কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ১২নং আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের একাধিক নেতা দল থেকে পদত্যাগ করার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে লিখিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই আড্ডা বাজারে এক ছাত্র বলাৎকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতার সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ওমর ফারুক হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে।
অভিযোগ উঠেছে, গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী থাকা সত্ত্বেও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা ওমর ফারুক হৃদয়ের জামিন কিংবা তাকে মুক্ত করার বিষয়ে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি। নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা এবং সার্বিক সাংগঠনিক কার্যক্রমে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন অন্য নেতারা।
তথ্য অনুযায়ী, পদত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন– ১২নং আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. মাহবুব মুন্সী, মেহেদী হাসান, প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আরিফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজহার উদ্দিন, ক্রিড়া সম্পাদক আসিফ মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন এবং ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শাহরিয়ার মাহমুদ।
পদত্যাগপত্রে নেতারা উল্লেখ করেন, “সংগঠনের বর্তমান সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভূমিকায় আমরা চরমভাবে হতাশ। ফলে স্বেচ্ছায় সংগঠনের সব ধরনের পদ ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বরুড়া উপজেলা বা আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দায়িত্বশীল উচ্চপর্যায়ের নেতাদের কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ১২নং আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের একাধিক নেতা দল থেকে পদত্যাগ করার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে লিখিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই আড্ডা বাজারে এক ছাত্র বলাৎকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতার সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ওমর ফারুক হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে।
অভিযোগ উঠেছে, গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী থাকা সত্ত্বেও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা ওমর ফারুক হৃদয়ের জামিন কিংবা তাকে মুক্ত করার বিষয়ে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি। নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা এবং সার্বিক সাংগঠনিক কার্যক্রমে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন অন্য নেতারা।
তথ্য অনুযায়ী, পদত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন– ১২নং আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. মাহবুব মুন্সী, মেহেদী হাসান, প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আরিফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজহার উদ্দিন, ক্রিড়া সম্পাদক আসিফ মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন এবং ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শাহরিয়ার মাহমুদ।
পদত্যাগপত্রে নেতারা উল্লেখ করেন, “সংগঠনের বর্তমান সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভূমিকায় আমরা চরমভাবে হতাশ। ফলে স্বেচ্ছায় সংগঠনের সব ধরনের পদ ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বরুড়া উপজেলা বা আড্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দায়িত্বশীল উচ্চপর্যায়ের নেতাদের কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন