দিনের আলোয় যাত্রীদের কোলাহলে মুখর মোবারকগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন। কিন্তু রাত নামলেই বদলে যায় পুরো চিত্র। নেমে আসে নীরবতা, অন্ধকার আর আতঙ্ক। স্টেশনে নেয় রেল পুলিশের কোন নিরাপত্তা ক্যাম্প, নেই পর্যাপ্ত আলোরও ব্যবস্থা। নেই যাত্রীদের নিরাপদে এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার জন্য ফুট ওভারব্রিজ। ফলে রাতের ট্রেনের যাত্রীরা বরাবরই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, সুযোগ বুঝে ছিনতাইয়ের পাশাপাশি নারী যাত্রীরা ইভটিজিং ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গভীর রাতে প্ল্যাটফর্মে মাদকসেবীদের আড্ডা বসার অভিযোগও রয়েছে।
➡️ নিরাপত্তা ক্যাম্প নেয়
➡️ পর্যাপ্ত আলোর ব্যাবস্থা
➡️ ছিনতাই-হয়রানির শঙ্কায় যাত্রীরা
➡️ গভীর রাতে প্ল্যাটফর্মে মাদকের আড্ডা
➡️ যাত্রীসেবার মান নিম্নমুখী
স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই রেলস্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি থাকলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে রাতের বেলায় স্টেশনে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য না থাকায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের অন্যতম বড় সমস্যা হলো ফুট ওভারব্রিজ না থাকা। এক নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে যেতে যাত্রীদের সরাসরি রেললাইন পার হতে হয়। ট্রেন আসা-যাওয়ার সময়ও অনেককে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হতে দেখা যায়। বিশেষ করে শিশু নারী ও বয়স্ক যাত্রীদের পড়তে হয় চরম বিড়ম্বনায়। এভাবে পারাপারের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পড়ার আশঙ্কা থাকে । যাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয় না । এছাড়াও স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম উঁচু নিচু থাকার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। ২৬ সেপ্টেম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে উঠতে গিয়ে রাবেয়া খাতুন নামের এক যাত্রীর দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই নারীর মৃত্যু ঘটে। ঢাকা থেকে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেসের যাত্রী আরিফ হোসেন বলেন, “মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে রাতের বেলা নিরাপত্তার খুব ঘাটতি রয়েছে। রাতে প্রশাসনের লোকজন তেমন দেখা যায় না। খুব ভয়ভয় লাগে। স্টেশনের প্রধান সড়ক প্ল্যাটফর্ম ও আশপাশে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে।অনেক যাত্রী হয়ে যেতে পারেন না। তারা অপেক্ষা করেন কখন সকাল হবে।
প্ল্যাটফর্মের শেষ মাথা হতে বাবরা রেল গেট পর্যন্ত এলাকায় দু'পাশে কোন নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় প্রায় চোর চক্রের সদস্যদের দ্বারা চুরি ছিনতায়ের মত ঘটনা ঘটে থাকে। এছাড়াও রাতের বেলায় রেল লাইনের ল্যাম্পপোস্টগুলোতে বাতি জ্বলার কথা থাকলো তা জ্বলে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাতে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বসে মাদকসেবীদের আড্ডা চলে। অন্ধকার ও নিরাপত্তাকর্মীর স্বল্পতার সুযোগে মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়ে।
এলাকাবাসীর দাবি, মাদকের আড্ডা বন্ধ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারি প্রয়োজন।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে যাতায়াতের জন্য রয়েছে একটি মাত্র সড়ক। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির অবস্থাও বেহাল। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে ।
স্টেশনের প্রবেশপথের সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করা অতীব জরুরী হয়ে পড়লেও পৌর কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করে। ।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন দিয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। খুলনা থেকে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস ও লোকাল নকশীকাঁথা ট্রেন এ স্টেশনে যাতায়াত করে। এছাড়া রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস এবং চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন লোকাল ট্রেন, রকেট ও মহানন্দ ট্রেনও এ স্টেশন হয়ে চলাচল করে।
স্টেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ৯০০ যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। অথচ রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রী সেবার মান উন্নত করার জন্য ইস্টেশনটি আধুনিকায়ন করার ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসীন।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহাজান শেখ বলেন, “এই স্টেশন থেকে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৯০০ যাত্রী বিভিন্ন প্রান্তে আসা-যাওয়া করেন। স্টেশনটি আধুনিকায়ন, নিরাপত্তা ক্যাম্প স্থাপন এবং ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হলে যাত্রীদের আরও ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।”
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী বলেন, আমি সবেমাত্র যোগদান করেছি। মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের যাত্রীদের বিশেষ করে রাতের বেলা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন অভিমুখের প্রধান সড়কটি সংস্কারের জন্য আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম।কিন্তু রাস্তাটির কাজ করতে রেল কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকার কারণে করা সম্ভব হয়নি। সড়ক বাতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে প্রতিটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে লাইট জানানোর ব্যবস্থা করব।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন এখন আর শুধু একটি রেলস্টেশন নয়—এটি প্রতিদিন শত শত মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনের আলোয় যাত্রীদের কোলাহলে মুখর মোবারকগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন। কিন্তু রাত নামলেই বদলে যায় পুরো চিত্র। নেমে আসে নীরবতা, অন্ধকার আর আতঙ্ক। স্টেশনে নেয় রেল পুলিশের কোন নিরাপত্তা ক্যাম্প, নেই পর্যাপ্ত আলোরও ব্যবস্থা। নেই যাত্রীদের নিরাপদে এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার জন্য ফুট ওভারব্রিজ। ফলে রাতের ট্রেনের যাত্রীরা বরাবরই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, সুযোগ বুঝে ছিনতাইয়ের পাশাপাশি নারী যাত্রীরা ইভটিজিং ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গভীর রাতে প্ল্যাটফর্মে মাদকসেবীদের আড্ডা বসার অভিযোগও রয়েছে।
➡️ নিরাপত্তা ক্যাম্প নেয়
➡️ পর্যাপ্ত আলোর ব্যাবস্থা
➡️ ছিনতাই-হয়রানির শঙ্কায় যাত্রীরা
➡️ গভীর রাতে প্ল্যাটফর্মে মাদকের আড্ডা
➡️ যাত্রীসেবার মান নিম্নমুখী
স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই রেলস্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি থাকলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে রাতের বেলায় স্টেশনে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য না থাকায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের অন্যতম বড় সমস্যা হলো ফুট ওভারব্রিজ না থাকা। এক নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে যেতে যাত্রীদের সরাসরি রেললাইন পার হতে হয়। ট্রেন আসা-যাওয়ার সময়ও অনেককে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হতে দেখা যায়। বিশেষ করে শিশু নারী ও বয়স্ক যাত্রীদের পড়তে হয় চরম বিড়ম্বনায়। এভাবে পারাপারের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পড়ার আশঙ্কা থাকে । যাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয় না । এছাড়াও স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম উঁচু নিচু থাকার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। ২৬ সেপ্টেম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে উঠতে গিয়ে রাবেয়া খাতুন নামের এক যাত্রীর দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই নারীর মৃত্যু ঘটে। ঢাকা থেকে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেসের যাত্রী আরিফ হোসেন বলেন, “মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে রাতের বেলা নিরাপত্তার খুব ঘাটতি রয়েছে। রাতে প্রশাসনের লোকজন তেমন দেখা যায় না। খুব ভয়ভয় লাগে। স্টেশনের প্রধান সড়ক প্ল্যাটফর্ম ও আশপাশে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে।অনেক যাত্রী হয়ে যেতে পারেন না। তারা অপেক্ষা করেন কখন সকাল হবে।
প্ল্যাটফর্মের শেষ মাথা হতে বাবরা রেল গেট পর্যন্ত এলাকায় দু'পাশে কোন নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় প্রায় চোর চক্রের সদস্যদের দ্বারা চুরি ছিনতায়ের মত ঘটনা ঘটে থাকে। এছাড়াও রাতের বেলায় রেল লাইনের ল্যাম্পপোস্টগুলোতে বাতি জ্বলার কথা থাকলো তা জ্বলে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাতে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বসে মাদকসেবীদের আড্ডা চলে। অন্ধকার ও নিরাপত্তাকর্মীর স্বল্পতার সুযোগে মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়ে।
এলাকাবাসীর দাবি, মাদকের আড্ডা বন্ধ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারি প্রয়োজন।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে যাতায়াতের জন্য রয়েছে একটি মাত্র সড়ক। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির অবস্থাও বেহাল। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে ।
স্টেশনের প্রবেশপথের সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করা অতীব জরুরী হয়ে পড়লেও পৌর কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করে। ।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন দিয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। খুলনা থেকে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস ও লোকাল নকশীকাঁথা ট্রেন এ স্টেশনে যাতায়াত করে। এছাড়া রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস এবং চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন লোকাল ট্রেন, রকেট ও মহানন্দ ট্রেনও এ স্টেশন হয়ে চলাচল করে।
স্টেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ৯০০ যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। অথচ রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রী সেবার মান উন্নত করার জন্য ইস্টেশনটি আধুনিকায়ন করার ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসীন।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহাজান শেখ বলেন, “এই স্টেশন থেকে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৯০০ যাত্রী বিভিন্ন প্রান্তে আসা-যাওয়া করেন। স্টেশনটি আধুনিকায়ন, নিরাপত্তা ক্যাম্প স্থাপন এবং ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হলে যাত্রীদের আরও ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।”
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী বলেন, আমি সবেমাত্র যোগদান করেছি। মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের যাত্রীদের বিশেষ করে রাতের বেলা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন অভিমুখের প্রধান সড়কটি সংস্কারের জন্য আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম।কিন্তু রাস্তাটির কাজ করতে রেল কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকার কারণে করা সম্ভব হয়নি। সড়ক বাতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে প্রতিটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে লাইট জানানোর ব্যবস্থা করব।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন এখন আর শুধু একটি রেলস্টেশন নয়—এটি প্রতিদিন শত শত মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন