ঢাকা   বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিরা।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নির্বাচন পরিচালনার আইনি কাঠামো, রাজনৈতিক ও প্রচারণার পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের পক্ষে ইরিনি মারিয়া গৌনারি ও মারসেল নাগী বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় তারা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, নির্বাচন আইন, আচরণবিধি এবং আইনের শাসন নিশ্চিতের বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা নেন। সভায় ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুবসহ অন্যান্য আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পাদিত প্রশাসনিক চুক্তির আওতায় গঠিত ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সারা দেশে পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে।

ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে / বুড়িচংয়ে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি / ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারে সয়লাব কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে

স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

কালীগঞ্জে ওমর শেখ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে, হলফনামায় এই সংক্রান্ত মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগও আনা হয়েছে। কনকাপৈত ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন গত শনিবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই অভিযোগ করেন। দাখিলকৃত হলফনামায় মনির হোসেন উল্লেখ করেন, কামরুল হুদার যৌথ মালিকানাধীন মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের গ্যাস মিটারে একাধিকবার অবৈধ হস্তক্ষেপ (মিটার টেম্পারিং) করা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ১০ টাকা সরকারি বকেয়া রয়েছে। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৯ (তারিখ ০৭/০২/২০১৮), জিআর নং-৪৩/১৮ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৫০/২০২০ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগকারীর মতে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত পরিপত্র নং-০৭ এর ৩(খ) এবং পরিপত্র নং-০৬ এর প্যারা-২ অনুযায়ী সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের নিকট বকেয়া বিল সংক্রান্ত তথ্য হলফনামায় দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও প্রার্থী তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে অবস্থিত মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার দফায় গ্যাস মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এসব অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ করা হয়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০০৮ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় খাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। সংযোগ পাওয়ার পর থেকেই চার দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। ২০০৯ সালের ১৫ জুন প্রথম দফায় সিএনজি ও ক্যাপটিভ উভয় মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে ৯৫ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সিএনজি মিটার নষ্ট অবস্থায় পাওয়া গেলে ৭৬ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকা বকেয়া নির্ধারণ হয় যা পরিশোধ করা হয়। আবার ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় মিটার পরিবর্তনের সময় পুনরায় টেম্পারিং ধরা পড়ে এবং এতে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা বকেয়া নিরূপণ করা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর চতুর্থ দফায় আবারও মিটার টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং এ বাবদ ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ দফা মিলিয়ে বকেয়া দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ টাকা এবং সব মিলিয়ে বর্তমানে পাওনা ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ এড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি পদক্ষেপ নেয়। ২০১৬ সালে বিইআরসি-তে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং-৪৪/২০১৬ দায়ের করা হলে ২০১৮ সালের ২৭ মে কমিশন মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করে। পরে গ্রাহক হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১১১৫৮/২০১৮ দায়ের করলে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর আংশিক বিল পরিশোধ সাপেক্ষে সংযোগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বাখরাবাদ আপিল বিভাগে সিভিল আপিল নং-১১৪/২০২৩ দায়ের করে যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংক্রান্ত পরিশোধিত অর্থ ফেরতের দাবিতে বিইআরসি-তে নতুন করে বিরোধ নিষ্পত্তি আবেদন নং–১১/২০২৪ দায়ের করেছে। সূত্র মতে, ২০০৯ সালে প্রথম দফায় ৯৫ লাখ টাকা, ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায় ৭৬ লাখ টাকা (পরিশোধিত), ২০১৬ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বকেয়া নির্ধারণ করা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি পাওনা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। বকেয়া পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক আইনি কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মিটার টেম্পারিং প্রমাণিত উল্লেখ করে আবেদন খারিজ করলেও বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সুযোগে এখনো স্থায়ীভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট বকেয়া বিল ও চলমান মামলার তথ্য মনোনয়ন হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক হলেও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু মিয়া বাজার সিএনজি নয়, তার যৌথ মালিকানাধীন বাংলা গ্যাস, স্বজন সিএনজি, সাবুরিয়া সিএনজির বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশনের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে অনৈতিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ না পায়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী উক্ত অর্থ এখনো রাষ্ট্রের পাওনা হিসেবেই বহাল রয়েছে এবং একাধিক দফায় মিটার টেম্পারিংয়ের বিষয়টি নথিপত্রে প্রমাণিত। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি রাষ্ট্রীয় গ্যাসের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বকেয়া রেখে দেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় পাওনা ঝুলিয়ে রাখেন, তিনি কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন-এ প্রশ্ন আজ জনমনে’। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন রাষ্ট্রীয় গ্যাস আত্মসাৎ, মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে মোঃ কামরুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি বিচারাধীন। আমার কাছে সরকার কোনো টাকা পাবে না’। কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেলস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা জানান, মেসার্স মিয়া বাজার সিএনজি ফিলিং স্টেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং ও বকেয়া বিল সংক্রান্ত মামলাটি এখনো বিচারাধীন। মামলা বিচারাধীন হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

নতুন বছরে মৌলিক গান নিয়ে ভাবছেন সিলভিয়া

নতুন বছরে মৌলিক গান নিয়ে ভাবছেন সিলভিয়া

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

কুমিল্লার  নিমসার  মোকাম বড় বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট তৈরির উদ্যোগ

কুমিল্লার নিমসার মোকাম বড় বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট তৈরির উদ্যোগ

কালীগঞ্জে ওমর শেখ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

কালীগঞ্জে ওমর শেখ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

পাক-চীন ৭৫তম বার্ষিকীর স্মারক প্রতীক উন্মোচন ও চিত্র প্রদর্শনী

পাক-চীন ৭৫তম বার্ষিকীর স্মারক প্রতীক উন্মোচন ও চিত্র প্রদর্শনী

ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারে সয়লাব  কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে

ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারে সয়লাব কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে

বরুড়ায় সাংবাদিক তাজুল ইসলামের জানাজা ও দাফনসম্পন্ন

বরুড়ায় সাংবাদিক তাজুল ইসলামের জানাজা ও দাফনসম্পন্ন

সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়

সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়

নববর্ষের ছুটিতে হাইনান অর্থনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার ইঙ্গিত

নববর্ষের ছুটিতে হাইনান অর্থনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার ইঙ্গিত

বুড়িচংয়ে  তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

বুড়িচংয়ে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !

সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিরা।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নির্বাচন পরিচালনার আইনি কাঠামো, রাজনৈতিক ও প্রচারণার পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের পক্ষে ইরিনি মারিয়া গৌনারি ও মারসেল নাগী বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় তারা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, নির্বাচন আইন, আচরণবিধি এবং আইনের শাসন নিশ্চিতের বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা নেন। সভায় ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুবসহ অন্যান্য আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পাদিত প্রশাসনিক চুক্তির আওতায় গঠিত ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সারা দেশে পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে।

নববর্ষের ছুটিতে হাইনান অর্থনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার ইঙ্গিত

২০২৬ সালের নববর্ষের ছুটিতে, চীনর হাইনান প্রদেশের অফশোর শুল্কমুক্ত কেনাকাটা দাঁড়ায় ৭১.২ কোটি ইউয়ানে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের চেয়ে ১২৮.৯ শতাংশ বেশি। হাইখৌ শহরের শুল্ক বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র আরও জানায়, উক্ত সময়পর্বে হাইনানে শুল্কমুক্ত পণদ্রব্য বিক্রি হয়েছে মোট ৪ লাখ ৪২ হাজারটি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫২.৪ শতাংশ বেশি। আর, উক্ত সময়পর্বে শুল্কমুক্ত পণ্যের ক্রেতার সংখ্যা ছিল ৮৩ হাজার ৫০০ জন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬০.৬ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, হাইনানে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে অফশোর শুল্কমুক্ত নতুন নীতি কার্যকর হয়। সূত্র:সুবর্ণা-আলিম-রুবি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

সব বিভাগের খবর

আইপিএলে বাদ মোস্তাফিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান: রাজিন সালেহ (ভিডিও)

মোহাম্মদ আলী সুমন আসন্ন আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৯.২ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে চুক্তিবদ্ধ হলেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাকে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। https://youtu.be/4VXZlvahV3s?si=QAho6T9MgSac2V3J এ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি বিসিসিআই। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রভাব থাকলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এটা শুধু মোস্তাফিজের নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান। আইপিএলে নিজেকে প্রমাণ করা একজন খেলোয়াড়কে ডেকে আবার না নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, আইপিএলে যদি একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর ও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ভাবতে হবে।

ঝিনাইদহে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগের উদ্বোধন

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগ। সোমবার সকালে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে তিস্তা জোনের এ খেলার উদ্বোধন করা হয়। খেলার উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস। সেসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক নাজমুল হাসান লোভন, সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাইসার হামিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও অনুর্ধ-১৭ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান কাননসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন শেষে বেলুন উড়িয়ে এ লীগের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত লীগ ভিত্তিতে এ খেলায় খুলনা বিভাগের ৮ টি জেলার ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। আগামী ৩১ জানুয়ারী পদার্ নামবে এ তিস্তা জোনের এই চ্যাম্পিয়নশিপের। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ঝিনাইদহ ফুটবল একাদশ বনাম নড়াইল ফুটবল একাদশ। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতেই এই আয়োজন বলে জানায় আয়োজকরা।

নীলফামারীতে ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি নীলফামারীতে মাদক বিরোধী ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই দুই ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে ভলিবল ও সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের সন্নাসীতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। কাবাডি প্রতিযোগীতায় নীলফামারীকে হারিয়ে ডোমার এবং ভলিবলে কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে জলঢাকা উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে প্রধান অতিথি থেকে ট্রপি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মুজাক্কিন, সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোল্লা ইফতেখার আহমেদ, নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবুল হাসেম বক্তব্য দেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের সহযোগীতায় এই দুই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন জানান, প্রতিযোগীতার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটি ম্যাসেস দিতে চাই। যেটি হলো মাদককে না বলুন, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলুন। বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি আমাদের সর্বনাশ করে দিচ্ছে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে একহতে হবে। ‘এসো দেশ বদলাই পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব ঘিরে এই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী স্মৃতি স্মরনে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মোঃ ইলিয়াছ আহমদ, বরুড়া কুমিল্লার বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী'র স্মৃতির স্মরণে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ শুরু হয়েছে। ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল, এ প্রতিপাদ্যের আলোকে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩.৩০ মিনিটে বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দাতা পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আজকের খেলার সুন্দর আয়োজন দেখে আমি আনন্দিত হয়েছি আমি চাই এ ধরনের খেলা গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ুক আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত ও নেশা মুক্ত সমাজ গড়তে তখন মানসিক ও পারিবারিক ভাবে স্বস্তিতে থাকবো, আমরা মাদকের আসক্ত থেকে বিরত থাকতে পারবো, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে তিনি পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ আবু সায়েম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আমরা চাই যুবসমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে বিরত থাকুক সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলুক এ ধরনের পরিবেশে আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন বরাবরই সহযোগিতা করে আসছে ভবিষ্যতেও যুব সমাজকে মাদক থেকে বীরত্ব রাখতে শিক্ষার কল্যাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেধাদ উদ্দিন, ওরাই আপনজন সামাজিক সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সহসভাপতি মোঃ জামাল হোসেন, ঘোষ্পা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ মানিক হোসেন, কাতার প্রবাসী মোঃ মহিন উদ্দিন, প্রমুখ। ১৮ টি দল অংশ গ্রহণ করে এ টুর্ণামেন্টে। নক আউট পদ্ধতিতে এ খেলা চলবে।

রাঙামাটিতে ক্লাব আরজিটির উদ্যোগে ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মো. কাওসার, রাঙামাটি রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি মুসলিম পাড়ায় ক্লাব আরজিটি’র উদ্যোগে ডে-নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার পর্দা ওঠে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলাপ্রেমী শতাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সুস্থ দেহে গড়ে ওঠে সুস্থ মন। তরুণ সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর মুসলিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে খেলাধুলা অন্যতম মাধ্যম। এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে।” উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, “যুবকদের প্রতিভা বিকাশে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।” বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলভি হাসান নাঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. নাঈম সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের মোট ২০ টি দল অংশ নিচ্ছে এবং রাত পর্যন্ত ম্যাচগুলো চলবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এলাকার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়বে।

চাঁদপুর জেলা জজ কাপ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ও পিঠা উৎসবের উদ্বোধন

মাঈন উদ্দিন মুন্সী, চাঁদপুর ২৬ শে নভেম্বর ২০২৫ রাতে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ব্যাডমিন্টন মাঠে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন ও উদ্বোধন করা হয়েছে। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১ এর বিচারক মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২ বিচারক সৈয়দ তাফাজ্জল হাসান হিরো, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির আহমদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট কোহিনূর বেগম, জিপি এডভোকেট রফিকুল হাসান রিপন, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট বাবার বেপারী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জসিম মেহেদী হাসান।

নতুন বছরে মৌলিক গান নিয়ে ভাবছেন সিলভিয়া

তরুণ প্রজন্মের প্রতিভাবান সংগীতশিল্পী ফারজানা ইয়াসমিন সিলভিয়া। তিনি জানান;নতুন বছরের নতুন নতুন গান নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছি। অলরেডি আরেকটি নতুন মুভির গান অলমোস্ট তৈরি করা হয়ে গেছে। মৌলিক গানের প্রতি প্রচন্ড ঝোঁক এসেছে। সঙ্গে পুরনো দিনের গানের প্রতি ভালো লাগা তো থাকবেই।   গেল বছরে স্টেজ প্রোগ্রাম অনেক করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্লাবে ঢাকা বিভিন্ন সংগঠনের সাথে। সর্বোপরি নিজের শ্রোতার আসরে।ব্যক্তিগতভাবে গান নিয়ে ব্যস্ত থাকতেই আমি ভালোবাসি। যখন গানে থাকি না তখনও কাজের সাথে গুনগুন করে গান করি। আর যেহেতু মৌলিক গান নিয়ে ভাবছি তাই আরও বেশি মনোযোগী হতে হচ্ছে। সকলের কাছ থেকে দোয়া চাইছি যেন মানুষের মনে গান গেয়ে কিছুটা ভালোবাসা আদায় করতে পারি।

‘সোনার সংসার’ শুধু একটি নাটক নয়— এটি এক আয়না

পায়েল বিশ্বাস হাসি, কিন্তু কথায় লুকানো বিষ। সে সোহাগকে বারবার ভুল পথে প্ররোচিত করে, ভাইয়ের প্রতি সন্দেহ জাগায়, এমনকি মা’য়ের কথাকেও অবহেলা করে। ‘তুমি এত টাকা পাঠাও, তবুও ওরা তোমার কদর করে না’— এই সংলাপেই বোঝা যায়, সে সংসারের মধ্যে অশান্তির বীজ বপন করছে। তবে নাটকের শেষে তার অনুশোচনা তাকে মানবিকতা ফিরিয়ে দেয়— যদিও ততদিনে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। সাদ্দাম মাল (শালা চরিত্র) গল্পে প্রাণ এনেছেন। তার সংলাপগুলো বাস্তব, প্রাঞ্জল আর মাঝে মাঝে ব্যঙ্গাত্মক ছোঁয়ায় মজারও। এই চরিত্র নাটকের গতি বাড়িয়েছে, এবং কখনও কখনও বাস্তবতার আয়না হিসেবে কাজ করেছে। সাবিনা ইয়েসমিন (মা) — তিনিই এই নাটকের হৃদয়, আত্মা, ও আলো। তার কণ্ঠের আবেগ, চোখের জল আর শেষের দৃশ্যে ছেলেদের আলিঙ্গনে মুখের হাসি — সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলে যায়। গল্পের উপস্থাপন ও পরিচালনা: পরিচালক ফয়সাল আগুন একেবারেই বাস্তবধর্মী স্টাইলে এই গল্পকে তুলে ধরেছেন। এখানে কোনো বাড়তি ড্রামা নেই, নেই অপ্রয়োজনীয় সংলাপ— সবকিছু একদম জীবনের মতোই স্বাভাবিক। ক্যামেরার কাজ অসাধারণ। শামসুল ইসলাম লেলিন ও হিমেল সরকার গ্রামের উঠান, ঘরের আলো, বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা আর মায়ের চোখের পানি— সব দৃশ্যকেই বাস্তব করে তুলেছেন। মো. রোমজান আলীর এডিটিং ছিল পরিশীলিত, গল্পের প্রবাহে কোনো বাধা ছিল না। বাংলাই বিডির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক গল্পের আবেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে— বিশেষ করে ভাইদের ঝগড়া বা পুনর্মিলনের মুহূর্তে সুরগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সব মিলিয়ে ‘সোনার সংসার’ হলো এমন এক নাটক, যেখানে প্রতিটি দৃশ্য জীবনের বাস্তবতা বলে, প্রতিটি সংলাপ সম্পর্কের মূল্য শেখায়। বার্তা ও শিক্ষণীয় দিক: নাটকের মূল বার্তা সরল কিন্তু গভীর—‘সংসার সোনায় নয়, মায়ায় গড়া।’ বিদেশের রেমিটেন্স সংসারের ব্যয় চালাতে পারে, কিন্তু সংসারের উষ্ণতা, শান্তি আর ভালোবাসা আসে মায়ের মায়া আর ভাইয়ের বোঝাপড়া থেকে। আজকের সমাজে যেখানে অর্থই সবকিছুর মাপকাঠি, সেখানে ‘সোনার সংসার’ মনে করিয়ে দেয়— পরিবারের ভালোবাসা হারালে কোনো অর্থই সান্ত্বনা দেয় না। সমাপ্তি: ‘সোনার সংসার’ শুধু একটি নাটক নয়— এটি এক আয়না, যেখানে আমরা নিজেদের পরিবার, সম্পর্ক আর ভুলগুলো দেখতে পাই। শেষে দুই ভাইয়ের মিলন আর মায়ের হাসি— এই দৃশ্য শুধু নাটকের নয়, এটা প্রতিটি পরিবারের আশা, প্রার্থনা আর ভালোবাসার প্রতীক। সামগ্রিক মূল্যায়ন: গল্প: ৯.৫/১০, অভিনয়: ৯.৫/১০, আসাদের স্ত্রী (লিমা): ৯/১০, সোহাগের স্ত্রী (নেগেটিভ চরিত্র): ৮.৫/১০, পরিচালনা ও উপস্থাপন: ৯.৫/১০, সংলাপ: ৮.৮/১০, চিত্রগ্রহণ ও মিউজিক: ৯/১০, আবেগ ও বার্তা: ১০/১০ এবং মোট রেটিং: ৪.৮/৫। দর্শকের অনুভূতি: ‘আমি ইউটিউবে দেখে সত্যিই কেঁদে ফেলেছি। মায়ের চোখের জল, আসাদের নীরবতা, আর সোহাগের অনুশোচনা— সবকিছু এত বাস্তব যে মনে হচ্ছিল নিজের পরিবারের গল্পই দেখছি। শেষে যখন মা বলেন, ‘এটাই আমার সোনার সংসার’, তখন মনে হলো— হ্যাঁ, ভালোবাসাই আসলে সংসারের সোনা।’ তবে আমার মত অনেক দর্শক শেষটা মানতে নারাজ। কেন সোহাগের স্ত্রীকে ক্ষমা করে দেয়া হল! এর কোন ক্ষমা নাই। হয়তো পরিচালক সেকেন্ড পার্টের জন্য তাকে ক্ষমা করিয়েছে। তবে এ হেন সিদ্ধান্ত মানি না মানব না। শেষ কথা: ফয়সাল আগুনের ‘সোনার সংসার’ এমন একটি নাটক, যা দেখার পর আপনি শুধু কাঁদবেন না— নিজের পরিবারকে নতুনভাবে ভালোবাসতে শিখবেন।

ইনডেক্স কেয়ার বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক অনুষ্ঠিত

বিনোদন ডেস্ক সম্প্রতি রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ইনডেক্স কেয়ার বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল স্টুডিও এজেন্সি ভিসাজ এর আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডেক্স গ্রুপের সিইও সফিউল্লাহ আল মুনির। বিশেষ অতিথি সেইলর মিলানো এর ফাউন্ডার ও সিইও মি:পাউলো আনজাগী, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড:ফাহিম ক সুফি। সিটিও, সিওইইউএস ইন্সটিটিউট। ইউএসএ, করতোয়া গ্রুপের কর্নধার আকিল আহাদ, ফেন্সি কন্সেপ্ট এর ডিরেক্টর সিইও অলি আহাদ, ফ্যাশন ডিজাইনার সামাহ হায়দার,ইভেন্ট পার্টনার গ্লোবালবিজের সিইও মি:মোন্তাকিম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মেকওভার পার্টনার ছিলো ব্লাস বাই ফারাহ খান, এসোসিয়েট পার্টনার ফেন্সি বিউটি কন্সেপ্ট, এসথেটিক পার্টনার ইম্পালস হস্পিটাল, ফটোগ্রাফী পার্টনার সাকিন ফটোগ্রাফী। রানওয়েতে ক্যাটওয়াক করেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা (কোরিয়ান মার্ট এর কালেক্সনে) সামিরা খান মাহী (ফেন্সির কালেকশনে) সেমন্তী সৌমি (ডেইজি ডুর কালেক্সনে) সামায়রা আফরিন (কালার লাইফ এর কালেকশনে) এদের সাথে প্রায় ৫০ এর অধিক মডেল। রানওয়ের ডিরেক্টর ও আয়োজক ফ্যাশন ফটোগ্রাফার সুমন হোসেন জানান বাংলাদেশের ফ্যাশন উদ্যোক্তাদেরকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে সম্মিলিতভাবে শো করা যাতে করে কম বাজেটে তাদের ডিজাইনগুলো উপস্থাপন করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে কাজ করার সুবাদে ডিজাইনার এবং টেলেন্টেড মডেলদেরকে প্রোমোট করা একরকমের দায়বদ্ধতা বলেই মনে করি। এবারের আয়োজনে প্রায় ১৬ টি ব্র‍্যান্ড অংশগ্রহণ করে পরের আয়োজনে ২০ এর অধিক ফ্যাশন ব্রান্ড নিয়ে কাজ করবো।।

কোন পোস্ট নেই !

উত্তরা গ্রীন টি ফ্যাক্টরি পুনরুদ্ধার: সন্ত্রাসীদের হামলার শঙ্কায় সিইও, নিরব ভূমিকায় পুলিশ

শাহিন আলম আশিক দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলের কবলে থাকা ‘উত্তরা গ্রীন টি ফ্যাক্টরি শুক্রবার আনুমানিক দুপুর ২:৩০ মিনিটে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুনরুদ্ধার করেছেন ফ্যাক্টরিটির সিইও জনাব বোরহানউদ্দিন। তবে ফ্যাক্টরিতে প্রবেশের পর থেকেই তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছেন। ​দখলদারদের হুমকি ও হামলার আশঙ্কা: অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাক্টরিটি পুনরুদ্ধারের পরপরই দখলদার চক্রটি পুনরায় সংঘবদ্ধ হয়ে ফ্যাক্টরির আশেপাশে অবস্থান নিয়েছে। তারা সিইও বোরহানউদ্দিনকে প্রাণনাশের হুমকিসহ যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ​চুক্তিভঙ্গ ও টি-বোর্ডের নির্দেশ অমান্য: জানা যায়, ফ্যাক্টরিটি মিস্টার রাকিব, মিস্টার রনি শীল এবং মিস্টার আনসারুল হক (দুলাল মাস্টার)-এর কাছে তিন বছরের চুক্তিতে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে পারস্পরিক দ্বন্দের জেরে তারা স্বেচ্ছায় চুক্তি বাতিল করেন। এরপরও ফ্যাক্টরিটি বুঝিয়ে না দিয়ে টি-বোর্ডের নির্দেশনা অমান্য করে জোরপূর্বক দখলে রাখা হয় এবং অবৈধভাবে কার্যক্রম চালানো হয়। ​পুলিশি অসহযোগিতার অভিযোগ: সিইও বোরহানউদ্দিন জানান, তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সদর থানার ওসি র সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করেছেন। জরুরি সেবা ৯৯৯-এ বারবার ফোন করার পরও স্থানীয় থানা থেকে কোনো পুলিশ পাঠানো হয়নি। ওসি মহোদয় পুলিশ পাঠানোর আশ্বাস দিলেও,, ১২/১২/২০২৫ইং রাত ১১:৫০ মিনিট পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কোনো পুলিশি সহায়তা পৌঁছায়নি। ​বর্তমানে সিইও বোরহানউদ্দিন অবরুদ্ধ অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

কোন পোস্ট নেই !

কারওয়ান বাজার মোড়ে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) কার্যক্রম চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করেছেন। রোববার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারওয়ান বাজারের সোনারগাঁও হোটেলের মোড়ে জড়ো হয়ে ব্যবসায়ীরা সড়কে অবস্থান নেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীরা এনইআইআর কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং জলকামান ব্যবহার করে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, এনইআইআর কার্যক্রম চালু হলে তাদের ব্যবসায় মারাত্মক ক্ষতি হবে। এদিকে বুধবার (১ জানুয়ারি) ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর মধ্য দিয়ে দেশের নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হওয়া অবৈধ হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করা হবে। এর আগে মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে থাকা মুঠোফোনের তথ্য জমা দেয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

মহেশখালীতে ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জেলে উদ্ধার, একজন আটক

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১ ডাকাত আটক এবং ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জেলে উদ্ধার।মঙ্গলবার ৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সোমবার বিকাল ৪টায় কক্সবাজারের মহেশখালী থানাধীন বড়দিয়া সংলগ্ন প্যারাবনের চ্যানেলে “এফ বি আল্লাহর দান”নামক একটি ফিশিং বোট ডাকাতির কবলে পড়ে। পরবর্তীতে জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১ এর মাধ্যমে বিষয়টি কোস্ট গার্ড অবগত হয়।প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, কোস্ট গার্ড স্টেশন মহেশখালী কর্তৃক উক্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং ১ জন ডাকাতকে আটক করা হয়।আটককৃত ডাকাত ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বোটের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখবে।

অনলাইন ব্যবসায় নতুন উদ্যোক্তা রাঙামাটির তাজিন

মো: নাজমুল হোসেন ইমন, স্টাফ রিপোর্টার অনলাইন ব্যবসায় সফল নারী উদ্যোক্তারা মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যা তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলছে। তারা নিজস্ব দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে ফ্যাশন, হস্তশিল্প, খাবার, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা, ডিজিটাল সার্ভিস ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন। এই ধরনের ব্যবসায় তারা কম পুঁজি বিনিয়োগ করে নিজেদের দক্ষতা ও আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে সফলভাবে উপার্জন করতে পারছেন। সম্প্রতি দৈনিক মুক্তির লড়াই এর কথা হয় রাঙামাটির নতুন উদ্যোক্তা তাজিন আক্তার রিয়ার সাথে তিনি জানান এখনকার মেয়েরা ঘরে বসে অনলাইনে বিভিন্ন পোশাক বিক্রি করে আসছে। তাই তিনি ও সকলের মতো এই ব্যবসায় নিজের নাম লেখান এবং গড়ে তুলেন TARAZ নামে একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান।মূলত প্রতিষ্ঠান টি তিনি এবং তাঁর স্বামী মিলে পরিচালনা করেন। শুরুর পর থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তাঁরা। গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে পণ্য সরবরাহ করছেন তাঁরা। তাজিন আক্তার রিয়া মনে করেন পুরুষের পাশাপাশি একজন নারীর ও নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য ছুঁটে চলা প্রয়োজন। স্বল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা শুরু করলে ও আস্তে আস্তে তিনি তাঁর ব্যবসায় আরো বড় আকারের বিনিয়োগ করবেন বলে জানান।

সমুদ্রের বুকে প্রশান্তির খোঁজ

মোহাম্মদ আলী সুমন আজকের নগর জীবনে মানুষ যেন সবসময় ছুটে চলে অদৃশ্য এক প্রতিযোগিতার পেছনে। ভোর থেকে রাত অবধি ব্যস্ততা, কোলাহল, যানজট আর দৌড়ঝাঁপের মধ্যে হারিয়ে যায় নিজের সঙ্গে একান্ত কিছু সময় কাটানোর সুযোগ। অথচ মানুষ চায় প্রশান্তি, খোঁজে নীরবতা, খোঁজে প্রকৃতির সান্নিধ্য। সেই খোঁজেই হাজারো মানুষ ছুটে যায় সমুদ্র সৈকতে। সম্প্রতি কক্সবাজারের বালুকাবেলায় এমনই এক দৃশ্য ধরা পড়লো। সৈকতের সবুজ-হলুদ রঙের ছাতার নিচে বসে আছেন এক দর্শনার্থী। সাদা পোশাকে আরাম করে বসে থাকা তার চোখেমুখে যেন খেলে যাচ্ছিল এক ধরনের প্রশান্তির ছাপ। সমুদ্রের হাওয়ায় চুল এলোমেলো হলেও, তার দৃষ্টি স্থির হয়ে ছিল সমুদ্রের বিশালতার দিকে। যেন প্রতিটি ঢেউ তাকে শোনাচ্ছিল নতুন জীবনের গান। বালুকাবেলায় বসে তিনি যখন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে প্রকৃতি উপভোগ করছিলেন, তখন আশপাশের পরিবেশও যেন বদলে যাচ্ছিল। ঢেউয়ের মৃদু গর্জন, বাতাসের ছোঁয়া আর দূরে খেলতে থাকা শিশুদের হাসি একসাথে মিলেমিশে তৈরি করেছিল অন্যরকম আবহ। সমুদ্রকে অনেকেই শুধু জলরাশি ভেবে ভুল করেন। অথচ এর প্রতিটি ঢেউ জীবনের প্রতীক। ঢেউ আসে, ভেঙে যায়, আবারও নতুন করে ফিরে আসে। জীবনের প্রতিটি দুঃখ-কষ্টও যেন সেই ঢেউয়ের মতো—আসবে, কেটে যাবে, আবারও নতুন সূচনা হবে। সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা অনেক দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, তারা এখানে আসেন মনকে হালকা করতে, নিজেদের নতুন করে সাজাতে। একজন দর্শনার্থীর ভাষায়—“সমুদ্রের বিশালতা আমাকে শেখায়, জীবনে যত সমস্যা থাকুক না কেন, এর চেয়ে বড় কিছু নয়। প্রকৃতির সামনে সব কষ্টই তুচ্ছ।” বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্র সৈকতে সময় কাটানো মানুষের মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঢেউয়ের ছন্দ, হাওয়ার ছোঁয়া আর প্রকৃতির বিশালতা একসাথে কাজ করে মানসিক চাপ কমাতে। শুধু তাই নয়, এটি মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—“প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের একটি গভীর যোগ আছে। আমরা যখন সমুদ্র বা পাহাড়ে যাই, তখন আমাদের মস্তিষ্কে এমন কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুশ্চিন্তা দূর করে এবং প্রশান্তি এনে দেয়। তাই সমুদ্র ভ্রমণ শুধু আনন্দ নয়, এটি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।” নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শান্তির সন্ধানে সৈকতের চেয়ারে বসে থাকা সেই দর্শনার্থীর নির্লিপ্ত দৃষ্টি যেন প্রকৃতিরই প্রতিচ্ছবি। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সমুদ্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছেন। শহরের ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ব্যস্ততা সব ভুলে তিনি ডুবে গেছেন প্রকৃতির কোলে। তার সেই ভঙ্গি যেন নীরব ভাষায় বলছিল—প্রকৃতির কাছে ফিরে গেলে মন সত্যিই হালকা হয়ে যায়। পরিশেষে বলতে হয় সমুদ্র সৈকত কেবল ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি মানুষের জন্য এক ধরণের মুক্তির পথ। শহরের কোলাহল আর জীবনের চাপে যখন মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন সমুদ্রের বুকে কয়েক মুহূর্ত কাটানোই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ। বিশাল জলরাশি মানুষকে শেখায় ধৈর্য, শেখায় মুক্তি, শেখায় নতুনভাবে বাঁচার পাঠ।

কোন পোস্ট নেই !

সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিরা।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নির্বাচন পরিচালনার আইনি কাঠামো, রাজনৈতিক ও প্রচারণার পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের পক্ষে ইরিনি মারিয়া গৌনারি ও মারসেল নাগী বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় তারা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, নির্বাচন আইন, আচরণবিধি এবং আইনের শাসন নিশ্চিতের বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা নেন। সভায় ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুবসহ অন্যান্য আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পাদিত প্রশাসনিক চুক্তির আওতায় গঠিত ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সারা দেশে পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে।

চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পে সম্ভাবনার দাঁড়

মোঃ ইকরামূল হক বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শুটকী শিল্পের অপার সম্ভাবণার সুযোগ রয়েছে। ‎চরফ্যাশনের শুঁটকি শিল্প ভোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত, যা মূলত সমুদ্র থেকে আহরনকৃত মাছ চেউয়া, লইট্যা, রূপচাঁদা, কাঁচকি, কোঁড়াল, অলুফা, চিংড়ি, কাইক্কা, বদর ছুরি, ভোলপোয়া, টোনা, রুঁপসা, জবাকই, বাইম ও টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ গুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে ৬/৭ দিন রোদে শুকানো হয়। পরে বিক্রি উপযোগী হলে দেশের বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তারা জানান,শুটকীর মৌশুম কয়েক মাস ধরে চলে, বিশেষ করে শীতে শুরু হয়ে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত চলে, যেখানে বছরে শত শত মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদিত হয় এই এলাকায়, বছরের প্রতি ৬ মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি শুটকি বিক্রি হয় এই চরফ্যাশন উপজেলা থেকেই। ‎উপজেলার চর কুকরি-মুকরি, ঢালচর (বিশেষত পূর্ব ঢালচর, পাতিলা, মনুরা, চর কচ্ছপিয়া, চর ফকিরা, চর মানিকা মতো এলাকায় এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এই শিল্পের। এই শিল্প স্থানীয় বেকার যুবক জেলে ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন প্রক্রিয়ার অনেক ঘাটতি রয়েছে। ‎দরিদ্র বেকার যুবক যুবতী জেলে ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে এবং কিছু তরুন ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় জড়িত হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয় এখানকার শুটকী। ‎ ‎তবে সরকারী পর্যায়ে জেলা মৎস্য বিভাগ শুঁটকি শিল্পের প্রসারে সহযোগিতা করার কথা যে বলেছে মাঠ পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি তবে চরফ্যাশনের চরকলমী এলাকায় শাফিয়া বেগম সহ কিছু নারী উদ্যোক্তা কে বেসরকারী এনজিও ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (FDR) বাস্তবায়নে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পিকে এস এফ'র অর্থায়নে ও কারিগরি সহযোগিতায় পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপ) এর সহায়তায় "স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

খালেদা জিয়া

মু. নজরুল ইসলাম তামিজী ইতিহাস আচমকা তাঁর নাম ধরে ডাকল স্বামীহীন ভোরে দেশ তার কাঁধে উঠল। লাল–সবুজের বাংলায় এক গৃহবধূ— স্বামী–সন্তান সামলাতে সামলাতেই আঁকা হচ্ছিল রাষ্ট্রের মানচিত্র। তিনি হাঁটলেন—পদচিহ্নে নয় হাঁটলেন ক্ষত, অবরোধ আর কানাঘুষার ওপর দিয়ে। সেনানিবাস, কারাগার, ব্যারিকেড— সবই তাঁর পাঠ্যপুস্তক হয়ে উঠল। এক নারীর কণ্ঠে শিখে নিল দেশ “আপস” শব্দটির বিপরীত বানান। রাজপথে তিনি দাঁড়ালেন দেয়াল হয়ে ভাঙা স্লোগানগুলো পেলো মেরুদণ্ড। ক্ষমতা তাঁর কাছে ছিল না মুকুট ছিল দায়িত্বের কাঁটা-ভরা মুকুটের ছায়া। সন্তান হারিয়ে, ঘর হারিয়ে তিনি তবু দেশ হারাননি। একদিন ইতিহাস ক্লান্ত হয়ে তাঁকে বলল—তুমি এখন প্রতীক। প্রতিহিংসাহীন উচ্চারণে তিনি লিখলেন— ভালোবাসা দিয়েই রাষ্ট্র গড়া যায়। ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, ভোর ছয়টায় থেমে গেল তাঁর শ্বাস— থামেনি রাজনৈতিক অনুচ্চারিত প্রার্থনা। তিনি আছেন রাষ্ট্রের স্মৃতি-মানচিত্রে যেখানে নারী মানেই প্রতিবাদ।