ অবৈধ। যারা এই নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে দেশীয় মাছের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
অভিযান চলাকালীন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বরুড়া থানা পুলিশের একটি দল মৎস্য কর্মকর্তাকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। মৎস্য বিভাগের এমন জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন