মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

কলকাতায় হোটেলের আগুনে স্ত্রী-সন্তানসহ বাংলাদেশের সাংবাদিকের মৃত্যু

কলকাতায় হোটেলের আগুনে স্ত্রী-সন্তানসহ বাংলাদেশের সাংবাদিকের মৃত্যু
ছবি: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

কলকাতার শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশের আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা সিমমিন (২৫), সন্তান স্বর্ণ শীষ দত্ত (৩) এবং শ্বশুর আকরাম আলী (৬৪) নিহত হয়েছেন।কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেবাশীষ দত্ত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়াও দেবাশীষ দত্ত চ্যানেল নাইন ও দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।বাংলাদেশি সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায় এবং তার শ্বশুর আকরাম আলীর বাড়ি থানাপাড়া এলাকায়। 

পারিবারিক সূত্র জানায়, অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৩ আগস্ট দেবাশীষ দত্ত ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিলেন।দেবাশীষের আট বছর বয়সী অপর একটি কন্যা সন্তান এবং বাবা-মা রয়েছেন।   

জানা গেছে, নিহতদের অধিকাংশই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন।কুষ্টিয়ায় দেবাশীষের পারিবারিক বন্ধু তৌহিদী হাসান বলছেন, ৩ আগস্ট চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে চেন্নাই যান দেবাশীষ।তাদের সঙ্গে কুষ্টিয়ার আরো দুজন গিয়েছিলেন।

সোমবার রাতে চেন্নাই থেকে কলকাতায় এসে শিখা ইন হোটেলে উঠেছিলেন তারা। বুধবার তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু হোটেলে আগুন লেগে তাদের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে।দেবাশীষ ছুটি নিয়ে স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন।

উল্লেখ্য  বুধবার রাত প্রায় ২টার দিকে নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়।পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের একেবারে পাশেই হোটেলটির অবস্থান। পাঁচতলা এই হোটেল ভবনের প্রতিটি তলায় রয়েছে বিভিন্ন হোটেল, বিভিন্ন নামে। রাত পৌনে দুটোর দিকে এ আগুন লাগে তিনতলায়। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা হোটেল। মানুষ আটকে পড়েন। হোটেলে ঢোকার পথ ছিল সরু ও অপ্রশস্ত। ছিল না অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা। এসব ছাড়াই হোটেলটি চলছিল। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে হোটেলের আবাসিক অতিথিদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।কতজন ওই হোটেলে ছিলেন, তা জানা যায়নি। 

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


কলকাতায় হোটেলের আগুনে স্ত্রী-সন্তানসহ বাংলাদেশের সাংবাদিকের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কলকাতার শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশের আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা সিমমিন (২৫), সন্তান স্বর্ণ শীষ দত্ত (৩) এবং শ্বশুর আকরাম আলী (৬৪) নিহত হয়েছেন।কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেবাশীষ দত্ত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়াও দেবাশীষ দত্ত চ্যানেল নাইন ও দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।বাংলাদেশি সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া রাজারহাট এলাকায় এবং তার শ্বশুর আকরাম আলীর বাড়ি থানাপাড়া এলাকায়। 

পারিবারিক সূত্র জানায়, অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৩ আগস্ট দেবাশীষ দত্ত ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিলেন।দেবাশীষের আট বছর বয়সী অপর একটি কন্যা সন্তান এবং বাবা-মা রয়েছেন।   

জানা গেছে, নিহতদের অধিকাংশই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন।কুষ্টিয়ায় দেবাশীষের পারিবারিক বন্ধু তৌহিদী হাসান বলছেন, ৩ আগস্ট চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে চেন্নাই যান দেবাশীষ।তাদের সঙ্গে কুষ্টিয়ার আরো দুজন গিয়েছিলেন।


সোমবার রাতে চেন্নাই থেকে কলকাতায় এসে শিখা ইন হোটেলে উঠেছিলেন তারা। বুধবার তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু হোটেলে আগুন লেগে তাদের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে।দেবাশীষ ছুটি নিয়ে স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন।


উল্লেখ্য  বুধবার রাত প্রায় ২টার দিকে নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়।পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের একেবারে পাশেই হোটেলটির অবস্থান। পাঁচতলা এই হোটেল ভবনের প্রতিটি তলায় রয়েছে বিভিন্ন হোটেল, বিভিন্ন নামে। রাত পৌনে দুটোর দিকে এ আগুন লাগে তিনতলায়। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা হোটেল। মানুষ আটকে পড়েন। হোটেলে ঢোকার পথ ছিল সরু ও অপ্রশস্ত। ছিল না অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা। এসব ছাড়াই হোটেলটি চলছিল। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে হোটেলের আবাসিক অতিথিদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।কতজন ওই হোটেলে ছিলেন, তা জানা যায়নি। 


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই