ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

গাইবান্ধা সদর উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত


মুক্তির লড়াই
মুক্তির লড়াই
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

গাইবান্ধা সদর উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি গাইবান্ধা সদর উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল গতকাল মঙ্গলবার শহরের পাবলিক লাইব্রেরি অ্যান্ড ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে গঠিত হয় নতুন নেতৃত্ব। সভাপতি পদে ঘোড়া প্রতীকে ৪৭১ ভোট পেয়ে মোশাররফ হোসেন বাবু বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল আউয়াল আরজু ছাতা প্রতীকে ৩২৪ ভোট পান। সাধারণ সম্পাদক পদে আনারস প্রতীকে ৩৮৮ ভোট পেয়ে মকছুদার রহমান মকছু মাস্টার নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাশেদুজ্জামান লিটন হরিণ প্রতীকে ২১০ ভোট পান। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দুইজন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন— নুরে আলম সিদ্দিক পিটন (দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক), প্রাপ্ত ভোট ৩৬৬। হারুন অর রশিদ রাহাত (মই প্রতীক), প্রাপ্ত ভোট ৩২৫। সম্মেলনের শুরুতে পৌর শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন একই বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নুরুল আজাদ মন্ডল। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী টিটুলসহ দলীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. ইলিয়াস হোসেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট কাজী আমিরুল ইসলাম ফকু জানান, সভাপতি পদে ৩ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


গাইবান্ধা সদর উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি গাইবান্ধা সদর উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল গতকাল মঙ্গলবার শহরের পাবলিক লাইব্রেরি অ্যান্ড ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে গঠিত হয় নতুন নেতৃত্ব। সভাপতি পদে ঘোড়া প্রতীকে ৪৭১ ভোট পেয়ে মোশাররফ হোসেন বাবু বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল আউয়াল আরজু ছাতা প্রতীকে ৩২৪ ভোট পান। সাধারণ সম্পাদক পদে আনারস প্রতীকে ৩৮৮ ভোট পেয়ে মকছুদার রহমান মকছু মাস্টার নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাশেদুজ্জামান লিটন হরিণ প্রতীকে ২১০ ভোট পান। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দুইজন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন— নুরে আলম সিদ্দিক পিটন (দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক), প্রাপ্ত ভোট ৩৬৬। হারুন অর রশিদ রাহাত (মই প্রতীক), প্রাপ্ত ভোট ৩২৫। সম্মেলনের শুরুতে পৌর শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন একই বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নুরুল আজাদ মন্ডল। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী টিটুলসহ দলীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. ইলিয়াস হোসেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট কাজী আমিরুল ইসলাম ফকু জানান, সভাপতি পদে ৩ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত