কুমিল্লার বরুড়ায় পৌরসভা অফিস সংলগ্ন বরুড়া - ঝলম রোড চৌরাস্তা মোড়ের স্পিড ব্রেকারের রং উঠে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে তৈরি হচ্ছিল ঝুঁকি। বিশেষ করে পথচারী ও ছোট-বড় যানবাহনের চালকরা স্পিড ব্রেকারটি দূর থেকে বুঝতে না পারায় হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছিলেন। এতে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদেরও কষ্ট হচ্ছিল।
বিষয়টি নজরে আসার পর মানবিক দিক বিবেচনা করে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে নিজ উদ্যোগে স্পিড ব্রেকারটিতে রং করার কাজ করেন বরুড়া প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মানুষের যেকোনো বিপদ-আপদে সহযোগিতার চেষ্টা করেন। কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে তিনি এগিয়ে আসেন।
মোঃ শরীফ উদ্দিন বলেন, “আজ দুপুরে হঠাৎ স্পিড ব্রেকারটির দিকে নজর পড়ে। রং উঠে যাওয়ায় অনেক গাড়ি দূর থেকে এটি বুঝতে পারছিল না। এতে বিশেষ করে বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের কষ্ট হচ্ছিল। বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে নিজের খরচে ও স্বেচ্ছাশ্রমে স্পিড ব্রেকারটিতে রং করে দিয়েছি।”
স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ সড়কের স্পিড ব্রেকারগুলোর রং নিয়মিত সংস্কার করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে এবং যানবাহন চলাচল আরও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনের এমন স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগকে তারা প্রশংসা করেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় পৌরসভা অফিস সংলগ্ন বরুড়া - ঝলম রোড চৌরাস্তা মোড়ের স্পিড ব্রেকারের রং উঠে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে তৈরি হচ্ছিল ঝুঁকি। বিশেষ করে পথচারী ও ছোট-বড় যানবাহনের চালকরা স্পিড ব্রেকারটি দূর থেকে বুঝতে না পারায় হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছিলেন। এতে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদেরও কষ্ট হচ্ছিল।
বিষয়টি নজরে আসার পর মানবিক দিক বিবেচনা করে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে নিজ উদ্যোগে স্পিড ব্রেকারটিতে রং করার কাজ করেন বরুড়া প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মানুষের যেকোনো বিপদ-আপদে সহযোগিতার চেষ্টা করেন। কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে তিনি এগিয়ে আসেন।
মোঃ শরীফ উদ্দিন বলেন, “আজ দুপুরে হঠাৎ স্পিড ব্রেকারটির দিকে নজর পড়ে। রং উঠে যাওয়ায় অনেক গাড়ি দূর থেকে এটি বুঝতে পারছিল না। এতে বিশেষ করে বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের কষ্ট হচ্ছিল। বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে নিজের খরচে ও স্বেচ্ছাশ্রমে স্পিড ব্রেকারটিতে রং করে দিয়েছি।”
স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ সড়কের স্পিড ব্রেকারগুলোর রং নিয়মিত সংস্কার করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে এবং যানবাহন চলাচল আরও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনের এমন স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগকে তারা প্রশংসা করেন।

আপনার মতামত লিখুন