মুক্তির লড়াই

অপরাধ

এক নজরে মোহাম্মদপুরের দলিল জালিয়াতি ও দখলচক্রান্ত:

এক নজরে মোহাম্মদপুরের দলিল জালিয়াতি ও দখলচক্রান্ত:

​ঢাকার মোহাম্মদপুরের পুলপাড় জাফরাবাদ এলাকায় ভূমি মালিকানা নিয়ে ভূমিদস্যু মো. রেজাউল করিম ও মো. গিয়াস উদ্দিন ভুইয়ার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট ভয়াবহ জালিয়াতি ও রক্তক্ষয়ী জবরদখল চালিয়েছে।

​মূল চাঞ্চল্যকর তথ্যসমূহ

​দ্বৈত দলিল রহস্য: ২০০৮ সালের ৫ মার্চ সম্পাদিত ১৪৩৩ নং দলিলটি দুটি ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। আদালতের মামলায় এটি কুতুবউদ্দিনের নামে ‘হেবা’ দলিল হলেও, গিয়াস ও রেজাউলের দাবি এটি তাদের ক্রয়কৃত ‘সাব-কবলা’ দলিল।

​রহস্যজনক নামজারি: দীর্ঘ ১৮ বছর পর ২০২৫ সালে এসে প্রকৃত মালিক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো. জোবায়ের হোসেনকে (যিনি ওই জমিতে ৮ তলা ভবন নির্মাণ করে ভোগদখলে আছেন) কোনো নোটিশ না দিয়েই এসি (ল্যান্ড) ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে মাত্র এক দিনেই নামজারি সম্পন্ন করে চক্রটি।

​সশস্ত্র হামলা ও লুটপাট: গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে গিয়াস ও রেজাউলের নেতৃত্বে ১০০-১৫০ জনের সশস্ত্র দল জোবায়ের হোসেনের ৮ তলা ভবনে হামলা চালায়। এ সময় অফিসের অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. সাইফুল ইসলাম টুলুকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করা হয়, সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় এবং নগদ ৫ লক্ষ টাকা, মূল্যবান দলিলপত্র ও জিনিসপত্র লুট করে একটি ফ্ল্যাট জবরদখল করা হয়।


​আইনগত পদক্ষেপ: এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-১১, তারিখ: ০২/০৭/২০২৬)।

​এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি

​১. বালাম বইয়ের অসংগতি দূর করতে ফরেনসিক তদন্ত করা।

২. জালিয়াতিতে সহায়তাকারী সাব-রেজিস্ট্রি ও এসি (ল্যান্ড) অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় আনা।

৩. প্রধান অভিযুক্ত মো. গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া ও মো. রেজাউল করিমসহ জড়িত সব সন্ত্রাসীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


এক নজরে মোহাম্মদপুরের দলিল জালিয়াতি ও দখলচক্রান্ত:

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

​ঢাকার মোহাম্মদপুরের পুলপাড় জাফরাবাদ এলাকায় ভূমি মালিকানা নিয়ে ভূমিদস্যু মো. রেজাউল করিম ও মো. গিয়াস উদ্দিন ভুইয়ার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট ভয়াবহ জালিয়াতি ও রক্তক্ষয়ী জবরদখল চালিয়েছে।


​মূল চাঞ্চল্যকর তথ্যসমূহ

​দ্বৈত দলিল রহস্য: ২০০৮ সালের ৫ মার্চ সম্পাদিত ১৪৩৩ নং দলিলটি দুটি ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। আদালতের মামলায় এটি কুতুবউদ্দিনের নামে ‘হেবা’ দলিল হলেও, গিয়াস ও রেজাউলের দাবি এটি তাদের ক্রয়কৃত ‘সাব-কবলা’ দলিল।


​রহস্যজনক নামজারি: দীর্ঘ ১৮ বছর পর ২০২৫ সালে এসে প্রকৃত মালিক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো. জোবায়ের হোসেনকে (যিনি ওই জমিতে ৮ তলা ভবন নির্মাণ করে ভোগদখলে আছেন) কোনো নোটিশ না দিয়েই এসি (ল্যান্ড) ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে মাত্র এক দিনেই নামজারি সম্পন্ন করে চক্রটি।


​সশস্ত্র হামলা ও লুটপাট: গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে গিয়াস ও রেজাউলের নেতৃত্বে ১০০-১৫০ জনের সশস্ত্র দল জোবায়ের হোসেনের ৮ তলা ভবনে হামলা চালায়। এ সময় অফিসের অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. সাইফুল ইসলাম টুলুকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করা হয়, সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় এবং নগদ ৫ লক্ষ টাকা, মূল্যবান দলিলপত্র ও জিনিসপত্র লুট করে একটি ফ্ল্যাট জবরদখল করা হয়।


​আইনগত পদক্ষেপ: এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-১১, তারিখ: ০২/০৭/২০২৬)।


​এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি

​১. বালাম বইয়ের অসংগতি দূর করতে ফরেনসিক তদন্ত করা।

২. জালিয়াতিতে সহায়তাকারী সাব-রেজিস্ট্রি ও এসি (ল্যান্ড) অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় আনা।

৩. প্রধান অভিযুক্ত মো. গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া ও মো. রেজাউল করিমসহ জড়িত সব সন্ত্রাসীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই