মুক্তির লড়াই

আন্তর্জাতিক

হংকংয়ে আতশবাজির আলোয় ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

হংকংয়ে আতশবাজির আলোয় ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চীনের জাতীয় দিবসে বর্ণিল সাজে সেজেছিল চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং। ভিক্টোরিয়া হারবারের দুই তীরে হাজারো মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। রাতের আকাশে ২৩ মিনিটের মনোমুগ্ধকর আতশবাজির প্রদর্শনীতে উদযাপিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

আট পর্বের এই বিশেষ আতশবাজি প্রদর্শনীতে একের পর এক রঙের বিস্ফোরণে আলোকিত হয়ে ওঠে হংকংয়ের রাতের আকাশ। সবুজ ও নীল আলোয় ফুটে ওঠে দেশের পাহাড়-নদীর সৌন্দর্য। আর সোনালি বৃত্তের আকৃতি যেন মহাকাশের কক্ষপথ ও মহাবিশ্বের বিস্ময়কে তুলে ধরে।

আতশবাজির দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করতে ব্যস্ত ছিলেন অনেকেই। প্রদর্শনী শেষ হলেও উৎসবের আমেজ কাটেনি। ছবি তোলা ও রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকেই আরও কিছু সময় সেখানে অবস্থান করেন।

তবে আতশবাজিই ছিল না জাতীয় দিবসের একমাত্র আকর্ষণ। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে উৎসবমুখর ছিল হংকং। সকালে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান। পরে হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা।

অনুষ্ঠানে হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বলেন, হংকংয়ের প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা ঘোষণার পর এটাই প্রথম জাতীয় দিবস উদযাপন। এই পরিকল্পনা ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির আওতায় হংকংয়ের নিজস্ব সুবিধা কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়নের সুযোগ গ্রহণের জন্য কৌশলগত পথনকশা তৈরি করেছে।

এদিকে, মহাকাশ থেকেও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান হংকংয়ের প্রথম নারী নভোচারী লাই খা-ইং। জাতীয় দিবস ঘিরে হংকংয়ের বিভিন্ন জেলাতেও ছিল নানা আয়োজন। কোথাও কনসার্ট, কোথাও ঐতিহ্যবাহী ছেংসাম পোশাকের প্রদর্শনী, আবার কোথাও বসে খাবারের মেলা।

খাই থক স্পোর্টস পার্কে পরিবেশিত হয় আনহুইয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ফ্লাওয়ার ড্রাম ল্যান্টার্ন’ নৃত্য। এটি চীনের জাতীয় পর্যায়ের অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।

জাতীয় দিবসের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয় বিশেষ নানা সুবিধা। দিনটিতে হংকংয়ের ট্রামে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ পান স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকেরা। সিনেমার টিকিট ছিল অর্ধেক দামে। কয়েকটি জাদুঘর ও পার্কে ছিল বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ। পাশাপাশি প্রায় ৩ হাজার ৮০০টি খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁয় ছিল বিশেষ ছাড়।

সূত্র: নাহার, লুৎফর, সিনহুয়া, সিসিটিভি।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


হংকংয়ে আতশবাজির আলোয় ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চীনের জাতীয় দিবসে বর্ণিল সাজে সেজেছিল চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং। ভিক্টোরিয়া হারবারের দুই তীরে হাজারো মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। রাতের আকাশে ২৩ মিনিটের মনোমুগ্ধকর আতশবাজির প্রদর্শনীতে উদযাপিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

আট পর্বের এই বিশেষ আতশবাজি প্রদর্শনীতে একের পর এক রঙের বিস্ফোরণে আলোকিত হয়ে ওঠে হংকংয়ের রাতের আকাশ। সবুজ ও নীল আলোয় ফুটে ওঠে দেশের পাহাড়-নদীর সৌন্দর্য। আর সোনালি বৃত্তের আকৃতি যেন মহাকাশের কক্ষপথ ও মহাবিশ্বের বিস্ময়কে তুলে ধরে।

আতশবাজির দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করতে ব্যস্ত ছিলেন অনেকেই। প্রদর্শনী শেষ হলেও উৎসবের আমেজ কাটেনি। ছবি তোলা ও রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকেই আরও কিছু সময় সেখানে অবস্থান করেন।

তবে আতশবাজিই ছিল না জাতীয় দিবসের একমাত্র আকর্ষণ। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে উৎসবমুখর ছিল হংকং। সকালে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান। পরে হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা।

অনুষ্ঠানে হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বলেন, হংকংয়ের প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা ঘোষণার পর এটাই প্রথম জাতীয় দিবস উদযাপন। এই পরিকল্পনা ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির আওতায় হংকংয়ের নিজস্ব সুবিধা কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়নের সুযোগ গ্রহণের জন্য কৌশলগত পথনকশা তৈরি করেছে।

এদিকে, মহাকাশ থেকেও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান হংকংয়ের প্রথম নারী নভোচারী লাই খা-ইং। জাতীয় দিবস ঘিরে হংকংয়ের বিভিন্ন জেলাতেও ছিল নানা আয়োজন। কোথাও কনসার্ট, কোথাও ঐতিহ্যবাহী ছেংসাম পোশাকের প্রদর্শনী, আবার কোথাও বসে খাবারের মেলা।

খাই থক স্পোর্টস পার্কে পরিবেশিত হয় আনহুইয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ফ্লাওয়ার ড্রাম ল্যান্টার্ন’ নৃত্য। এটি চীনের জাতীয় পর্যায়ের অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।

জাতীয় দিবসের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয় বিশেষ নানা সুবিধা। দিনটিতে হংকংয়ের ট্রামে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ পান স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকেরা। সিনেমার টিকিট ছিল অর্ধেক দামে। কয়েকটি জাদুঘর ও পার্কে ছিল বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ। পাশাপাশি প্রায় ৩ হাজার ৮০০টি খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁয় ছিল বিশেষ ছাড়।

সূত্র: নাহার, লুৎফর, সিনহুয়া, সিসিটিভি।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই