কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জান্নাতুল তাজমিন (১৫) নামে এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জগতপুর গ্রামের কাছিকাটা মসজিদসংলগ্ন কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জান্নাতুল তাজমিন কুমিল্লা শহরের ফরিদা বিদ্যায়নের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সে যশোর জেলার সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা শহরের রেইসকোর্স এলাকায় বসবাস করত। তার বাবা আব্দুল আলিম একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সড়কের পাশে এক কিশোরীর নিথর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন।
ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে একটি সিএনজি ও একটি স্কুলব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সিএনজি, ব্যাগসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরদেহের পরনে পোশাক এলোমেলো অবস্থায় ছিল। তবে কীভাবে এবং কী কারণে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। লালমাই থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জান্নাতুল তাজমিন (১৫) নামে এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জগতপুর গ্রামের কাছিকাটা মসজিদসংলগ্ন কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জান্নাতুল তাজমিন কুমিল্লা শহরের ফরিদা বিদ্যায়নের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সে যশোর জেলার সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা শহরের রেইসকোর্স এলাকায় বসবাস করত। তার বাবা আব্দুল আলিম একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সড়কের পাশে এক কিশোরীর নিথর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন।
ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে একটি সিএনজি ও একটি স্কুলব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সিএনজি, ব্যাগসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরদেহের পরনে পোশাক এলোমেলো অবস্থায় ছিল। তবে কীভাবে এবং কী কারণে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। লালমাই থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন