কুমিল্লার বরুড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯০ বস্তা খালি, ভাঙা ও ছিদ্র করা ফেনসিডিল, স্কাফ সিরাপ, বিয়ার ও হুইস্কির বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ৪ নম্বর দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের মুগুজী গ্রামের দাসপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে ওই এলাকায় প্রথম দফা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় দাসপাড়া এলাকা থেকে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুরে একই এলাকায় পুনরায় অভিযান চালিয়ে আরও ৯০ বস্তা খালি, ভাঙা ও ছিদ্র করা ফেনসিডিল, স্কাফ সিরাপ, বিয়ার ও হুইস্কির বোতল জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা বোতলগুলোর অধিকাংশই নষ্ট ও ক্রাশ করা অবস্থায় ছিল।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে একই এলাকা থেকে আরও ৯০ বস্তা খালি ও ক্রাশ করা ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকজাত পণ্যের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এসব বোতল কারা, কোথা থেকে এবং কী উদ্দেশ্যে এখানে এনেছে—তা জানতে তদন্ত চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯০ বস্তা খালি, ভাঙা ও ছিদ্র করা ফেনসিডিল, স্কাফ সিরাপ, বিয়ার ও হুইস্কির বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ৪ নম্বর দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের মুগুজী গ্রামের দাসপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে ওই এলাকায় প্রথম দফা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় দাসপাড়া এলাকা থেকে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুরে একই এলাকায় পুনরায় অভিযান চালিয়ে আরও ৯০ বস্তা খালি, ভাঙা ও ছিদ্র করা ফেনসিডিল, স্কাফ সিরাপ, বিয়ার ও হুইস্কির বোতল জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা বোতলগুলোর অধিকাংশই নষ্ট ও ক্রাশ করা অবস্থায় ছিল।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে একই এলাকা থেকে আরও ৯০ বস্তা খালি ও ক্রাশ করা ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকজাত পণ্যের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এসব বোতল কারা, কোথা থেকে এবং কী উদ্দেশ্যে এখানে এনেছে—তা জানতে তদন্ত চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন