মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

চাকুরী প্রার্থীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ স্টার লাইন এর ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিনের বিরুদ্ধে

চাকুরী প্রার্থীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ স্টার লাইন এর ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিনের বিরুদ্ধে

‎চাকুরী প্রার্থীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ফেনীর স্টার লাইন হসপিটালের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিনের বিরুদ্ধে। 

জানা গেছে, একজন বিএমডিসি রেজিস্টার্ড ডিএমএফ চিকিৎসক সম্প্রতি স্টারলাইন হাসপাতালে চাকরির আবেদন নিয়ে যান। শাহ আলম নামে একজন প্রথমদিন আশ্বাস দিয়ে বলেন, জ্বী আমাদের ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে লোক প্রয়োজন। আপনি সিভি দিয়ে যান। আগামীকাল ভাইভার জন্য ডাকা হবে। ভাইস চেয়ারম্যান স্যার নেই আজকে। 

‎পরদিন ডাকা হয় ভাইভার জন্য। ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার সহ এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার কাজল, ভাইভা নেন। তবে সকাল ১১টাই ডেকে অহেতুক বসিয়ে রেখে দুপুর ২:৩০ এ ভাইভা নেয়। এবং বিকাল ৪:৩০ এ বলে আপনাকে জানানো হবে। তিনি ফেরত চলে আসেন। 

‎এরপর শাহ আলম আবার রাত্রে কল দিয়ে জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান স্যার নাই, এজন্য কিছুই জানানো হয়নি, উনিই কনফার্ম করবেন। উনি আসলে আপনাকে জয়েনিং এর ব্যাপারে কথা বলার জন্য ডাকা হবে। 

‎গত ১৯/০৮/২০২৬ সকাল ১১টায়, ফোন করে বলা হয়, চেয়ারম্যান স্যারের নাম্বারে একটা কল দেন। এরপর তিনি সেই নম্বরে কল করেন। 

‎কথার মধ্যে, সেই ভাইস চেয়ারম্যান জাফর, তাকে বলে বেস্ট ইন রেস্টুরেন্টের ৪ তলায় আসার জন্য। তখন তিনি প্রশ্ন করেন, ৩ তলা পর্যন্ত বেস্ট ইন রেস্টুরেন্ট, ৪ তলায় আবাসিক হোটেল। সেখানে কেন যাবো আমি? প্রত্যত্তরে জাফর বলেন, “সেখানে আমার অফিস আছে। আর শুনেছি আপনার হাজবেন্ডের সাথে নাকি আপনার মিল নেই।” অথচ এমন কোন ইস্যু'ই নেই। 

‎জাফর কি মিন করতে চাইছে, তা আঁচ পেয়ে, কিঞ্চিৎ রাগ দেখিয়ে ফোন কেটে আবার কল দেন শাহ আলমের কাছে। এবং জানতে চান, বেস্ট ইনে কি আপনাদের কোন অফিস আছে? শাহ আলম জানান, নেই। তখন তিনি বলেন, তাহলে তিনি কেন আমাকে বেস্ট ইনে ডাকছেন? শাহ আলম বলেন, তাহলে তো আমি জানিনা মা। এরপর সে কিছুটা বকাঝকা করে ব্লক করে দেয়।

সচেতন মহলের দাবি, ‎এমন কু/রু/চিপূর্ণ, ল/ম্প/ট একজন মানুষ কীভাবে একটা এতো বড় হাসপাতালের কতৃপক্ষ পদে থাকতে পারেন? তাহলে কি ধরে নেব, স্টারলাইন হাসপাতালে চাকরিরত সকল নারীই তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে চাকরি নিয়েছেন? চিকিৎসার মান নিয়ে আমি কোন কথা বলতে চাইনা। তবে ফেনীবাসীর নিরাপত্তা ও ভরসার বিরাট এক জায়গায় যদি এমন জা/নোয়া/রেরা বসে থাকে, তাহলে আমার আপনার মা, বোন, বউরা কিভাবে তাদের কাছে নিরাপদ? 

‎অচিরেই এমন বর্বোরচিত, মানসিক বিকারগ্রস্ত, মানুষকে পদ থেকে বরখাস্তের দাবী জানান স্থানীয়রা।

অভিযোগ রয়েছে, স্টারলাইনের বিপক্ষে কেউ'ই টিকতে পারেনি, তাদের ক্ষমতা ও জুলুমের শিকার ফেনীবাসী তা সবারই জানা। তবে এমন জঘন্য প্রতিষ্ঠানকে বয়কট করা উচিৎ, অন্তত নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে। যদি এই চ/রি/ত্র/হীন লু/চ্চা/র বিরুদ্ধে স্টারলাইন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে স্টারলাইন হাসপাতালকে চিরতরে বয়কট করার দাবি তাদের।

‎সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একজনের পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে মানুষের মাঝে উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। 

‎ফেনীবাসী ও ফেনী প্রশাসন এবং স্টারলাইন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই পোস্টে লিখেন, ফেনীর নিয়মিত সংবাদ মাধ্যমগুলোর তৎপর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জানি এদের বিপক্ষে নিউজ করার সাহসও কোন গণমাধ্যমের হবেনা। তবুও আমি নিজ নিজ স্তজায়গা থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

‎সচেতন ও সতর্ক হওয়ার কারণে একজন নারী হিসেবে শ্রীলতাহানি (ধ/র্ষ/ণের) হাত থেকে বেঁচে গেছে। অন্য কোন সহজ-সরল, অবলা নারী হলে নিশ্চিতভাবেই ধ/র্ষ/ণের খাতায় আজ আরোও একটি সংখ্যা বেড়ে যেত। 

দোষ হতো কার জানেন? নারীর! প্রশ্ন উঠতো নারীর চরিত্র নিয়ে। আমরা শুধু ভুক্তভোগীর দোষ খুঁজতে জানি, অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে জানিনা। এই সমস্ত ধ/র্ষ/ক দের হাত থেকে আমাদের মা-বোনদের নিরাপদে রাখতে সোচ্চার হোন। কথা বলতে শিখুন। প্রতিবাদ করুন। বয়কট করুন। তাও না পারলে অন্তত ঘৃণা করুন। এমন প্রায় প্রতিষ্ঠানেই ধ/র্ষ/ক জাফরেরা চেয়ার দখল করে বসে আছে।

‎.......চলবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


চাকুরী প্রার্থীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ স্টার লাইন এর ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিনের বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

‎চাকুরী প্রার্থীকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ফেনীর স্টার লাইন হসপিটালের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিনের বিরুদ্ধে। 

জানা গেছে, একজন বিএমডিসি রেজিস্টার্ড ডিএমএফ চিকিৎসক সম্প্রতি স্টারলাইন হাসপাতালে চাকরির আবেদন নিয়ে যান। শাহ আলম নামে একজন প্রথমদিন আশ্বাস দিয়ে বলেন, জ্বী আমাদের ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে লোক প্রয়োজন। আপনি সিভি দিয়ে যান। আগামীকাল ভাইভার জন্য ডাকা হবে। ভাইস চেয়ারম্যান স্যার নেই আজকে। 

‎পরদিন ডাকা হয় ভাইভার জন্য। ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার সহ এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার কাজল, ভাইভা নেন। তবে সকাল ১১টাই ডেকে অহেতুক বসিয়ে রেখে দুপুর ২:৩০ এ ভাইভা নেয়। এবং বিকাল ৪:৩০ এ বলে আপনাকে জানানো হবে। তিনি ফেরত চলে আসেন। 

‎এরপর শাহ আলম আবার রাত্রে কল দিয়ে জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান স্যার নাই, এজন্য কিছুই জানানো হয়নি, উনিই কনফার্ম করবেন। উনি আসলে আপনাকে জয়েনিং এর ব্যাপারে কথা বলার জন্য ডাকা হবে। 

‎গত ১৯/০৮/২০২৬ সকাল ১১টায়, ফোন করে বলা হয়, চেয়ারম্যান স্যারের নাম্বারে একটা কল দেন। এরপর তিনি সেই নম্বরে কল করেন। 

‎কথার মধ্যে, সেই ভাইস চেয়ারম্যান জাফর, তাকে বলে বেস্ট ইন রেস্টুরেন্টের ৪ তলায় আসার জন্য। তখন তিনি প্রশ্ন করেন, ৩ তলা পর্যন্ত বেস্ট ইন রেস্টুরেন্ট, ৪ তলায় আবাসিক হোটেল। সেখানে কেন যাবো আমি? প্রত্যত্তরে জাফর বলেন, “সেখানে আমার অফিস আছে। আর শুনেছি আপনার হাজবেন্ডের সাথে নাকি আপনার মিল নেই।” অথচ এমন কোন ইস্যু'ই নেই। 

‎জাফর কি মিন করতে চাইছে, তা আঁচ পেয়ে, কিঞ্চিৎ রাগ দেখিয়ে ফোন কেটে আবার কল দেন শাহ আলমের কাছে। এবং জানতে চান, বেস্ট ইনে কি আপনাদের কোন অফিস আছে? শাহ আলম জানান, নেই। তখন তিনি বলেন, তাহলে তিনি কেন আমাকে বেস্ট ইনে ডাকছেন? শাহ আলম বলেন, তাহলে তো আমি জানিনা মা। এরপর সে কিছুটা বকাঝকা করে ব্লক করে দেয়।

সচেতন মহলের দাবি, ‎এমন কু/রু/চিপূর্ণ, ল/ম্প/ট একজন মানুষ কীভাবে একটা এতো বড় হাসপাতালের কতৃপক্ষ পদে থাকতে পারেন? তাহলে কি ধরে নেব, স্টারলাইন হাসপাতালে চাকরিরত সকল নারীই তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে চাকরি নিয়েছেন? চিকিৎসার মান নিয়ে আমি কোন কথা বলতে চাইনা। তবে ফেনীবাসীর নিরাপত্তা ও ভরসার বিরাট এক জায়গায় যদি এমন জা/নোয়া/রেরা বসে থাকে, তাহলে আমার আপনার মা, বোন, বউরা কিভাবে তাদের কাছে নিরাপদ? 

‎অচিরেই এমন বর্বোরচিত, মানসিক বিকারগ্রস্ত, মানুষকে পদ থেকে বরখাস্তের দাবী জানান স্থানীয়রা।


অভিযোগ রয়েছে, স্টারলাইনের বিপক্ষে কেউ'ই টিকতে পারেনি, তাদের ক্ষমতা ও জুলুমের শিকার ফেনীবাসী তা সবারই জানা। তবে এমন জঘন্য প্রতিষ্ঠানকে বয়কট করা উচিৎ, অন্তত নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে। যদি এই চ/রি/ত্র/হীন লু/চ্চা/র বিরুদ্ধে স্টারলাইন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে স্টারলাইন হাসপাতালকে চিরতরে বয়কট করার দাবি তাদের।

‎সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একজনের পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে মানুষের মাঝে উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। 

‎ফেনীবাসী ও ফেনী প্রশাসন এবং স্টারলাইন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই পোস্টে লিখেন, ফেনীর নিয়মিত সংবাদ মাধ্যমগুলোর তৎপর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জানি এদের বিপক্ষে নিউজ করার সাহসও কোন গণমাধ্যমের হবেনা। তবুও আমি নিজ নিজ স্তজায়গা থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

‎সচেতন ও সতর্ক হওয়ার কারণে একজন নারী হিসেবে শ্রীলতাহানি (ধ/র্ষ/ণের) হাত থেকে বেঁচে গেছে। অন্য কোন সহজ-সরল, অবলা নারী হলে নিশ্চিতভাবেই ধ/র্ষ/ণের খাতায় আজ আরোও একটি সংখ্যা বেড়ে যেত। 


দোষ হতো কার জানেন? নারীর! প্রশ্ন উঠতো নারীর চরিত্র নিয়ে। আমরা শুধু ভুক্তভোগীর দোষ খুঁজতে জানি, অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে জানিনা। এই সমস্ত ধ/র্ষ/ক দের হাত থেকে আমাদের মা-বোনদের নিরাপদে রাখতে সোচ্চার হোন। কথা বলতে শিখুন। প্রতিবাদ করুন। বয়কট করুন। তাও না পারলে অন্তত ঘৃণা করুন। এমন প্রায় প্রতিষ্ঠানেই ধ/র্ষ/ক জাফরেরা চেয়ার দখল করে বসে আছে।

‎.......চলবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই