মুক্তির লড়াই

কৃষকের জানালা

আত্রাইয়ের ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে গণস্বাক্ষর

আত্রাইয়ের ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে গণস্বাক্ষর
প্রতিকী ছবি।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশা ইউনিয়নের নদীর দক্ষিণ তীরে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে গণস্বাক্ষর করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কৃষকদের পক্ষে এ আবেদন করা হয়। আজও সমস্যার সমাধান হয়নি। 

কৃষকদের অভিযোগ, ইউনিয়নের একাধিক গ্রামের মানুষকে কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে আত্রাই-গুড় নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়। এতে শুধু সময়ের অপচয়ই নয়, সার পরিবহন ও নদী পারাপারে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ৬০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি কৃষকদের ভোগান্তিও বেড়েছে।

আবেদনের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম।


স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশা ইউনিয়নের প্রায় মাঝ বরাবর দিয়ে আত্রাই-গুড় নদী প্রবাহিত হয়েছে। নদীর দক্ষিণ তীরে হরিপুর, সুদরানা, বিশা, বৈঠাখালী, ডুবাই, উদয়পুর, পারমোহনঘোষ, থলওলমাসহ প্রায় ১২টি গ্রাম রয়েছে।

এসব গ্রামের বিপুলসংখ্যক কৃষক কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দক্ষিণ তীরে কৃষকদের জন্য সার বিক্রির নির্ধারিত কেন্দ্র না থাকায় তাদের সার সংগ্রহের জন্য নদীর উত্তর তীরে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়।

স্থানীয়দের দাবি, সমসপাড়া বাজারে বর্তমানে একজন বিসিআইসি এবং দুজন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। ফলে দক্ষিণ তীরের কৃষকদের সার সংগ্রহের জন্য নদী পার হয়ে ওই বাজারে যেতে হয়।

কৃষকদের ভাষ্য, ধান, আলু, সবজি ও অন্যান্য ফসলের মৌসুমে সার প্রয়োজন হয় নিয়মিত। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে অল্প পরিমাণ সার সংগ্রহের জন্যও নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়।

নদী পারাপারের ব্যবস্থা, নৌযানের অপেক্ষা এবং সার বহন করে বাড়ি ফেরার কারণে সময় বেশি লাগে। কোনো কোনো কৃষকের ক্ষেত্রে সার সংগ্রহের পেছনে কয়েক ঘণ্টা চলে যায়। এতে কৃষিকাজের পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য কাজেও প্রভাব পড়ে।

কৃষকদের দাবি, ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একটি সার বিক্রয়কেন্দ্র থাকলে দক্ষিণ তীরের কয়েকটি গ্রামের মানুষ নিজ এলাকায় থেকেই প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে সময় ও পরিবহন ব্যয়—দুই-ই কমবে।

হরিপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সার নিতে গেলে নদী পার হওয়ার জন্য অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। সার কেনার পর আবার নদী পার হয়ে বাড়িতে ফিরতে হয়। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় চলে যায়। কোনো কোনো দিন অর্ধেক দিন পার হয়ে যায়। ফলে কৃষিকাজ ও সংসারের অন্যান্য কাজেও ক্ষতি হয়,আজও সমস্যার সমাধান হয়নি, কেন হচ্ছে না? সময় মতো সার না পেলে কৃষকদের ভোগান্তির শেষ হবে না। 

বৈঠাখালী গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান বলেন, ১০ কেজি সার প্রয়োজন হলেও নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়। অল্প পরিমাণ সার কিনলেও যাতায়াতের খরচ ও সময় একইভাবে লাগে। স্থানীয় বাজারে সার ডিলার থাকলে এ সমস্যা থাকত না।

ডুবাই গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, নদীর ওপার থেকে সার আনতে বস্তাপ্রতি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা অতিরিক্ত খরচ পড়ে। ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার থাকলে ভ্যান বা অন্য কোনো স্থানীয় পরিবহনে সহজেই সার বাড়িতে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে কৃষকদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নেন। পরে এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।

গণস্বাক্ষর শেষে বুধবার বিকেলে কৃষকদের একটি প্রতিনিধি দল আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন।

আবেদনে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন সার ডিলার নিয়োগের পাশাপাশি দক্ষিণ তীরের কৃষকদের সার সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দুর্ভোগ ও অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়।


আত্রাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী বলেন, “বিশা ইউনিয়নে নতুন সার ডিলার নিয়োগের জন্য ১২ জন আবেদন করেছেন। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থায় সার ডিলারদের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ ও বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বিএডিসির তথ্য অনুযায়ী, সার ডিলার নিবন্ধনের আবেদন যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া রয়েছে।

অন্যদিকে বিসিআইসির নাগরিক সনদে বলা হয়েছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের ভিত্তিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সার বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ডিলারদের অনুকূলে বরাদ্দপত্র দেওয়া হয়।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, “ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে ওই এলাকার কৃষকরা একটি আবেদন করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষকদের প্রত্যাশা, তাদের আবেদনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হলে নদীর দক্ষিণ তীরের কৃষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে সার সংগ্রহে সময় ও অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় কমায় কৃষি উৎপাদন খরচও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, কৃষিপ্রধান এ এলাকার কৃষকদের সহজে ও সময়মতো সার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে মৌসুমি ফসলের চাষাবাদে গতি আসবে এবং কৃষকদের বাড়তি যাতায়াতের চাপও কমবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আত্রাইয়ের ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে গণস্বাক্ষর

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশা ইউনিয়নের নদীর দক্ষিণ তীরে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে গণস্বাক্ষর করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কৃষকদের পক্ষে এ আবেদন করা হয়। আজও সমস্যার সমাধান হয়নি। 


কৃষকদের অভিযোগ, ইউনিয়নের একাধিক গ্রামের মানুষকে কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে আত্রাই-গুড় নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়। এতে শুধু সময়ের অপচয়ই নয়, সার পরিবহন ও নদী পারাপারে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ৬০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি কৃষকদের ভোগান্তিও বেড়েছে।


আবেদনের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম।


স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশা ইউনিয়নের প্রায় মাঝ বরাবর দিয়ে আত্রাই-গুড় নদী প্রবাহিত হয়েছে। নদীর দক্ষিণ তীরে হরিপুর, সুদরানা, বিশা, বৈঠাখালী, ডুবাই, উদয়পুর, পারমোহনঘোষ, থলওলমাসহ প্রায় ১২টি গ্রাম রয়েছে।


এসব গ্রামের বিপুলসংখ্যক কৃষক কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দক্ষিণ তীরে কৃষকদের জন্য সার বিক্রির নির্ধারিত কেন্দ্র না থাকায় তাদের সার সংগ্রহের জন্য নদীর উত্তর তীরে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়।


স্থানীয়দের দাবি, সমসপাড়া বাজারে বর্তমানে একজন বিসিআইসি এবং দুজন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। ফলে দক্ষিণ তীরের কৃষকদের সার সংগ্রহের জন্য নদী পার হয়ে ওই বাজারে যেতে হয়।


কৃষকদের ভাষ্য, ধান, আলু, সবজি ও অন্যান্য ফসলের মৌসুমে সার প্রয়োজন হয় নিয়মিত। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে অল্প পরিমাণ সার সংগ্রহের জন্যও নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়।


নদী পারাপারের ব্যবস্থা, নৌযানের অপেক্ষা এবং সার বহন করে বাড়ি ফেরার কারণে সময় বেশি লাগে। কোনো কোনো কৃষকের ক্ষেত্রে সার সংগ্রহের পেছনে কয়েক ঘণ্টা চলে যায়। এতে কৃষিকাজের পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য কাজেও প্রভাব পড়ে।


কৃষকদের দাবি, ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একটি সার বিক্রয়কেন্দ্র থাকলে দক্ষিণ তীরের কয়েকটি গ্রামের মানুষ নিজ এলাকায় থেকেই প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে সময় ও পরিবহন ব্যয়—দুই-ই কমবে।


হরিপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সার নিতে গেলে নদী পার হওয়ার জন্য অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। সার কেনার পর আবার নদী পার হয়ে বাড়িতে ফিরতে হয়। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় চলে যায়। কোনো কোনো দিন অর্ধেক দিন পার হয়ে যায়। ফলে কৃষিকাজ ও সংসারের অন্যান্য কাজেও ক্ষতি হয়,আজও সমস্যার সমাধান হয়নি, কেন হচ্ছে না? সময় মতো সার না পেলে কৃষকদের ভোগান্তির শেষ হবে না। 


বৈঠাখালী গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান বলেন, ১০ কেজি সার প্রয়োজন হলেও নদী পার হয়ে সমসপাড়া বাজারে যেতে হয়। অল্প পরিমাণ সার কিনলেও যাতায়াতের খরচ ও সময় একইভাবে লাগে। স্থানীয় বাজারে সার ডিলার থাকলে এ সমস্যা থাকত না।


ডুবাই গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, নদীর ওপার থেকে সার আনতে বস্তাপ্রতি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা অতিরিক্ত খরচ পড়ে। ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার থাকলে ভ্যান বা অন্য কোনো স্থানীয় পরিবহনে সহজেই সার বাড়িতে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে কৃষকদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।


স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নেন। পরে এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।


গণস্বাক্ষর শেষে বুধবার বিকেলে কৃষকদের একটি প্রতিনিধি দল আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন।


আবেদনে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন সার ডিলার নিয়োগের পাশাপাশি দক্ষিণ তীরের কৃষকদের সার সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দুর্ভোগ ও অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়।


আত্রাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী বলেন, “বিশা ইউনিয়নে নতুন সার ডিলার নিয়োগের জন্য ১২ জন আবেদন করেছেন। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থায় সার ডিলারদের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ ও বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বিএডিসির তথ্য অনুযায়ী, সার ডিলার নিবন্ধনের আবেদন যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া রয়েছে।


অন্যদিকে বিসিআইসির নাগরিক সনদে বলা হয়েছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের ভিত্তিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সার বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ডিলারদের অনুকূলে বরাদ্দপত্র দেওয়া হয়।


আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, “ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে একজন সার ডিলার নিয়োগের দাবিতে ওই এলাকার কৃষকরা একটি আবেদন করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কৃষকদের প্রত্যাশা, তাদের আবেদনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে সার ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হলে নদীর দক্ষিণ তীরের কৃষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে সার সংগ্রহে সময় ও অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় কমায় কৃষি উৎপাদন খরচও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, কৃষিপ্রধান এ এলাকার কৃষকদের সহজে ও সময়মতো সার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে মৌসুমি ফসলের চাষাবাদে গতি আসবে এবং কৃষকদের বাড়তি যাতায়াতের চাপও কমবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই