চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৫৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে ব্যাটালিয়নের ওয়াহেদপুর বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের বিশরশিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য জব্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ১৫৭ বোতল এস্কাফ সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬২ হাজার ৮০০ টাকা। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৫৩ বিজিবি সূত্র আরও জানায়, চলতি জুলাই মাসে সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৬০৫ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৯০ বোতল মদ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব মাদকদ্রব্যের সম্মিলিত আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ২ হাজার ৬০০ টাকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুশ-ইন প্রতিরোধ, চোরাচালান দমন এবং সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৫৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে ব্যাটালিয়নের ওয়াহেদপুর বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের বিশরশিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য জব্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ১৫৭ বোতল এস্কাফ সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬২ হাজার ৮০০ টাকা। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৫৩ বিজিবি সূত্র আরও জানায়, চলতি জুলাই মাসে সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৬০৫ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৯০ বোতল মদ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব মাদকদ্রব্যের সম্মিলিত আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ২ হাজার ৬০০ টাকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুশ-ইন প্রতিরোধ, চোরাচালান দমন এবং সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন