মুক্তির লড়াই

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

সরকারি হাসপাতালে নেই জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন

বরুড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত

বরুড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত

কুমিল্লার  বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের বড় কৈয়নি ও শাকপুর গ্রামে পাগলা কুকুরের হামলায় অন্তত ১৬ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে বরুড়া সরকারি হাসপাতালে অন্তত ৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাফি (২০), পিতা- রশিদ, গ্রাম শাকপুর; আবুল হোসেন (৪০), পিতা- মনির হোসেন, শাকপুর; আনাস (৪ মাস), পিতা- রিয়াদ হোসেন, শাকপুর এবং সামিয়া (২৬ মাস), পিতা- মিল্লাত হোসেন, শাকপুর।

এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আয়ান (৩ মাস), পিতা- মো. বাহার, গ্রাম বামন্ডা, উপজেলা চান্দিনা; নিলুফা বেগম (৪০), স্বামী- ফরিদ উদ্দিন, মহেশপুর, বরুড়া; নিরুদা (৭০), স্বামী- মৃত সীতিম সরকার, শাকপুর, বরুড়া এবং কুহিনূর বেগম (৩৫), স্বামী- মো. বিল্লাল হোসেন, শাকপুরকে।


এদিকে দুঃখজনক হলেও সত্য, আহতদের কাউকেই বরুড়া সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ হাসপাতালের ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেছে। এতে দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সবসময় পর্যাপ্ত রেবিস ভ্যাকসিন মজুত থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান বলেন, “রেবিস ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেছে। আমরা ইতোমধ্যে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে সরকারি হাসপাতালে নিয়মিতভাবে রেবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


বরুড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার  বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের বড় কৈয়নি ও শাকপুর গ্রামে পাগলা কুকুরের হামলায় অন্তত ১৬ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে বরুড়া সরকারি হাসপাতালে অন্তত ৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাফি (২০), পিতা- রশিদ, গ্রাম শাকপুর; আবুল হোসেন (৪০), পিতা- মনির হোসেন, শাকপুর; আনাস (৪ মাস), পিতা- রিয়াদ হোসেন, শাকপুর এবং সামিয়া (২৬ মাস), পিতা- মিল্লাত হোসেন, শাকপুর।

এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আয়ান (৩ মাস), পিতা- মো. বাহার, গ্রাম বামন্ডা, উপজেলা চান্দিনা; নিলুফা বেগম (৪০), স্বামী- ফরিদ উদ্দিন, মহেশপুর, বরুড়া; নিরুদা (৭০), স্বামী- মৃত সীতিম সরকার, শাকপুর, বরুড়া এবং কুহিনূর বেগম (৩৫), স্বামী- মো. বিল্লাল হোসেন, শাকপুরকে।


এদিকে দুঃখজনক হলেও সত্য, আহতদের কাউকেই বরুড়া সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ হাসপাতালের ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেছে। এতে দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সবসময় পর্যাপ্ত রেবিস ভ্যাকসিন মজুত থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান বলেন, “রেবিস ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেছে। আমরা ইতোমধ্যে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে সরকারি হাসপাতালে নিয়মিতভাবে রেবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই