মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করতে সব দেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন

জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করতে সব দেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন

চীন, সব দেশের সাথে মিলে, জাতিসংঘকে পুনরুজ্জীবিত ও শক্তিশালী করতে প্রস্তুত। গত (বুধবার) সকালে, চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্যকার্যালয়ে, ‘আরও ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিসঙ্গত বৈশ্বিক প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা: চীনের ধারণা, প্রস্তাব ও কার্যক্রম’ শীর্ষক শ্বেতপত্র প্রকাশের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

সাংবাদিকরা "জঙ্গল আইন" ফিরে আসছে কি না এবং জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ও ভূমিকা দুর্বল হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৮০ বছরেরও বেশি সময় আগে, জঙ্গল আইনের প্রাদুর্ভাব মানবজাতির জন্য যে বিপর্যয় বয়ে এনেছিল, তা দেখে আন্তর্জাতিক সমাজ দুটি বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে বহুপাক্ষিকতাকে গ্রহণ ও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করে। আজ, বহুপাক্ষিকতা ব্যর্থ বলে মনে হলেও, তা জাতিসংঘের গুরুত্বহীনতার কারণে নয়, বরং জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ও ভূমিকাকে সম্মান দেখানো হচ্ছে না বলে। 

জঙ্গল আইনের পুনরাবির্ভাবও জাতিসংঘ সনদ সেকেলে হওয়ার কারণে নয়, বরং সনদ কার্যকরভাবে পালিত ও রক্ষা করা হচ্ছে না বলে। ক্রমাগত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে জরুরি কর্তব্য হলো, জাতিসংঘ সনদের দায়িত্ব পালন করা, সার্বভৌম সমতা অনুসরণ করা, আন্তর্জাতিক আইনি শাসন মেনে চলা, শক্তির অপব্যবহার ও উৎপীড়নের বিরোধিতা করা, এবং জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকাকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করা। জাতিসংঘ সনদে প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে চীন এই দায়িত্ব থেকে মুক্ত নয়। আমরা বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগের মাধ্যমে জাতিসংঘের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে এবং সব দেশের সাথে মিলে জাতিসংঘকে পুনরুজ্জীবিত ও শক্তিশালী করতে প্রস্তুত। 

সূত্র:শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করতে সব দেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

চীন, সব দেশের সাথে মিলে, জাতিসংঘকে পুনরুজ্জীবিত ও শক্তিশালী করতে প্রস্তুত। গত (বুধবার) সকালে, চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্যকার্যালয়ে, ‘আরও ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিসঙ্গত বৈশ্বিক প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা: চীনের ধারণা, প্রস্তাব ও কার্যক্রম’ শীর্ষক শ্বেতপত্র প্রকাশের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 


সাংবাদিকরা "জঙ্গল আইন" ফিরে আসছে কি না এবং জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ও ভূমিকা দুর্বল হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৮০ বছরেরও বেশি সময় আগে, জঙ্গল আইনের প্রাদুর্ভাব মানবজাতির জন্য যে বিপর্যয় বয়ে এনেছিল, তা দেখে আন্তর্জাতিক সমাজ দুটি বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে বহুপাক্ষিকতাকে গ্রহণ ও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করে। আজ, বহুপাক্ষিকতা ব্যর্থ বলে মনে হলেও, তা জাতিসংঘের গুরুত্বহীনতার কারণে নয়, বরং জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ও ভূমিকাকে সম্মান দেখানো হচ্ছে না বলে। 


জঙ্গল আইনের পুনরাবির্ভাবও জাতিসংঘ সনদ সেকেলে হওয়ার কারণে নয়, বরং সনদ কার্যকরভাবে পালিত ও রক্ষা করা হচ্ছে না বলে। ক্রমাগত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে জরুরি কর্তব্য হলো, জাতিসংঘ সনদের দায়িত্ব পালন করা, সার্বভৌম সমতা অনুসরণ করা, আন্তর্জাতিক আইনি শাসন মেনে চলা, শক্তির অপব্যবহার ও উৎপীড়নের বিরোধিতা করা, এবং জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকাকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করা। জাতিসংঘ সনদে প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে চীন এই দায়িত্ব থেকে মুক্ত নয়। আমরা বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগের মাধ্যমে জাতিসংঘের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে এবং সব দেশের সাথে মিলে জাতিসংঘকে পুনরুজ্জীবিত ও শক্তিশালী করতে প্রস্তুত। 

সূত্র:শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই