শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে অপ্রতিম আর ফেরিনি বলে জানান তার মা। এ ঘটনায় অপ্রতিমের বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।
শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ম্যাজিক প্যারাডাইস সংলগ্ন পশ্চিম সানন্দা থেকে নিখোঁজ অপ্রতিমের মরদেহ পাএয়া যায়। সে কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদের ছেলে অপ্রতীম গতকাল দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বন্ধুদের সঙ্গে আইফোনে ছবি তুলতে বের হয়েছিল সে। পরে তার সর্বশেষ লোকেশন কোটবাড়ি গন্ধমতী এলাকায় দেখালেও সেখানে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অবশেষে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের দক্ষিণ মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে অবস্থিত জঙ্গলে তার মরদেহের সন্ধান মেলে। মরদেহটি রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
এরই মাঝে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধী কে চিহ্নিত করার আশ্বাস প্রদান করেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করে।
অপ্রতীমের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায়ও নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে অপ্রতিম আর ফেরিনি বলে জানান তার মা। এ ঘটনায় অপ্রতিমের বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।
শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ম্যাজিক প্যারাডাইস সংলগ্ন পশ্চিম সানন্দা থেকে নিখোঁজ অপ্রতিমের মরদেহ পাএয়া যায়। সে কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদের ছেলে অপ্রতীম গতকাল দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বন্ধুদের সঙ্গে আইফোনে ছবি তুলতে বের হয়েছিল সে। পরে তার সর্বশেষ লোকেশন কোটবাড়ি গন্ধমতী এলাকায় দেখালেও সেখানে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অবশেষে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের দক্ষিণ মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে অবস্থিত জঙ্গলে তার মরদেহের সন্ধান মেলে। মরদেহটি রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
এরই মাঝে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধী কে চিহ্নিত করার আশ্বাস প্রদান করেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করে।
অপ্রতীমের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায়ও নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন