সাইবার হয়রানি বা বুলিং রোধ করতে এবং এ বিষয়ে জনগণের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে একটি নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ করেছে দ্য সাইবারস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না।
বুধবার সর্বসাধারণের মতামত নেওয়ার জন্য এই খসড়াটি প্রকাশ করা হয়। কর্তৃপক্ষের মতে, সাইবার হয়রানির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে জনসাধারণের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের জবাব এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি থেকেই এই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন খসড়া অনুযায়ী, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার হয়রানির সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করার সাথে সাথেই ব্যবহারকারীদের স্পষ্টভাবে সতর্ক করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যবহারকারীদের জন্য সাইবার হয়রানি রোধে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিতকরণ এবং শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা প্রতিবন্ধীরা এই ধরনের হয়রানির শিকার হলে তা অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
কোনো ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত সাইবার হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে পারবেন। এই ধরনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অপরাধীদের ওই কর্মকাণ্ড বন্ধের নির্দেশ দিতে বাধ্য থাকবে।
সাইবার হয়রানির ঘটনায় যদি জাতীয় বা জনস্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়, তবে প্রসিকিউটর বা সাইবারস্পেস প্রশাসনের নির্ধারিত সংস্থাগুলো জনস্বার্থে মামলা (পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন) দায়ের করতে পারবে।
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
সাইবার হয়রানি বা বুলিং রোধ করতে এবং এ বিষয়ে জনগণের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে একটি নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ করেছে দ্য সাইবারস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না।
বুধবার সর্বসাধারণের মতামত নেওয়ার জন্য এই খসড়াটি প্রকাশ করা হয়। কর্তৃপক্ষের মতে, সাইবার হয়রানির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে জনসাধারণের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের জবাব এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি থেকেই এই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন খসড়া অনুযায়ী, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার হয়রানির সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করার সাথে সাথেই ব্যবহারকারীদের স্পষ্টভাবে সতর্ক করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যবহারকারীদের জন্য সাইবার হয়রানি রোধে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিতকরণ এবং শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা প্রতিবন্ধীরা এই ধরনের হয়রানির শিকার হলে তা অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
কোনো ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত সাইবার হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে পারবেন। এই ধরনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অপরাধীদের ওই কর্মকাণ্ড বন্ধের নির্দেশ দিতে বাধ্য থাকবে।
সাইবার হয়রানির ঘটনায় যদি জাতীয় বা জনস্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়, তবে প্রসিকিউটর বা সাইবারস্পেস প্রশাসনের নির্ধারিত সংস্থাগুলো জনস্বার্থে মামলা (পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন) দায়ের করতে পারবে।
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া

আপনার মতামত লিখুন