চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় মহানন্দা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর খালঘাট থেকে পুলিশ লাইন পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইমরুল কায়েস, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাইমুল হক, সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং নৌ পুলিশের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, মৎস্য আইন অমান্য করে মহানন্দা নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে খালঘাট থেকে পুলিশ লাইন এলাকা পর্যন্ত নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় নদী থেকে ৫০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পরে জব্দকৃত এসব ক্ষতিকর জাল আইন অনুযায়ী জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা, নদী ও জলাশয়ে পোনা মাছের অবাধ বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষতিকর অবৈধ জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী কোনো চক্রকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় মহানন্দা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর খালঘাট থেকে পুলিশ লাইন পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইমরুল কায়েস, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাইমুল হক, সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং নৌ পুলিশের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, মৎস্য আইন অমান্য করে মহানন্দা নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে খালঘাট থেকে পুলিশ লাইন এলাকা পর্যন্ত নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় নদী থেকে ৫০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পরে জব্দকৃত এসব ক্ষতিকর জাল আইন অনুযায়ী জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা, নদী ও জলাশয়ে পোনা মাছের অবাধ বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষতিকর অবৈধ জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট ও অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী কোনো চক্রকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন