মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার

বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়িপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম চান্দেরকোলা গ্রামে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন আহাত হাওলাদার (২২), তার বাবা আব্দার হাওলাদার; মনিরা বেগম (৫৫), তার বাবা রশিদ শেখ; এবং রাশিদা বেগম (৮৫), তার স্বামী মৃত রশিদ শেখ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। পরে বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর তিনজনের গলিত লাশ দেখতে পায়।


পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের প্রাথমিক ধারণা, কয়েক দিন আগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। লাশে পচন ধরায় হত্যাকাণ্ডটি কয়েক দিন আগে ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয় এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়িপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম চান্দেরকোলা গ্রামে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে।


নিহত ব্যক্তিরা হলেন আহাত হাওলাদার (২২), তার বাবা আব্দার হাওলাদার; মনিরা বেগম (৫৫), তার বাবা রশিদ শেখ; এবং রাশিদা বেগম (৮৫), তার স্বামী মৃত রশিদ শেখ।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। পরে বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর তিনজনের গলিত লাশ দেখতে পায়।


পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের প্রাথমিক ধারণা, কয়েক দিন আগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। লাশে পচন ধরায় হত্যাকাণ্ডটি কয়েক দিন আগে ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


খবর পেয়ে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয় এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই