বরগুনা জেলার আমতলীতে সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা করে অভিযোগকারীর দখল হওয়া জমি উদ্ধার ও দুই দখলকারীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক জনাব ইফতি হাসান ইমরান এ কারাদণ্ড প্রদান করেন।
চলতি বছরের গত ৩রা মার্চ বিকাল ৩টার সময়ে উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কালিবাড়ি গ্রামে উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ইফতি হাসান ইমরান সরেজমিনে সামারি ট্রায়াল কোর্টের মাধ্যমে অভিযুক্ত মামুন সিকদার ও সুবল চন্দ্র শিলকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং পুলিশের সহায়তায় দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে দেন।
আদালতের বেঞ্চসহকারী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক জানান,অভিযোগকারী কামরুজ্জামান তার দখল হওয়া জমি উদ্ধার করার জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে আদালতে কমপ্লেইন্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় ঘটনাস্থলে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য দিন ধার্য্য করে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে বিচারক উভয়পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামীপক্ষের দেওয়া বক্তব্যে স্বীকার করেন যে, তারা অভিযোগকারীপক্ষের দখলে থাকা জমি নিজেদের জমি বুঝে না পেয়ে দখল করে দেওয়াল ও টয়লেট নির্মান করেন এবং জমির মাটি কেটে গর্ত করে ফেলেন।
স্বাক্ষ্যপ্রমাণে ঘটনাটি অপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামীদ্বয়কে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৭ ধারায় কারাদণ্ড এবং একই আইনের ২০ ধারা ও দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ১৮৯৮ এর ৫২২ ধারা মতে বেদখল হওয়া জমির দেওয়াল ও টয়লেট অপসারণ করে অভিযোগকারীকে দখল বুঝিয়ে দেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
বরগুনা জেলার আমতলীতে সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা করে অভিযোগকারীর দখল হওয়া জমি উদ্ধার ও দুই দখলকারীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক জনাব ইফতি হাসান ইমরান এ কারাদণ্ড প্রদান করেন।
চলতি বছরের গত ৩রা মার্চ বিকাল ৩টার সময়ে উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কালিবাড়ি গ্রামে উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ইফতি হাসান ইমরান সরেজমিনে সামারি ট্রায়াল কোর্টের মাধ্যমে অভিযুক্ত মামুন সিকদার ও সুবল চন্দ্র শিলকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং পুলিশের সহায়তায় দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে দেন।
আদালতের বেঞ্চসহকারী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক জানান,অভিযোগকারী কামরুজ্জামান তার দখল হওয়া জমি উদ্ধার করার জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে আদালতে কমপ্লেইন্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় ঘটনাস্থলে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য দিন ধার্য্য করে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে বিচারক উভয়পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামীপক্ষের দেওয়া বক্তব্যে স্বীকার করেন যে, তারা অভিযোগকারীপক্ষের দখলে থাকা জমি নিজেদের জমি বুঝে না পেয়ে দখল করে দেওয়াল ও টয়লেট নির্মান করেন এবং জমির মাটি কেটে গর্ত করে ফেলেন।
স্বাক্ষ্যপ্রমাণে ঘটনাটি অপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামীদ্বয়কে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৭ ধারায় কারাদণ্ড এবং একই আইনের ২০ ধারা ও দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ১৮৯৮ এর ৫২২ ধারা মতে বেদখল হওয়া জমির দেওয়াল ও টয়লেট অপসারণ করে অভিযোগকারীকে দখল বুঝিয়ে দেন।

আপনার মতামত লিখুন