লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ আলী নামে এক ক্লিনিকের পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা মামলাটি করেন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুলছাত্রীকে তার নিজ বাড়িতে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে।
অভিযুক্ত ইউসুফ আলী উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাঞ্চনশ্বর কানার বাজার এলাকার মৃত আছমত আলীর ছেলে। তিনি রংপুর নিউ রূপসী বাংলা নামে একটি ক্লিনিকের পরিচালক।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিজের ক্লিনিকে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার সুবাদে পরিবারটির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে ইউসুফ আলীর। গতকাল দুপুরে মা শহরে গেলে বাড়িতে একা ছিলেন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী।
তখন তার মায়ের মোবাইল নম্বর নেওয়ার অজুহাতে বাড়িতে ঢোকেন ইউসুফ। এরপর তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।
পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সে তার মাকে মুঠোফোনে ঘটনাটি জানায়। মা বাড়ি ফিরে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘আমার মেয়ের জীবন যে নষ্ট করেছে তাঁর বিচার চাই। আমরা গরিব মানুষ, আসামিরা প্রভাবশালী। তারা না কি টাকা দিয়ে সব কিনে ফেলেছে। তাই তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আমি টাকার অভাবে অসুস্থ মেয়ের দুটি টেস্ট করাতে পারিনি। ওষুধ কেনারও টাকা নেই।’
এবিষয়ে, কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, অভিযুক্তোর বিষয়ে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ আলী নামে এক ক্লিনিকের পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা মামলাটি করেন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুলছাত্রীকে তার নিজ বাড়িতে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে।
অভিযুক্ত ইউসুফ আলী উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাঞ্চনশ্বর কানার বাজার এলাকার মৃত আছমত আলীর ছেলে। তিনি রংপুর নিউ রূপসী বাংলা নামে একটি ক্লিনিকের পরিচালক।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিজের ক্লিনিকে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার সুবাদে পরিবারটির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে ইউসুফ আলীর। গতকাল দুপুরে মা শহরে গেলে বাড়িতে একা ছিলেন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী।
তখন তার মায়ের মোবাইল নম্বর নেওয়ার অজুহাতে বাড়িতে ঢোকেন ইউসুফ। এরপর তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।
পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সে তার মাকে মুঠোফোনে ঘটনাটি জানায়। মা বাড়ি ফিরে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘আমার মেয়ের জীবন যে নষ্ট করেছে তাঁর বিচার চাই। আমরা গরিব মানুষ, আসামিরা প্রভাবশালী। তারা না কি টাকা দিয়ে সব কিনে ফেলেছে। তাই তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আমি টাকার অভাবে অসুস্থ মেয়ের দুটি টেস্ট করাতে পারিনি। ওষুধ কেনারও টাকা নেই।’
এবিষয়ে, কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, অভিযুক্তোর বিষয়ে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন