মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

বাঘাইছড়ি তে পাহাড় ধ্বসে একজনের মৃত্যু

বাঘাইছড়ি তে পাহাড় ধ্বসে একজনের মৃত্যু

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার পশ্চিম লাইল্যাঘোনা এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে লক্ষী বিলাশ চাকমা (৬০) নামে  এক বৃদ্ধার করুন মৃত্যু হয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বর্ষন ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সকালে গরুর খড়ের স্তুপে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন কাটার কাজ করছিলেন লক্ষী বিলাশ চাকমা। এ সময় পাহাড়ের ওপর থেকে একটি বড় গাছের গোড়াসহ মাটি ধসে তার শরীরের ওপর পড়ে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

মঙ্গলবার( ৭ জুলাই) বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি জানান, সকালে গরুর স্তপ পরিস্কার করতে গিয়ে পাহাড় ধ্বসে একজন মারা গেছে। তবে আমরা সতর্কতামূলক পাহাড়ে বসবাসরতদের বলা হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহন করার জন্য। তিনি বলেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।


 নিহত লক্ষী বিলাশ চাকমার বড় ভাই বিমলেন্দু  চাকমা জানান রাতে বৃষ্টি পাতের ফলে বসত ঘরের পাশের অংশে মাটি ধসে পড়ে। লক্ষী বিলাশ চাকমা ধসে পাড়া মাটি সরাতে গেলে পুনরায় উপর থেকে গাছের গুঁড়ি সহ  মাটি ধসে পড়ে চাপা পড়ায়  ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে গাছ ও মাটি সরিয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর আলম, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দীন মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপ্তশ্রী শাহা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১১টি সহ জেলায় ৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পৌর এলাকার ২৮টি স্থানকে পাহাড় ধ্বস প্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


বাঘাইছড়ি তে পাহাড় ধ্বসে একজনের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার পশ্চিম লাইল্যাঘোনা এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে লক্ষী বিলাশ চাকমা (৬০) নামে  এক বৃদ্ধার করুন মৃত্যু হয়েছে। 


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বর্ষন ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সকালে গরুর খড়ের স্তুপে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন কাটার কাজ করছিলেন লক্ষী বিলাশ চাকমা। এ সময় পাহাড়ের ওপর থেকে একটি বড় গাছের গোড়াসহ মাটি ধসে তার শরীরের ওপর পড়ে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।


মঙ্গলবার( ৭ জুলাই) বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি জানান, সকালে গরুর স্তপ পরিস্কার করতে গিয়ে পাহাড় ধ্বসে একজন মারা গেছে। তবে আমরা সতর্কতামূলক পাহাড়ে বসবাসরতদের বলা হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহন করার জন্য। তিনি বলেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।


 নিহত লক্ষী বিলাশ চাকমার বড় ভাই বিমলেন্দু  চাকমা জানান রাতে বৃষ্টি পাতের ফলে বসত ঘরের পাশের অংশে মাটি ধসে পড়ে। লক্ষী বিলাশ চাকমা ধসে পাড়া মাটি সরাতে গেলে পুনরায় উপর থেকে গাছের গুঁড়ি সহ  মাটি ধসে পড়ে চাপা পড়ায়  ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে গাছ ও মাটি সরিয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর আলম, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দীন মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপ্তশ্রী শাহা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১১টি সহ জেলায় ৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পৌর এলাকার ২৮টি স্থানকে পাহাড় ধ্বস প্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই