ঢাকা   বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

ভিজিএফ কার্ড কোন দলীয় গ্রুপকে দেওয়ার প্রয়োজন নেই : এমপি হাফেজ রাশেদুল



ভিজিএফ কার্ড কোন দলীয় গ্রুপকে দেওয়ার প্রয়োজন নেই : এমপি হাফেজ রাশেদুল

এবার ভিজিএফ চালের কার্ড  আলাদা করে কোনো দলকে দেওয়ার দরকার নেই। কোনো দলীয় গ্রুপকে দেবেন না। আমি আমার দলের পক্ষ থেকে যাদের কাছে বিতরণ করতে চাই, বিএনপির পক্ষ থেকে বিএনপি যাদের কাছে বিতরণ করতে চাই, আপনারা যাদের কাছে বিতরণ করতে চান—সবাই একটাই। দুস্থ অসহায় এবং এটার একটা ক্রাইটেরিয়া দিয়ে দেওয়া হয়েছে এখানে বেশ কিছু পয়েন্টে। তো যদি তাই হয়, তাহলে তো আলাদা করে কোনো দলকে কার্ড দেওয়ার দরকার নেই। বুধবার সকালে সদর উপজেলার পরিষদের হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োনে পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে প্রাপ্ত ভিজিএফ বরাদ্দ বিষয়ক উপজেলা মানবিক সহায়তা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি'র বক্তব্য এসব কথা বলেন, শেরপুর -১(সদর) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মো: রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।


এসময় তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের কাছে প্রস্তাব রাখতে চাচ্ছি যে এবারে কার্ডটা আপনারা কোনো দলীয় গ্রুপকে দেবেন না। আপনারা দলীয় গ্রুপকে ডাকবেন প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মেম্বারদের তত্ত্বাবধানে, আপনি উপস্থিত থেকে কষ্ট করে একটু এটা করতে পারলে বেশি ভালো হয়। ওই ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতারা উপস্থিত থাকবে, তারা তালিকা করবে সবাই সম্মিলিত তালিকা করবে। ওখানেই তালিকা ফাইনাল হবে। এই তালিকাটা আপনারা চূড়ান্তভাবে তো অবশ্যই একটা রিপোর্ট দিতে হবে—তালিকা আমাদের কাছে জমা দেবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকটা ইউনিয়নে এই তালিকা ধরে পরবর্তীতে যাব ইনশাআল্লাহ।


এমপি আরো বলেন,  আপনারা যে তালিকা দিবেন সেখানে মোবাইল নম্বরটা কষ্ট করে নেবেন যাদের পক্ষে সম্ভব হয়। কিছু লোক হয়তো মোবাইল নম্বর দিতে পারবে না কিন্তু আশা করি যে তাদের অ্যাড্রেস—মোবাইল নম্বর অ্যাপস এর বাধ্যতামূলক। তো তাহলে আমি সেই মোবাইল নম্বর ধরে বা এনআইডি ধরে, অ্যাড্রেস ধরে আমি যারা সুবিধাভোগী হবেন ইনশাআল্লাহ সেই লোকদের সাথে সাক্ষাৎ করব কথা বলব ইনশাআল্লাহ। আপনি ১০ কেজি চাল পেয়েছেন কি না, ১০ কেজি থেকে কিছু কম পেয়েছেন কি না অথবা কি ঘটনা সেটা আমি একটু আমার থ্রু থেকে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। তো এটাই আমার প্রস্তাব। আশা করি যে বাকি যে সংকটগুলো চালের মাপের ব্যাপারে আমাদের ফুড অফিসার বলেছেন উনি আপনাদেরকে একদম ক্লিয়ারলি ওই সংখ্যা বুঝিয়ে দেবেন। সুতরাং সমস্যা তো থাকল না এটা। তালিকা নিয়ে সংকট তাহলে থাকল না। এরপর একটা সংকট কী—ওইদিনের যেদিন বিতরণ করবেন সেইদিন।

এখানে আমাদের ইউএনও উনি বলেছেন যে উনি উনার মনিটরিং টিম এবং আমি বলব এখানে পুলিশসহ কোন কোন আইন সংস্থা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে এঙ্গেজ করা যায় তাদেরকে এঙ্গেজ করে এখানে যেহেতু তিন দিনই মাত্র। প্রয়োজনে যে ক্যালেন্ডারটা আপনারা করবেন সেটাকে আরেকটু ডেট এক্সপান্ড করে আপনাদের সুবিধার্থে মনিটরিং এর সুবিধার্থে পুলিশ টিম পাঠানোর সুবিধার্থে সময় প্রয়োজনে আরও বাড়ান। 

যেহেতু ১২ তারিখ পর্যন্ত এটা বণ্টন করার সুযোগ আছে আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হবে। তো তারমানে প্রায় পুরো সপ্তাহ পাবেন বা এখন থেকে আরও বেশ কয়েকদিন সময় আছে এভাবে একটু ক্যালেন্ডার করা যায়। আমার কাছে মনে হচ্ছে যে আমি চাচ্ছি, আপনিও চাচ্ছেন মাঝখান থেকে অন্যান্য যারা চাচ্ছেন ওনারাও চাচ্ছেন আর কি। ওনাদেরকে একটু বুঝিয়ে এই লাইনে আমরা আনতে চাই ইনশাআল্লাহ। আমার এখানে আর কোনো ইন্টারেস্ট নাই আর কোনো বক্তব্য নাই। আশা করি যে আমার প্রস্তাবটা আপনারা গ্রহণ করে নিলে খুশি হব। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ মাহবুবা হক।

সভায় ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ চাউল বরাদ্দ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বণ্টনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬


ভিজিএফ কার্ড কোন দলীয় গ্রুপকে দেওয়ার প্রয়োজন নেই : এমপি হাফেজ রাশেদুল

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

এবার ভিজিএফ চালের কার্ড  আলাদা করে কোনো দলকে দেওয়ার দরকার নেই। কোনো দলীয় গ্রুপকে দেবেন না। আমি আমার দলের পক্ষ থেকে যাদের কাছে বিতরণ করতে চাই, বিএনপির পক্ষ থেকে বিএনপি যাদের কাছে বিতরণ করতে চাই, আপনারা যাদের কাছে বিতরণ করতে চান—সবাই একটাই। দুস্থ অসহায় এবং এটার একটা ক্রাইটেরিয়া দিয়ে দেওয়া হয়েছে এখানে বেশ কিছু পয়েন্টে। তো যদি তাই হয়, তাহলে তো আলাদা করে কোনো দলকে কার্ড দেওয়ার দরকার নেই। বুধবার সকালে সদর উপজেলার পরিষদের হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োনে পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে প্রাপ্ত ভিজিএফ বরাদ্দ বিষয়ক উপজেলা মানবিক সহায়তা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি'র বক্তব্য এসব কথা বলেন, শেরপুর -১(সদর) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মো: রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।


এসময় তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের কাছে প্রস্তাব রাখতে চাচ্ছি যে এবারে কার্ডটা আপনারা কোনো দলীয় গ্রুপকে দেবেন না। আপনারা দলীয় গ্রুপকে ডাকবেন প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মেম্বারদের তত্ত্বাবধানে, আপনি উপস্থিত থেকে কষ্ট করে একটু এটা করতে পারলে বেশি ভালো হয়। ওই ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতারা উপস্থিত থাকবে, তারা তালিকা করবে সবাই সম্মিলিত তালিকা করবে। ওখানেই তালিকা ফাইনাল হবে। এই তালিকাটা আপনারা চূড়ান্তভাবে তো অবশ্যই একটা রিপোর্ট দিতে হবে—তালিকা আমাদের কাছে জমা দেবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকটা ইউনিয়নে এই তালিকা ধরে পরবর্তীতে যাব ইনশাআল্লাহ।


এমপি আরো বলেন,  আপনারা যে তালিকা দিবেন সেখানে মোবাইল নম্বরটা কষ্ট করে নেবেন যাদের পক্ষে সম্ভব হয়। কিছু লোক হয়তো মোবাইল নম্বর দিতে পারবে না কিন্তু আশা করি যে তাদের অ্যাড্রেস—মোবাইল নম্বর অ্যাপস এর বাধ্যতামূলক। তো তাহলে আমি সেই মোবাইল নম্বর ধরে বা এনআইডি ধরে, অ্যাড্রেস ধরে আমি যারা সুবিধাভোগী হবেন ইনশাআল্লাহ সেই লোকদের সাথে সাক্ষাৎ করব কথা বলব ইনশাআল্লাহ। আপনি ১০ কেজি চাল পেয়েছেন কি না, ১০ কেজি থেকে কিছু কম পেয়েছেন কি না অথবা কি ঘটনা সেটা আমি একটু আমার থ্রু থেকে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। তো এটাই আমার প্রস্তাব। আশা করি যে বাকি যে সংকটগুলো চালের মাপের ব্যাপারে আমাদের ফুড অফিসার বলেছেন উনি আপনাদেরকে একদম ক্লিয়ারলি ওই সংখ্যা বুঝিয়ে দেবেন। সুতরাং সমস্যা তো থাকল না এটা। তালিকা নিয়ে সংকট তাহলে থাকল না। এরপর একটা সংকট কী—ওইদিনের যেদিন বিতরণ করবেন সেইদিন।


এখানে আমাদের ইউএনও উনি বলেছেন যে উনি উনার মনিটরিং টিম এবং আমি বলব এখানে পুলিশসহ কোন কোন আইন সংস্থা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে এঙ্গেজ করা যায় তাদেরকে এঙ্গেজ করে এখানে যেহেতু তিন দিনই মাত্র। প্রয়োজনে যে ক্যালেন্ডারটা আপনারা করবেন সেটাকে আরেকটু ডেট এক্সপান্ড করে আপনাদের সুবিধার্থে মনিটরিং এর সুবিধার্থে পুলিশ টিম পাঠানোর সুবিধার্থে সময় প্রয়োজনে আরও বাড়ান। 


যেহেতু ১২ তারিখ পর্যন্ত এটা বণ্টন করার সুযোগ আছে আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হবে। তো তারমানে প্রায় পুরো সপ্তাহ পাবেন বা এখন থেকে আরও বেশ কয়েকদিন সময় আছে এভাবে একটু ক্যালেন্ডার করা যায়। আমার কাছে মনে হচ্ছে যে আমি চাচ্ছি, আপনিও চাচ্ছেন মাঝখান থেকে অন্যান্য যারা চাচ্ছেন ওনারাও চাচ্ছেন আর কি। ওনাদেরকে একটু বুঝিয়ে এই লাইনে আমরা আনতে চাই ইনশাআল্লাহ। আমার এখানে আর কোনো ইন্টারেস্ট নাই আর কোনো বক্তব্য নাই। আশা করি যে আমার প্রস্তাবটা আপনারা গ্রহণ করে নিলে খুশি হব। 


সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ মাহবুবা হক।


সভায় ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ চাউল বরাদ্দ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বণ্টনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত