সম্প্রতি বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে একান্ত সাক্ষাৎকার দেন জাতিসংঘের উপমহাসচিব ও মরুকরণ রোধবিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন সচিবালয়ের নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদ।
সাক্ষাৎকারে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উদ্যোগে ‘স্বচ্ছ জলরাশি ও সুজলা-সুফলা পাহাড়-পর্বত অমূল্য সম্পদ’-এর ধারণার প্রশংসা করে বলেন, যেকোনো শাসন-সংক্রান্ত উদ্যোগের মাধ্যমে অসাধারণ ফলাফল অর্জনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও অবিচল রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও অঙ্গীকার অপরিহার্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনে মরুভূমি ও বালুকাময় ভূমির আয়তন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে, যার ফলে দেশটি ভূমির অবক্ষয় রোধ ও পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বড় পরিসরের অন্যতম স্পষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠেছে। চীনের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্ব শিক্ষা নিতে পারে। এতে ভূমি পুনরুদ্ধার প্রকল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পরিচিতি, মানবতা ও প্রকৃতির সুষম সহাবস্থানভিত্তিক উন্নয়ন মডেল এবং শেখার প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত আছে।
তিনি বলেন, চীন ব্যাপক পরিসরে ভূমি পুনরুদ্ধারের কাজ করেছে। এটি ‘মরুকরণ রোধে জাতিসংঘের কনভেনশন’-এর আওতায় পরিচালিত ভূমি পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টারও একটি অন্যতম প্রধান উপাদান। চীন দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার কাঠামোর মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো দেশের প্রতিষ্ঠিত আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছে। এ সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবিলার উপায় খুঁজতে হবে। এ ছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মরুকরণ রোধের ক্ষেত্রে আমরা চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চালাতে ইচ্ছুক।
সূত্র: ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
সম্প্রতি বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে একান্ত সাক্ষাৎকার দেন জাতিসংঘের উপমহাসচিব ও মরুকরণ রোধবিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন সচিবালয়ের নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদ।
সাক্ষাৎকারে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উদ্যোগে ‘স্বচ্ছ জলরাশি ও সুজলা-সুফলা পাহাড়-পর্বত অমূল্য সম্পদ’-এর ধারণার প্রশংসা করে বলেন, যেকোনো শাসন-সংক্রান্ত উদ্যোগের মাধ্যমে অসাধারণ ফলাফল অর্জনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও অবিচল রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও অঙ্গীকার অপরিহার্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনে মরুভূমি ও বালুকাময় ভূমির আয়তন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে, যার ফলে দেশটি ভূমির অবক্ষয় রোধ ও পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বড় পরিসরের অন্যতম স্পষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠেছে। চীনের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্ব শিক্ষা নিতে পারে। এতে ভূমি পুনরুদ্ধার প্রকল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পরিচিতি, মানবতা ও প্রকৃতির সুষম সহাবস্থানভিত্তিক উন্নয়ন মডেল এবং শেখার প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত আছে।
তিনি বলেন, চীন ব্যাপক পরিসরে ভূমি পুনরুদ্ধারের কাজ করেছে। এটি ‘মরুকরণ রোধে জাতিসংঘের কনভেনশন’-এর আওতায় পরিচালিত ভূমি পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টারও একটি অন্যতম প্রধান উপাদান। চীন দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার কাঠামোর মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো দেশের প্রতিষ্ঠিত আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছে। এ সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবিলার উপায় খুঁজতে হবে। এ ছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মরুকরণ রোধের ক্ষেত্রে আমরা চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চালাতে ইচ্ছুক।
সূত্র: ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন