তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার বাসিন্দারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা।
বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুতের অভাবে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করতে পারছে না স্থানীয় কলকারখানাগুলো। ফলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। শহরের এক বাসিন্দা জানান, গত শুক্রবার রাত ১১টার পর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত কয়েক দফায় বিদ্যুৎ এলেও প্রতিবারই তা ১০ মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী ছিল। দিনের বেলাতেও ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।
আরেক বাসিন্দা আবু সায়েম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সারারাত বিদ্যুৎ না থাকায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে। তীব্র গরমে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বে।"
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা নর্দার্ন ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)-এর আওতায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ৪৩ মেগাওয়াট। তবে বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৫ থেকে ২৬ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে নেসকোর চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোহাইমেনুর রহমান বলেন, "শহরে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে আমরা পাচ্ছি মাত্র ১৭ থেকে ১৮ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকের কাছাকাছি হওয়ায় বাধ্য হয়ে আমাদের লোডশেডিং করতে হচ্ছে।" জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়লে দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই কর্মকর্তা।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার বাসিন্দারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা।
বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুতের অভাবে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করতে পারছে না স্থানীয় কলকারখানাগুলো। ফলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। শহরের এক বাসিন্দা জানান, গত শুক্রবার রাত ১১টার পর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত কয়েক দফায় বিদ্যুৎ এলেও প্রতিবারই তা ১০ মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী ছিল। দিনের বেলাতেও ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।
আরেক বাসিন্দা আবু সায়েম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সারারাত বিদ্যুৎ না থাকায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে। তীব্র গরমে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বে।"
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা নর্দার্ন ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)-এর আওতায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ৪৩ মেগাওয়াট। তবে বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৫ থেকে ২৬ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে নেসকোর চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোহাইমেনুর রহমান বলেন, "শহরে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে আমরা পাচ্ছি মাত্র ১৭ থেকে ১৮ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকের কাছাকাছি হওয়ায় বাধ্য হয়ে আমাদের লোডশেডিং করতে হচ্ছে।" জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়লে দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন