মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পরিকল্পনায় চীনের সাফল্য বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে

দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পরিকল্পনায় চীনের সাফল্য বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ঘনঘন দেখা দেওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্বের সব দেশের সামনে একটি বিষয় স্পষ্ট করে তুলেছে—অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে একটি সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা এখন সময়ের চরম দাবি।

জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব এবং 'জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশন'-এর নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদ সম্প্রতি বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপের বিশেষ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি পরিবেশগত উন্নয়ন ও সুরক্ষায় চীনের অর্জিত অভূতপূর্ব সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চীন দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তা বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পরিবেশবান্ধব ও কম কার্বন নির্গমন নির্ভর টেকসই উন্নয়নের এক কার্যকর পথ উন্মোচিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক পরিবেশ শাসন ও টেকসই উন্নয়নে নতুন প্রেরণা জুগিয়েছে।

ইয়াসমিন ফুয়াদ বলেন, ‘চীনের মূল শক্তির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাই হলো চীনের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব। চীনের পরিবেশ প্রশাসনের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সুদৃঢ়। আমি বিশ্বাস করি, এই বিশেষ অভিজ্ঞতার আলোকে চীন সম্পর্কিত অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত করতে পারে।’

তিনি আরও যোগ করেন, “চীনের 'স্বচ্ছ পানি ও সবুজ পাহাড়ই অমূল্য সম্পদ'—এই যুগান্তকারী চিন্তাধারা সর্বক্ষেত্রে অত্যন্ত গভীর তাৎপর্য বহন করে। আমরা একদিকে প্রাকৃতিক সম্পদ বিনাশ ও পরিবেশ ধ্বংস করে যাব, আর অন্যদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আশা করব—এই ধারণার দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। পরিবেশ বিনষ্ট করে যে অর্থনৈতিক লাভ আসে, তা অতি ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে এর জন্য বিশ্বকে চরম মূল্য দিতে হয়। প্রকৃত সমাধানের পথ আমাদের হাতের নাগালেই রয়েছে; তাই সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে এখনই দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”

সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পরিকল্পনায় চীনের সাফল্য বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ঘনঘন দেখা দেওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্বের সব দেশের সামনে একটি বিষয় স্পষ্ট করে তুলেছে—অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে একটি সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা এখন সময়ের চরম দাবি।

জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব এবং 'জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশন'-এর নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদ সম্প্রতি বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপের বিশেষ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি পরিবেশগত উন্নয়ন ও সুরক্ষায় চীনের অর্জিত অভূতপূর্ব সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চীন দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তা বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পরিবেশবান্ধব ও কম কার্বন নির্গমন নির্ভর টেকসই উন্নয়নের এক কার্যকর পথ উন্মোচিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক পরিবেশ শাসন ও টেকসই উন্নয়নে নতুন প্রেরণা জুগিয়েছে।

ইয়াসমিন ফুয়াদ বলেন, ‘চীনের মূল শক্তির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাই হলো চীনের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব। চীনের পরিবেশ প্রশাসনের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সুদৃঢ়। আমি বিশ্বাস করি, এই বিশেষ অভিজ্ঞতার আলোকে চীন সম্পর্কিত অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত করতে পারে।’

তিনি আরও যোগ করেন, “চীনের 'স্বচ্ছ পানি ও সবুজ পাহাড়ই অমূল্য সম্পদ'—এই যুগান্তকারী চিন্তাধারা সর্বক্ষেত্রে অত্যন্ত গভীর তাৎপর্য বহন করে। আমরা একদিকে প্রাকৃতিক সম্পদ বিনাশ ও পরিবেশ ধ্বংস করে যাব, আর অন্যদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আশা করব—এই ধারণার দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। পরিবেশ বিনষ্ট করে যে অর্থনৈতিক লাভ আসে, তা অতি ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে এর জন্য বিশ্বকে চরম মূল্য দিতে হয়। প্রকৃত সমাধানের পথ আমাদের হাতের নাগালেই রয়েছে; তাই সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে এখনই দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”

সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই