সাতক্ষীরার ন্যাচারাল হেলথ সেন্টার ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এম. হাফিজুর রহমানকে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে ‘সাতক্ষীরায় ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের কার্যক্রম ও চিকিৎসক এম. হাফিজুর রহমানকে নিয়ে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নামমাত্র মূল্যে প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা পরামর্শসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় দেড় মাস আগে ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যন্ত ১৫ দিন পরপর মাত্র তিন দিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেখানে সেবা দিয়েছেন এবং মোট ১৬ জন রোগী চিকিৎসা পরামর্শ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এখানে রোগীদের কাছ থেকে সাধারণত ৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে দরিদ্র নারী ও অসচ্ছল রোগীদের বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হয়। প্রকাশিত সংবাদের মতো সেখানে কোনো ধরনের নির্দিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় না বলেও জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ন্যাচারাল হেলথ সেন্টার মূলত একটি চিকিৎসা পরামর্শকেন্দ্র। রোগীর প্রাথমিক কিছু শারীরিক অসুবিধা বোঝার জন্য চিকিৎসক একটি অ্যানালাইজার সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন এবং এ জন্য রোগীর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয় না।
রোগীর বিশেষ কোনো সমস্যা বা ত্রুটি সন্দেহ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক এম. হাফিজুর রহমান কিছু পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। রোগীরা নিজেদের সুবিধামতো অন্য যেকোনো অনুমোদিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এম. হাফিজুর রহমান নিজেকে বিএইউএমএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক ও খাদ্য ও পুষ্টিবিদ হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা ও পরামর্শসেবা দিয়ে আসছেন বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবাদে আরও অভিযোগ করা হয়, ইদ্রিস আলী নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে হঠাৎ চিকিৎসকের চেম্বারে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি চিকিৎসককে হেনস্তার চেষ্টা ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি চিকিৎসকের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন বলেও প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়। তবে চিকিৎসক কোনো অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের পরিচালক ও সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব সবুজকে বিষয়টি জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, পরে সোহরাব সবুজ ওই ব্যক্তিকে বিষয়টি বুঝিয়ে চেম্বার থেকে বের করে দেন। এ সময় ওই ব্যক্তি চিকিৎসককে হুমকি দিয়ে চলে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবাদকারীদের ভাষ্য, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই চিকিৎসক ও ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারকে জড়িয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একজন চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদ এম. হাফিজুর রহমান।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরার ন্যাচারাল হেলথ সেন্টার ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এম. হাফিজুর রহমানকে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে ‘সাতক্ষীরায় ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের কার্যক্রম ও চিকিৎসক এম. হাফিজুর রহমানকে নিয়ে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নামমাত্র মূল্যে প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা পরামর্শসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় দেড় মাস আগে ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যন্ত ১৫ দিন পরপর মাত্র তিন দিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেখানে সেবা দিয়েছেন এবং মোট ১৬ জন রোগী চিকিৎসা পরামর্শ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এখানে রোগীদের কাছ থেকে সাধারণত ৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে দরিদ্র নারী ও অসচ্ছল রোগীদের বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হয়। প্রকাশিত সংবাদের মতো সেখানে কোনো ধরনের নির্দিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় না বলেও জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ন্যাচারাল হেলথ সেন্টার মূলত একটি চিকিৎসা পরামর্শকেন্দ্র। রোগীর প্রাথমিক কিছু শারীরিক অসুবিধা বোঝার জন্য চিকিৎসক একটি অ্যানালাইজার সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন এবং এ জন্য রোগীর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয় না।
রোগীর বিশেষ কোনো সমস্যা বা ত্রুটি সন্দেহ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক এম. হাফিজুর রহমান কিছু পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। রোগীরা নিজেদের সুবিধামতো অন্য যেকোনো অনুমোদিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এম. হাফিজুর রহমান নিজেকে বিএইউএমএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক ও খাদ্য ও পুষ্টিবিদ হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা ও পরামর্শসেবা দিয়ে আসছেন বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবাদে আরও অভিযোগ করা হয়, ইদ্রিস আলী নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে হঠাৎ চিকিৎসকের চেম্বারে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি চিকিৎসককে হেনস্তার চেষ্টা ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি চিকিৎসকের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন বলেও প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়। তবে চিকিৎসক কোনো অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের পরিচালক ও সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব সবুজকে বিষয়টি জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, পরে সোহরাব সবুজ ওই ব্যক্তিকে বিষয়টি বুঝিয়ে চেম্বার থেকে বের করে দেন। এ সময় ওই ব্যক্তি চিকিৎসককে হুমকি দিয়ে চলে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবাদকারীদের ভাষ্য, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই চিকিৎসক ও ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারকে জড়িয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একজন চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদ এম. হাফিজুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন