বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের সূত্র মতে জানা গেছে, গত ২৫ জুলাই রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার হাড়িখালী গ্রামের তেঁতুলতলা মোড় এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত। আদালতের জরুরি কার্যক্রম শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে তিনি হামলার শিকার হন।
এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে তিনজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি শেখ মুরাদসহ চারজনকে আটক করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আবু তাহের দীপ, মোঃ হাফিজুর রহমান ও মোঃ শিপন শেখ।
পুলিশের সূত্র মতে আরও জানা গেছে, আটক প্রধান আসামি শেখ মুরাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আটক আসামিদের আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রধান আসামিসহ চারজনকে দ্রুত আটক করায় আইনজীবী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের পূর্ণ পরিকল্পনা উন্মোচন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের সূত্র মতে জানা গেছে, গত ২৫ জুলাই রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার হাড়িখালী গ্রামের তেঁতুলতলা মোড় এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত। আদালতের জরুরি কার্যক্রম শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে তিনি হামলার শিকার হন।
এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে তিনজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি শেখ মুরাদসহ চারজনকে আটক করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আবু তাহের দীপ, মোঃ হাফিজুর রহমান ও মোঃ শিপন শেখ।
পুলিশের সূত্র মতে আরও জানা গেছে, আটক প্রধান আসামি শেখ মুরাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আটক আসামিদের আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রধান আসামিসহ চারজনকে দ্রুত আটক করায় আইনজীবী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের পূর্ণ পরিকল্পনা উন্মোচন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন