কুমিল্লার বরুড়ায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে বরুড়া থানা পুলিশ। একই সাথে সিলেট থেকে এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক স্বামী এরশাদ হোসেনকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত এরশাদ বিজ্ঞ আদালতে স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বরুড়া থানাধীন চিতড্ডা ইউনিয়নের উত্তর ওড্ডা এলাকায় সোলেমান সরকারের ধানী জমির পাশে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় ও সুনির্দিষ্ট কোনো ক্লু না পাওয়ায় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে অজ্ঞাত হিসেবে দাফন করা হয় এবং বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৬/১৮১, তারিখ-১২.০৯.২০২৬ খ্রি.) রজু করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) সাঈদ মিয়ার নিবিড় তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামী এরশাদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সে বরুড়া থানার ওড্ডা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত নারীর নাম রোজিনা বেগম (৩২), যিনি অভিযুক্ত এরশাদের স্ত্রী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করে যে, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সে তার স্ত্রী রোজিনা বেগমকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করে রেখেছিল।
পরবর্তীতে ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গ্রেফতারকৃত আসামি এরশাদ হোসেন কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে স্ত্রীকে হত্যার বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে বরুড়া থানা পুলিশ। একই সাথে সিলেট থেকে এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক স্বামী এরশাদ হোসেনকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত এরশাদ বিজ্ঞ আদালতে স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বরুড়া থানাধীন চিতড্ডা ইউনিয়নের উত্তর ওড্ডা এলাকায় সোলেমান সরকারের ধানী জমির পাশে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় ও সুনির্দিষ্ট কোনো ক্লু না পাওয়ায় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে অজ্ঞাত হিসেবে দাফন করা হয় এবং বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৬/১৮১, তারিখ-১২.০৯.২০২৬ খ্রি.) রজু করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) সাঈদ মিয়ার নিবিড় তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামী এরশাদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সে বরুড়া থানার ওড্ডা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত নারীর নাম রোজিনা বেগম (৩২), যিনি অভিযুক্ত এরশাদের স্ত্রী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করে যে, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সে তার স্ত্রী রোজিনা বেগমকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করে রেখেছিল।
পরবর্তীতে ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গ্রেফতারকৃত আসামি এরশাদ হোসেন কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে স্ত্রীকে হত্যার বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আপনার মতামত লিখুন